Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৯, ০৩ কার্তিক ১৪২৬, ১৯ সফর ১৪৪১ হিজরী

খালেদা জিয়াকে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১১ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:০২ এএম

গ্যাটকো মামলায় বিএনপির চেয়ারর্পাসন খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করার জন্য প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট (হাজিরা পরোয়ানা) জারি করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক আবু সৈয়দ দিলদার এ ওয়ারেন্ট জারি করেন। গতকাল এ মামলার অভিযোগ গঠনের দিন ধার্য ছিল। তবে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা সময়ের আবেদন করেন। অপরদিকে দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল সময় আবেদনের বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, মামলাটি ৬ মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছেন। তাই লম্বা সময় না দিয়ে স্বল্প সময়ের মধ্যে মামলাটির চার্জ গঠন করা হোক। একই সঙ্গে খালেদা জিয়া কারাগারে থাকায় প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারির আবেদন করেন তিনি। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করার জন্য প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করেন আদালত। এবং মামলাটির চার্জ গঠনের জন্য আগামী ১৬ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন।
২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী সাবেক চার দলীয় জোট সরকারের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় এ মামলা করেন। মামলার পরদিন খালেদা জিয়া ও কোকোকে গ্রেফতার করা হয়। ওই বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর মামলাটি অন্তর্ভুক্ত করা হয় জরুরি ক্ষমতা আইনে। পরের বছর ১৩ মে খালেদা জিয়াসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগপত্র দেয়া হয়।
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গ্যাটকোকে ঢাকার কমলাপুর আইসিডি ও চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের কাজ পাইয়ে দিয়ে রাষ্ট্রের ১৪ কোটি ৫৬ লাখ ৩৭ হাজার ৬১৬ টাকার ক্ষতি করেছেন। পরে মামলাটি জরুরি ক্ষমতা আইনে অন্তর্ভুক্ত করার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এবং বিচারিক আদালতে মামলার কার্যক্রমের উপর স্থগিতাদেশ চেয়ে ২০০৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে আলাদা দুটি রিট আবেদন করেন খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকো। এর তিনদিন পর খালেদা ও কোকোর বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুল দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে মামলাটি জরুরি ক্ষমতা আইনের অন্তর্ভুক্ত করা কেন বেআইনি ও কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না -তা জানতে চাওয়া হয়। তবে হাইকোর্টের দেয়া স্থগিতাদেশ পরে আপিল বিভাগে বাতিল হয়ে যায়। দুদক আইনে গ্যাটকো মামলা দায়েরের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৮ সালে আরেকটি রিট আবেদন করেন খালেদা জিয়া। তার আবেদনে হাইকোর্ট আবারও মামলার কার্যক্রমের উপর স্থগিতাদেশ দেন এবং মামলাটি কেন বাতিলের নির্দেশ দেয়া হবে না -এ মর্মে রুল জারি করেন।#



 

Show all comments
  • Md Sohag Mirdha ১১ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৩৯ এএম says : 0
    আর কতদিন এই মহিলাকে এভাবে বেআইনি ভাবে রাখবে
    Total Reply(0) Reply
  • Minhaj Aman ১১ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৩৯ এএম says : 0
    what is productiion warrent?
    Total Reply(0) Reply
  • Muhammad Sumon Reza ১১ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৪০ এএম says : 0
    'শতাব্দীর সেরা উক্তি' "আমাকে মুক্ত করার আগে দেশের জনগনকে মুক্ত করো" কারারুদ্ধ আপোষহীন দেশনেত্রী, --"বেগম খালেদা জিয়া"
    Total Reply(0) Reply
  • Ahmed Bin Hilal ১১ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৪০ এএম says : 0
    Kajol..system er dalal... Se system er dalali kore Hajar koti taka kamacce...
    Total Reply(0) Reply
  • Nizamuddin Nizam ১১ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৪১ এএম says : 0
    সাজানো রায় হয়েছে আরো হবে কারন জিয়া পরিবার আওয়ামী হিংসার রোষানলে পডেছে ওদের টার্গেট খালেদা জিয়া আর তারেক রহমান কে সাজানো মামলার সাজানো রায়ে দনডিত করা দলীয় বিচারক এমন রায় দিয়েছে
    Total Reply(0) Reply
  • Nizamuddin Nizam ১১ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৪১ এএম says : 0
    উনিতো হাজতে আছে
    Total Reply(0) Reply
  • Atif Adib ১১ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৪১ এএম says : 0
    chinese buji bangla buji na
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: খালেদা জিয়া

২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ