Inqilab Logo

ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮ আশ্বিন ১৪২৭, ০৫ সফর ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

প্রশ্ন : আলেম বা হুজুর বিনে নিজে তাওবা করা যায় কী?

শাকিল খান চৌধুরী
ইমেইল থেকে।

প্রকাশের সময় : ৭ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:১২ এএম

উত্তর : যায়। তওবা অর্থ গোনাহ থেকে ফিরে আসা। ইস্তেগফার অর্থ আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া। এ কাজ করতে কোনো আলেম বা হুজুরের উপস্থিতি জরুরি নয়। যে কোনো সময়, যে কোনো অবস্থায় নিজেই করা যায়। সমাজে একটি কথা চালু আছে, হুজুর ডেকে তওবা করা বা হুজুর আমাকে তওবা পড়ান। এ ধারণাটি ভুল। এটি মূলত ‘আমি তওবা করতে চাই’ হুজুর বা আলেম আমাকে পরামর্শ দিন। এ পরামর্শ বা জ্ঞান লাভ করার জন্য হুজুর বা আলেমের প্রয়োজন। অন্য কোনো ভাবেও তা হতে পারে। তবে তওবার জন্য কোনো হুজুর বা আলেমের প্রয়োজন আগেও ছিল না, এখনো নেই। এমনকি মৃত্যুশয্যায় শায়িত ব্যক্তির তওবার ক্ষেত্রেও আলেম বা হুজুরের কোনো প্রয়োজন নেই। এটি একটি রেওয়াজ। যেমন- ফাঁসির আসামিকে শেষ তওবা পড়ানোর জন্য জেলখানার কোনো ইমাম সাহেবকে দায়িত্ব দেয়া হয়। এটিও পরামর্শ মাত্র। তওবা কেউ করায় না, এটা নিজেই করতে হয়। এর জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময় ঠিক করাও ভুল। দিনরাত ২৪ ঘণ্টাই একজন মুসলমান গোনাহ থেকে ফিরে আসা (তওবা) ও কৃত গোনাহের জন্য আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করা (ইস্তেগফার), কাজ দু’টো অব্যাহতভাবে চালিয়ে যেতে পারে। এখানে আনুষ্ঠানিকতার কোনো স্থান নেই। এটি আল্লাহ ও বান্দার মধ্যকার একটি স্থায়ী সম্পর্কের শিরোনাম মাত্র।

সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতাওয়া বিশ্বকোষ।
উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
[email protected]



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন

আমি শরিয়তের হুকুম আহকাম মোতাবেক চলার চেষ্টা করি। পারিবারিক বাধা সত্বেও দাড়ি টুপি ব্যবহার করছি। ১ বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে করি। বিয়েতে আমি পরিপূর্ন শরিয়ত মানার চেষ্ঠা করেছি এতে পরিবারের সবাই নারাজ হয়। বড় বোন জামাইয়ের নারাজির কারণে মা-বাবাও খুশি নন। পর্দার খেলাফ এবং আমার কর্মক্ষেত্র দূরে হওয়ায় আমার স্ত্রীকে আমার কাছে নিয়ে আসি। এইজন্য আমার মা আমার প্রতি অসন্তুষ্ট। তিনি আমার স্ত্রীকে ফোনে গালিগালাজ করে। বড় ভাই নেশাগ্রস্থ ও অন্যান্য অপরাধের সাথে যুক্ত থাকার পরেও তারা তাকেই বেশী আশ্রয় প্রশ্রয় দেয়। মাস শেষে টাকা নেওয়ার জন্য ফোন করা ছাড়া আমার সাথে তারা কোনো যোগাযোগ রাখে না। এই অভিমানে আমিও যোগাযোগ কম করি এবং ৬ মাস যাবৎ বাড়ি যাওয়া বন্ধ করে দেই। এতে তাদের কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। যদিও তাদের জন্য আমার কষ্ট হচ্ছে। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কি?

উত্তর : তাদের জন্য আপনার কষ্ট হওয়াটা আপনার ভালো মানুষির চিহ্ন। এটি সন্তান হিসাবে, ভাই হিসাবে, পরিবারের সদস্য হিসাবে আপনার প্রশংসনীয় অনুভূতি। এটুকুর জন্য ইনশাআল্লাহ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ