Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার ২৩ এপ্রিল ২০১৯, ১০ বৈশাখ ১৪২৬, ১৬ শাবান ১৪৪০ হিজরী।

দায়িত্ব নিয়েই চীনে নজর শানাহানের

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৪ জানুয়ারি, ২০১৯, ৫:১৬ পিএম

চীনকে টক্কর দেওয়াই আমেরিকার সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ বলে দাবি করলেন নতুন মার্কিন প্রতিরক্ষাসচীব প্যাট্রিক শানাহান। দায়িত্ব নেওয়ার পরে, বুধবার পেন্টাগনে দাঁড়িয়ে তার বার্তা, ‘দেশের নিরাপত্তার জন্য প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে যে তৎপরতা চলছে, তা চলবে। সবার আগে আমেরিকার নজরে থাকবে চীন, চীন এবং চীন।’
সিরিয়া থেকে সেনা সরানো নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে গত মাসে পদ ছেড়েছেন প্রাক্তন প্রতিরক্ষা সচীব জিম ম্যাটিস। তার পরে বছরের শুরুতেই সেই দায়িত্ব নেন শানাহান। নতুন এই প্রতিরক্ষা কর্তা টুইটারে লিখেছেন, ‘২০১৯ সালে জাতীয় প্রতিরক্ষা কৌশল হবে আমাদের পথপদর্শক। এবং আমেরিকার সামরিক শক্তিবৃদ্ধি হবে আমাদের মূল লক্ষ্য।’ কূটনীতিকেরা বলছেন, অর্থনৈতিক ও সামরিক ক্ষেত্রে চীনের ‘দাদাগিরি’ নিয়ে এখন যথেষ্ট উদ্বিগ্ন ওয়াশিংটন। বিশেষত, চীনের ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড’ প্রকল্পের অন্যতম অংশ চীন-পাক বাণিজ্যিক করিডর তৈরির বিষয়টি মোটে ভাল চোখে দেখছে না আমেরিকা। তাই চীনের থেকে নজর সরিয়ে বিপদ ডেকে আনতে রাজি নন শানাহান। হোয়াইট হাউস সূত্রের খবর, গত কাল রাতের দিকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে এ নিয়ে বৈঠক করেন প্রতিরক্ষাসচীব।
শানাহান নিজে সামরিক বাহিনীতে না থাকলেও ২০১৭ সালের জুলাই পর্যন্ত তিনি সহকারী প্রতিরক্ষাসচীব ছিলেন। তারও আগে ৩০ বছর ছিলেন উড়ান সংস্থা বোয়িংয়ে। এ দিকে গত কালই সাংবদিকদের সামনে ট্রাম্প জানিয়েছেন, ম্যাটিস নিজে পদত্যাগ করেননি। তিনিই চাননি ম্যাটিস আর থাকুন। ট্রাম্পের কথায়, ‘উনি আমার জন্য কী করেছেন?’ তার দাবি, ম্যাটিসের নেতৃত্বে মার্কিন সামরিক নীতি সঠিক ভাবে নির্ধারিত হয়নি। তিনি বলেছেন, ‘তার নেয়া সিদ্ধান্তে আমি সন্তুষ্ট নই। প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও তাকে বরখাস্ত করেছিলেন। আমিও করেছি।’ সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: চীন-যুক্তরাষ্ট্র


আরও
আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ