Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০১৯, ১১ মাঘ ১৪২৫, ১৭ জামাদিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী

বিএনপির তৃণমূলে ‘না’

মার্চে উপজেলা নির্বাচন

ফারুক হোসাইন | প্রকাশের সময় : ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:০২ এএম

৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের প্রধান প্রতিদ্ব›দ্বী দল বিএনপির। ২৯৯টি আসনে নির্বাচনে অংশ নিয়ে মাত্র ৬টিতে বিজয়ী হয়েছেন দলটির প্রার্থীরা। আর তাদের জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা জয় পেয়েছে দুটি আসনে। জাতীয় নির্বাচনে এমন ভরাডুবিকে এখনো অবিশ্বাস্য মনে করছেন দলটির নীতিনির্ধারণী নেতারা। যদিও নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে নতুন নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন তারা। জাতীয় নির্বাচনে বিপর্যয়ের এই ধাক্কা সামলাতে না সামলাতে ফের চলে এসেছে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। আগামী মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। তিনি বলেছেন, আগামী মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে ধাপে ধাপে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করা হবে। ফলে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা, মনোনয়নপত্র জমা, প্রত্যাহার ইত্যাদি কার্যক্রম শুরু হবে ফেব্রুয়ারিতেই। এই নির্বাচন নিয়ে ক্ষমতাসীন দল ফুরফুরে অবস্থানে থাকলেও দ্বিধান্বিত তাদের প্রতিদ্ব›দ্বী দল বিএনপি।
আসন্ন এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা উচিত কিনা? কিংবা অংশগ্রহণ করলে কি হবে সে বিষয়ে দ্বিধাবিভক্ত দলটির নেতা ও নীতিনির্ধারণীরা। দলটির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা এই নির্বাচন বর্জনের পক্ষে মতামত দিয়েছেন। তবে দলের ভেতরে নির্বাচনপন্থী হিসেবে পরিচিত একটি অংশ নির্বাচনে অংশগ্রহণের ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেছেন। তৃণমূলের নেতারা বলছেন, ৩০ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনই প্রমাণ করে দলীয় সরকার ও বর্তমান সিইসির অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে না। নির্দলীয়, নিরপেক্ষ, তত্ত¡াবধায়ক সরকারের যে দাবিটি বিএনপির ছিল তা বিগত সিটি করপোরেশন নির্বাচনে একবার প্রমাণিত হয়েছে। পরবর্তীতে তা চরম বাস্তব সত্য হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। ফলে নতুন করে এই দাবির যৌক্তিকতার কথা বলে নির্বাচনে অংশ নিতে চাইলে নেতাকর্মীরা আবারও হামলা-মামলার মুখে পড়বে। অন্যদিকে দলের আরেকটি অংশ উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেয়ার পক্ষে। তারা বলছেন, গণতান্ত্রিক দল হিসেবে বিএনপিকে নির্বাচনে যাওয়া উচিত। তাহলে নির্বাচনের প্রকৃত চিত্র দেশবাসী ও বহির্বিশ্ব জানবে। নির্বাচনে গেলে সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপির যে অভিযোগ, তা আরও মজবুত হবে বলেও মনে করেন তারা। তবে তফসিলের পর দলের নীতিনির্ধারকরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।
উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে কিনা জানতে চাইলে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যে ভোট ডাকাতির মহোৎসব হলো সেই আতঙ্কজনক পরিবেশই এখনো কাটেনি। আমরা এখনো উপজেলা নির্বাচনের বিষয়ে কোন আলোচনাই করিনি। কিছুদিন যাক, সময় হলে দলের সকলে মিলে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এড. রুহুল কবির রিজভী বলেন, উপজেলা নির্বাচন ইস্যুতে এখনো আলোচনা করা হয়নি। আশা করি দলের নীতিনির্ধারণী নেতারা যৌক্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। কোনটি করলে ভালো হবে সেটা তারা আলোচনা করে ঠিক করবেন।
দলের তৃণমূলের নেতাদের অনেকের সাথে কথা বলে জানা যায়, মাঠপর্যায়ে দলের সক্রিয় নেতাকর্মীদের সবার বিরুদ্ধেই মামলা রয়েছে। জাতীয় নির্বাচনের আগ পর্যন্ত বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী কারাগারে আটক রয়েছেন। যারা বাইরে রয়েছেন তারাও গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। দফায় দফায় হামলা, পালিয়ে থাকার কারণে আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত অনেক নেতাকর্মী। জাতীয় নির্বাচনেও তারা ভোট কেন্দ্রে যেতে পারেননি। এই অবস্থায় উপজেলা নির্বাচনে যেতে চাইলে নেতাকর্মীরা সক্রিয়ভাবে মাঠে নামতে পারবেন না। তাছাড়া সরকার সংসদ নির্বাচনের মতোই সর্বশক্তি দিয়ে উপজেলা নির্বাচনেও জোর করে বিজয় ছিনিয়ে নেবে। এ ধরনের নির্বাচনে যাওয়ার চেয়ে বর্জন করা দল এবং নেতাকর্মীদের জন্য মঙ্গলজনক।
বিএনপির সিলেট বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক দিলদার হোসেন সেলিম বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরই প্রমাণিত হয়েছে এই সরকারের অধীনে নির্বাচন কি ভয়ংকর হতে পারে। ফলে এই সরকারের অধীনে আর নতুন কোন নির্বাচনে যাওয়ার প্রয়োজন আছে বলে তিনি মনে করেন না।
নেত্রকোণা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডা. মোঃ আনোয়ারুল হক বলেন, এই সরকারের অধীনে নতুন কোন নির্বাচনে গিয়ে নেতাকর্মীদের বিপদে ফেলা ঠিক হবে না। কারণ ইতোমধ্যে সমস্ত নেতাকর্মী হামলা, মামলায় জর্জরিত। এই অবস্থায় নির্বাচনের পরিবর্তে তাদেরকে মুক্ত করা এবং দলকে সুসংগঠিত করা উচিত।
যশোর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু বলেন, জাতীয় নির্বাচনে সরকার রাতের ভোটের যে সংস্কৃতি চালু করেছে তা উপজেলা নির্বাচনেও প্রয়োগ করবে। বরং এই নির্বাচনে যে ভুল তারা করেছে উপজেলাতে তা আরও সুচারুরূপে প্রয়োগ করবে। ফলে এই সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশ নেয়া মানে নিশ্চিত পরাজয় জেনেই অংশ নিতে হবে। তাই এখন দলকে সংগঠিত করা এবং বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে দলকে মাঠে নামতে হবে বলেও মনে করেন তিনি।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, দলের ভেতরে নির্বাচনপন্থী হিসেবে যারা পরিচিত তারাও এখন হতাশ হয়ে পড়েছেন। কারণ সরকার এমন এক নির্বাচনী ব্যবস্থা চালু করেছে যেখানে তারা প্রতিদ্ব›িদ্বতা চায় না, প্রতিপক্ষ চায় না। নির্বাচনের কোন পরিবেশই নাই। আবার এখন দলের অস্তিত্ব রক্ষা, গণতন্ত্র রক্ষা, গণতান্ত্রিক ধারা বজায় রাখা ইত্যাদি বলাও অর্থহীন। তারপরও দল, ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দল যদি মনে করে নির্বাচনে যাবে তারা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। তবে প্রশ্ন দেখা দেবে এই নির্বাচন কমিশন ও সরকারের অধীনে ভাল নির্বাচন কিভাবে আদায় করবে? নাকি আবারও নির্বাচন নির্বাচন খেলা, নির্বাচনের নামে ভন্ডামি আর তামাশা হবে। তবে সরকার ও নির্বাচন কমিশন যদি অতীতের নির্লজ্জ নির্বাচনের জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চায় তাহলে দল নির্বাচনে যেতে পারে বলেও মতামত দেন তিনি।
তবে বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের এক নেতা বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নিলে ক্ষমতাসীন দল ভোট ডাকাতি করেছে তা আমরা বলতে পারতাম না। আমার ব্যক্তিগত মতামত- গণতান্ত্রিক দল হিসেবে উপজেলা নির্বাচনে যাওয়া উচিত। এ নির্বাচনে অংশ নিয়ে আমরা ক্ষমতাসীন দল ও সিইসির চেহারা আবারও দেশবাসীকে দেখাতে চাই। তবে নির্বাচনে যাওয়া না-যাওয়ার বিষয়টি কেন্দ্রীয় ও তৃণমূল নেতাদের মতামত নিয়েই দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হবে।
এদিকে বিএনপি সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকালে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের প্রথমবারের মতো বিএনপির সাংগঠনিক ও সহসাংগঠনিক সম্পাদকদের অনানুষ্ঠানিক বৈঠক হয়। বৈঠকে তাদের সাথে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্কাইপিতে যুক্ত হন। বৈঠকে উপস্থিত এক নেতা জানান, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পরবর্তী করণীয় নিয়ে তাদের মতামত চান। একইসাথে উপজেলা নির্বাচন নিয়ে কী করা যায় সে বিষয়েও জানতে চান। উপস্থিত নেতারা বলেছেন, ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনকে ভোট ডাকাতির নির্বাচন বলছি। এখন যদি সেই সিইসির অধীনেই উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেই, তাহলে বিশ্বাযোগ্যতা নষ্ট হবে। এ ছাড়া নেতাকর্মীদেরও নতুন করে হামলা-মামলার মুখে ফেলতে চাই না।
সর্বশেষ ২০১৪ সালে ১৯ ফেব্রুয়ারি প্রথম ধাপে ৯৭ উপজেলায় নির্বাচন হয়। ২৭ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় ধাপে ১১৭ উপজেলায় ভোট হয়। ওই বছর সব মিলিয়ে ৭ ধাপে ভোট হয়। তবে গতবার নির্দলীয়ভাবে উপজেলা নির্বাচনে ভোট হলেও এবার হবে দলীয় প্রতীকে। আগামী মার্চে দুই থেকে তিন ধাপে ভোট গ্রহণের বার্তা দিয়েছে ইসি। সেই আলোকে এ মাসের শেষ বা আগামী মাসের শুরুতে তফসিল হতে পারে।



 

Show all comments
  • Showkot Chowdhury ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৭ এএম says : 0
    বিএনপি উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী নির্বাচিত হবে পরে কি হবে বলতে পারেন? আমি বলে দিচ্ছি,হয়তো জেলে আটক নয়তো মামলা দায়ের করা হবে ।
    Total Reply(0) Reply
  • Md Didarol Islam Robel ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৭ এএম says : 0
    বর্তমান সরকারের অধীনে কোন নির্বাচন নয়।
    Total Reply(0) Reply
  • Maftoon Ahmed Khan Rubel ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৭ এএম says : 0
    আন্দোলনের অংশ হিসেবেই উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিতে হবে,,,, বিনা চ্যালেঞ্জে এদের কে কোন কিছুতেই ছাড় দেয়া ঠিক হবেনা,,, সরকারের ভোট ডাকাতির চেহারা জনগন দেখতে থাকুক,,,, বিএনপি উপজেলা নির্বাচন বয়কট করলে তখন হয়ত তারা নিজেদের মধ্যে একটি সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করে নিতে পারে,,,,, বিএনপি কে ঠেকাতেই আওয়ামী শক্তিকে ভোট ডাকাতি করতে হচ্ছে,,, আমার বক্তব্য হলো বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিবে,,,, সরকার ভোট ডাকাতি করতে যেয়ে একসময় জনপ্রতিরোধের সম্মুখে পরতে হবে,,,,,,,ইনশাআল্লাহ তাই হবে সেদিন বেশি দূরে নয়,,,
    Total Reply(0) Reply
  • Md Didarol Islam Robel ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৮ এএম says : 0
    বর্তমান সরকারের অধীনে কোন নির্বাচন নয়।
    Total Reply(0) Reply
  • Sopon Sopon ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৮ এএম says : 0
    আবার বুল করবে
    Total Reply(0) Reply
  • Md Nur Nobi ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৮ এএম says : 0
    আমি মনে করি বিএনপি এই নির্বাচনে গেলে আরো বড় ভুল করবে
    Total Reply(0) Reply
  • Munna Jamal ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৮ এএম says : 0
    Yet the government under don't going with elections , and with this election commissioner , on bnp , release please on the our leader khalada zia
    Total Reply(0) Reply
  • Abdullah Al Habib ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৯ এএম says : 0
    নির্বাচন করার প্রয়োজন নাই পছন্দর প্রার্থীকে চেয়ারম্যান ঘুষনা করেন এটাই আমার দাবি
    Total Reply(0) Reply
  • Md Faysal Hamid ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৯ এএম says : 0
    ইসিকে বলবো, নির্বাচনের নামে আর নাটক কইরেন না।আওয়ামীলীগকে বিজয়ী ঘোষনা করে দেন।আপনার জাতির সাথে প্রতারনা করেছেন।
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammod Kamal ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫০ এএম says : 0
    আওয়ামী লীগ কে বিজয় বলে দেন দেশের টাকা নষ্ট করবেন না, মি. অর্থব ইসি
    Total Reply(0) Reply
  • Sumi Sumi ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫০ এএম says : 0
    এত নাটক করার দরকার নেই। জনগণের টাকা খরচ করার দরকার নেই। এমন ভুয়া নির্বাচন করার দরকার নেই ।
    Total Reply(0) Reply
  • Md Ismail ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫০ এএম says : 0
    ভোটের কি দরকার সরকারের টাকা গুলো বেহুদা কাজে নষ্ট করার কোন দরকার আছে কি ? একজনের নাম সেলেকসন করে দিলে ভালো হতো না ? এই টাকা দিয়ে দেশের উন্নতি করলে ভালো হতো না ?
    Total Reply(0) Reply
  • Md Niloy ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫১ এএম says : 0
    জাতীয় নির্বাচনের অপকর্ম ঢাকা দিতেই তড়িঘড়ি করে এখন আবার উপজেলা নির্বাচন দেওয়া হচ্ছে।
    Total Reply(0) Reply
  • Dhusor Kamrul ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫১ এএম says : 0
    আ’লীগের অধীনে আরো নির্বাচন দেখতে হবে আমাদের।..... হায় খোদা তুমি আমাদের উঠিয়ে নাও। না হয় ওদের উঠিয়ে নাও
    Total Reply(0) Reply
  • Md Sorwar ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫২ এএম says : 0
    নির্বাচন দিয়ে টাকা খরচ না করাই ভাল।নির্বাচন এর বাজেট দিয়ে রাস্তঘাটের উন্নয়ন করলে জনগণের উপকার হবে।
    Total Reply(0) Reply
  • Mahedi Hassan ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫২ এএম says : 0
    Hello please shut down the election commission until 2041 avoid all municipalities and national election this kind of election will repe lot of like noyakhali, national ID card for buy SIM card only not for election.
    Total Reply(0) Reply
  • Zisan Ahmed ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৩ এএম says : 0
    হাসিনার অধীনে মেম্বারি নির্বাচনেরও কোনো মুল্য নাই। ভোট ডাকাতি করবে সব নির্বাচনে।
    Total Reply(0) Reply
  • Jahed Ahmed ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৩ এএম says : 0
    এই সরকারের অধিনে কোনো নির্বাচনে যাওয়া টিক হবে না
    Total Reply(0) Reply
  • Tohid Yousuf ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৪ এএম says : 0
    উপজেলা নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ খুবই জরুরী। কারন এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে বিএনপি লাভবান হবে,আওয়ামীলীগ কে মাঠে একা ছেড়ে দেওয়া যাবেনা।বিএনপির নেতাকর্মীরা এতে করে আরো সাহস পাবে,এবং তৃনমূল পর্যায়ে দল আরো শক্তি পাবে,দল যদি অংশগ্রহণ না করে তাহলে দলকে অনেক মাশুল দিতে হবে
    Total Reply(0) Reply
  • Rahman Sadman ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৪ এএম says : 0
    কি সব ফালতু চিন্তা ভাবনা-- যেখানে জাতীয় নির্বাচন নিয়ে হামলা মামলা,চুরি চামারি আর বাড়ী বাড়ী তল্লাসি সেখানে উপজেলা মানিই হলো আইওয়াস করে জাতীয় নির্বাচনকে বৈধ বলে চেষ্টা করা-- নেতারা বলে দিলেই তো আর হবে না-- মাঠে প্রসাশন আর আওয়ামী লোকদের সামাল দিবে কে--?আমার মতে প্রসাশন যতক্ষণ না নিরপেক্ষ হয় ততক্ষণ পর্যন্ত কোন নির্বাচনে যাওয়া তো দুরের কথা চিন্তা করাটাও পাপ হবে---
    Total Reply(0) Reply
  • এম স্মাইল ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৪ এএম says : 0
    সঠিক সিদ্ধান্ত, পাতানো নির্বাচন করে লাভ নাই তা তৃণমূল বুঝতে পেরেছে, এই নির্বাচন করে তৃণমূল এর কপালে জেল জুলুম ছাড়া আর কিছু জুটবে না
    Total Reply(0) Reply
  • Engr Shafiqul Islam ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৫ এএম says : 0
    নির্বাচনে না গিয়ে আন্দোলনে কিভাবে টিকে থাকবে সে দিকে নজর দেয়া দরকার
    Total Reply(0) Reply
  • Ali Hussain Manik ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৫ এএম says : 0
    নির্বাচনে দল গিয়া কি করবে ?? আমরা ত্রিনমুল কে মার খাইবার জন্য , না না না।
    Total Reply(0) Reply
  • M M Acondha ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৫ এএম says : 0
    ৩০.শে ডিসেম্বেরের নির্বাচনে দলিয় সরকার তথা সিইসি কেএম নূরুল হুদা সহ তার পুলিশ প্রশাসন যে ভোট ডাকাতির গেইম খেলেছে, তা আগামি উপজেলা নির্বাচনে পুনরাবৃত্তি ঘটবে না এতে কোন সন্ধেহ আছে ??
    Total Reply(0) Reply
  • Mdmanirul Islam ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৬ এএম says : 0
    হ্যা বর্জন করা উচিত কারণ ভোট তো কেটে নেবে শুধু টাকা খুইয়ে লাভ কি আর কেউ তো বি এন পি এর সাথে হাটবে না কারন পরে ঝামেলায় পড়তে হবে ।
    Total Reply(0) Reply
  • Makbul Hussain ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৬ এএম says : 0
    দলীয় সরকার এবং বর্তমান নির্বাচন কমিশন দলীয় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর অধীনে আর কোন নির্বাচনে যাওয়া বি এন পির জন্য বোকামি হবে,,
    Total Reply(0) Reply
  • Sohag Mahmud ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৬ এএম says : 0
    এই স্বৈরাচারী শাসক চক্রের অধিনে নির্বাচন করা আর টাকা অপচয় করা সমান কথা। অপচয় কারীকে আল্লাহ পছন্দ করেন না। না যাওয়া যাবে না।
    Total Reply(0) Reply
  • সত্যের সৈনিক ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৭ এএম says : 0
    জিয়া বিএনপি এবং ঐক্যফ্রন্ট কে কিছুতেই সামনের উপজেলা নির্বাচনে অংশগ্রহন করা চলবে না,,,,,মাঠটা ছেড়ে দিন,,,,,,, তখন মাঠে আওয়ামীলীগ এর ই বিভিন্ন গ্রুপিং হয়ে যাবে,,,, সারাদেশে ৫০০ উপজেলা,,,,, বিএনপি জামাত,ঐক্যফ্রন্ট না গেলে তাহলে মাঠে থাকবে মূলত সতন্ত্র আর হাতপাখা,,,,,,, বাম দলের সাথে বৈঠক করা হোক,,,,, তাদের এর থেকে বিরত রাখা হোক,,,,,, তারা মনে হয় আর যাবে না,,,,হাতপাখার কথা জানি না,,,যখন মাঠে আর কেউ থাকবে না,,,, তখন আওয়ামীলীগ ই অস্ত্রের মহড়া দিয়ে নিজেরাই কামড়াকামড়ি করবে,,,,,,,, তাই আল্লাহর ওয়াস্তে এদের কে মাঠ টা ছেড়ে দিন,,, এদের কামড়াকামড়ি দেখতে চাই,,,,
    Total Reply(0) Reply
  • Jonab Kornell ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৭ এএম says : 0
    আগের রাতেই ভোট হয়ে যাবে। অংশগ্রহন করে লাভ নেই।
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammad Anamul Hoque Babul ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৭ এএম says : 0
    অসহায় তৃণমূল বিএনপি, উপজেলা পরিষদ স্থানীয় সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন । এখানে ভোটারের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করতে পারে। আবার আশঙ্কাও রয়েছে জাতীয় নির্বাচনের মতোই আগের রাতে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হবে কিনা।
    Total Reply(0) Reply
  • Mehedi Hasan Sumon ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৮ এএম says : 0
    অংশ নিয়া লাভ কি? জাতীয় নির্বাচনে তো ৬ টা আসন দিছে কিন্তু উপজেলা নির্বাচনে একটাও দিবো না।
    Total Reply(0) Reply
  • Jahangir Khandokar ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৮ এএম says : 0
    ভোট ডাকাত সরকারের অধীনে নির্বাচন করলে ভোট ডাকাতি হয়ে যাবে। ডাকাতদের উত্সাহিত করার জন্য কেউ নির্বাচনে দাঁড়াতে চাইলে দাঁড়াবে!!!
    Total Reply(0) Reply
  • MD Arif Khan ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৮ এএম says : 0
    বাংলাদেশের কোন নির্বাচনে আর মানুষের আস্হা নাই যে নির্বাচনে ভোটের অধিকার নাই তা না করা উচিত।
    Total Reply(0) Reply
  • Md Jahir Khan ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৯ এএম says : 0
    চুরির কৌশল নুতন প্রজন্মকে শিখানোর জন্য নির্বাচনের দরকার নাই।
    Total Reply(0) Reply
  • Meer Sayem ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৯ এএম says : 0
    এই হাস্যকর নির্বাচনে অংশগ্রহন করাটা ঠিক হবেনা।
    Total Reply(0) Reply
  • Monsur ১২ জানুয়ারি, ২০১৯, ৫:২১ এএম says : 0
    I don't like election commission
    Total Reply(0) Reply
  • শাহীন ১৭ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৩৪ পিএম says : 0
    ভোটের যাওয়ার রাজনীতি দরকার নেই, ভোট কারচুপি, সিইসির দলবাজী, সরকারের অপরাজনীতি, দূর্নীতি, মানুষের অধিকারের রাজনীতিতে ফিরে আসুন, তাহলে সবই পাওয়া যাবে
    Total Reply(0) Reply
  • শাহীন ১৭ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:২৭ পিএম says : 0
    এই সিইসি, সরকার আর প্রশাসন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যা দেখিয়েছে, জনগণের ভোটের অধকারকে যেভাবে পদদলিত করে নির্লজ্জভাবে ভোট ছিনিয়ে নিয়েছে, তারপরও যদি তাদের অধীনে কোন নির্বাচনেই বিএনপি যায়, তবে নিজের বিশ্বাসের সাথেই প্রতারণ করা হবে আর অবৈধ সিইসি, সরকার এর সকল অনৈতিক কাজকে মেনে নেওয়া হবে। আশা করি বিএনপি এমন ধরণের আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকবে।
    Total Reply(0) Reply
  • সোহেল আরমান ১৭ জানুয়ারি, ২০১৯, ১০:৫৬ এএম says : 0
    এই সরকারের অধিনে নির্বাচনে যাওয়া উচিত হবে না ।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ