Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ০৭ কার্তিক ১৪২৬, ২৩ সফর ১৪৪১ হিজরী

বিক্ষোভের মধ্যেই ভারতে নাগরিকত্ব বিল পাস

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ৪:০৪ পিএম

কংগ্রেসসহ কয়েকটি বিরোধী দলের বিরোধিতার মধ্যেই ভারতের লোকসভায় নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাস করেছে ভারতের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ লোকসভা। শুধু কংগ্রেস বা বামেরা নয়, অমুসলিম শরনার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার বিলের বিরোধিতা করেছে উত্তরপূর্ব ভারতে বিজেপির সঙ্গে জোটবদ্ধ কয়েকটি দলও এই। এর ফলে প্রতিবেশী মুসলিম দেশগুলো থেকে আসা অমুসলিম শরনার্থীরা ৬ বছর ভারতে বসবাসের পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদর করতে পারবেন। এই তালিকায় রয়েছে হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি, শিখ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সদস্যরা। খবর জি নিউজের।
সমালোচকরা বলছেন, এই বিল সংবিধানের মূল ধারার পরিপন্থী। এ ইস্যুতে সোমবার আসামে বিজেপি সরকার থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে মিত্র রাজনৈতিক দল ‘আসাম গণপরিষদ’। সেখানে নাগরিকত্ব সংশোধন বিলের বিরোধিতায় সরব হয় তৃণমূল কংগ্রেসও।
মঙ্গলবার লোকসভায় নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল উত্থাপন করেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি বলেন, এই বিল সাধারণ মানুষের জন্য রক্ষাকবচ। ভারতের সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জন্য এ আইন কার্যকর করা হবে। নির্যাতিতদের বোঝা পুরো দেশ বহন করবে।
নাগরিকত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকার ধর্মীয় ভেদাভেদ করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধীরা নেতারা। জবাবে রাজনাথ সিং বলেন, ভারত ছাড়া ওদের আর কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই।

এই বিলের বিরোধিতাকারী দলগুলো জানিয়েছে, এই বিল পাশ হয়ে আইনে পরিনত হলে ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের পর বাংলাদেশ থেকে বেআইনিভাবে যে সমস্ত হিন্দুরা ভারতে এসেছেন তারাও ভারতীয় নাগরিকত্ব পেয়ে যাবেন। যা ভারতের পক্ষে সুখকর হবে না।
সংবাদমাধ্যম সূত্র জানিয়েছে, নাগরিকত্ব (সংশোধন) বিল-২০১৬-এর বিরুদ্ধে মঙ্গলবার উত্তরপূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোতে দিনভর ধর্মঘট ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এ বিলের বিরোধিতায় মঙ্গলবার বনধ ডাকে উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় ছাত্র সংগঠনগুলো। জায়গায় রাস্তায় টায়ার পুড়িয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে বনধ সমর্থকরা। সূত্র: এনডিটিভি, জি নিউজ।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: নাগরিকত্ব বিল
আরও পড়ুন