Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার ১৭ জুলাই ২০১৯, ০২ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৩ যিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী।

রফতানি আয় বেড়েছে ১৪% : দুই হাজার ৫০ কোটি ডলার আয়

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৪ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৩ এএম

পণ্য রফতানিতে বড় ধরনের প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে শেষ হলো ২০১৮ সাল। চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) রফতানি আয়ে ১৪ দশমিক ৪২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। তথ্য মতে, আলোচ্য সময়ে রফতানির মাধ্যমে দুই হাজার ৫০ কোটি ডলার আয় হয়েছে বাংলাদেশের। যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৪ দশমিক ৪২ শতাংশ বেশি। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর মাসে দেশের রফতানি আয় হয়েছিল এক কোটি ৭৯২ কোটি মার্কিন ডলার। রফতানি আয়ে সুখবর নিয়েই শুরু হয়েছিল নতুন অর্থবছর। ইতিবাচক সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে এখনও। এছাড়া দেশের প্রধান রফতানিপণ্য তৈরি পোশাক খাতের আয় ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলেছে। যার কারণে রফতানিতে প্রবৃদ্ধির ধারবাহিকতা এখনও বিদ্যমান।
তথ্য মতে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রফতানি লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক হাজার ৮৭৮ কোটি ডলার। তবে এ সময়ে আয় হয়েছে দুই হাজার ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও নয় দশমিক ১৩ শতাংশ বেশি।
একক মাস হিসেবে ডিসেম্বরে ৩৫৩ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে। এটি গত বছরের ডিসেম্বরের চেয়ে দুই দশমিক ১৮ শতাংশ বেশি।
ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, বরাবরের মতোই চলতি অর্থবছরে জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে মোট রফতানি আয়ে বড় অবদান রেখেছে তৈরি পোশাক খাত। আলোচিত সময়ে এ খাত থেকে আয় হয়েছে ১ হাজার ৭০৮ কোটি ৪৯ লাখ ডলার। এ সময়ে লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক হাজার ৫৭৪ কোটি ৫২ লাখ ডলার। এ হিসেবে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৮ দশমিক ৫১ শতাংশ। গত বছর একই সময়ের তুলনায় এবছর আয় বেড়েছে ১৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে কৃষিপণ্য রফতানিতে আয় হয়েছে ৫১ কোটি ৭৬ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৬৭ শতাংশ বেশি। প্লাস্টিক পণ্যের প্রবৃদ্ধি বেড়েছে ২১ শতাংশ। এ সময়ে আয় হয়েছে পাঁচ কোটি ৬৫ লাখ ডলার।
এদিকে পাট ও পাটপণ্য রফতানিতে আগের অর্থবছরের তুলনা প্রায় ২৭ শতাংশ আয় কমেছে। এ খাতে আয় দাঁড়িয়েছে ৪২ কোটি ১০ লাখ ডলার। আগের বছরের একই সময়ে এখাতের রফতানি আয় ছিল ৫৭ কোটি ৪০ লাখ ডলার। একইভাবে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রফতানি আয়ও কমেছে। এ খাতে আয় হয়েছে ৫৩ কোটি ২৩ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৪ শতাংশ কম।

 

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: রফতানি

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন