Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০১৯, ১১ মাঘ ১৪২৫, ১৭ জামাদিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
শিরোনাম

গণতন্ত্রের স্বার্থে সংসদে আসা উচিত : প্রধানমন্ত্রী

বিএনপির বিরুদ্ধে মামলা নিজস্ব গতিতে চলবে, ২০২০ মুজিববর্ষ হিসেবে উদযাপন

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৪ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:০৩ এএম

বিএনপিকে সংসদে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, গণতন্ত্রের স্বার্থে বিএনপিকে সংসদে এসে কথা বলা উচিত। তিনি বলেন, বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব দুর্নীতিগ্রস্ত, সাজাপ্রাপ্ত এবং পলাতক আসামি বলেই জনগণ নির্বাচনে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। এরপরও ২০১৮ এর নির্বাচনে বিএনপি যদি মনোনয়ন বাণিজ্য না করত, তাহলে হয়তো তাদের ফলাফল আরও একটু ভালো হতে পারত।
২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের কথা জানিয়ে তার কন্যা বলেন, ২০২০সালকে মুজিব বর্ষ হিসেবে উদযাপন করা হবে। এজন্য এখন থেকেই কর্মপরিকল্পনা হাতে নেওয়া হবে। বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে যে মামলা হয়েছে তা নিজ গতিতেই চলবে বলেও জানান শেখ হাসিনা। গতকাল বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের উপদেষ্টা পরিষদ ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের যৌথ সভার সূচনা বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন বিকেল সাড়ে ৩টায় যৌথসভা শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে ২০১৮ সালের ৬ জলাই গণভভনে যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগের এটাই প্রথম যৌথ সভা।
আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, মনোনয়ন বাণিজ্য নিয়ে নিজেদের মধ্যে কোন্দল-মারামারির করেছে। বিজয়ী হওয়ার মতো প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়নি। সকালে একজন, বিকালে আরেকজনকে মনোনয়ন দিয়েছে। মানুষ জানতেই পেরেছে যে এদের চরিত্রটা কী। এদের চরিত্র শোধরায়নি। বাংলাদেশের জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করে দিছে। তারপরও একটি দলের প্রধান দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত, যাকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান করা হয়েছে, সেও খুন, একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা ও দুর্নীতির মামলায় বিদেশে পালাতক তখন তাদের এমন ফল বিপর্যয় স্বাভাবিক। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে এরমধ্যেও যে কয়েকটি আসনে তারা বিজয়ী হয়েছে, আমি মনে করি গণতন্ত্রের স্বার্থে তাদের সংসদে আসা উচিত।
আমার কাছে সমস্ত ঘটনাগুলি লিপিবদ্ধ করা আছে দাবি করে শেখ হাসিনা বলেন, আপনারা মাঠে ঘাটে দেখেছেন, টেলিভিশনে দেখেছেন কিভাবে তারা প্রচেষ্টা চালিয়েছিল কোনমতে নির্বাচনটা যেন বানচাল করা যায় কিন্তু তা তারা পারে নাই। এখন বিএনপি নির্বাচনে হেরেছে, এই দোষটা তারা কাকে দেবে? দোষ দিলে তাদের নিজেদেরকে দিতে হয়। কারণ একটি রাজনৈতিক দলের যদি নেতৃত্ব না থাকে, মাথাই না থাকে তাহলে সেই রাজনৈতিক দল কিভাবে নির্বাচনে জয়ের কথা চিন্তা করতে পারে। বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে যে মামলা হয়েছে তা নিজ গতিতেই চলবে বলেও জানান শেখ হাসিনা।
টানা তৃতীয় মেয়াদে জয়ী হয়ে সরকার গঠনের সুযোগ দেওয়ায় জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে সব থেকে লক্ষণীয় বিষয় ছিল, মানুষের মধ্যে একটা স্বতঃস্ফূর্ততা এবং ভোট দেওয়ার জন্য আগ্রহ। বিশেষ করে এদেশের তরুণ সমাজ, যারা প্রথম ভোটার এবং নারী। এবারের নির্বাচনটা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে হলেও কিছু কিছু জায়গায় বিএনপি-জামায়াত জোট মিলে ব্যালট বাক্স ছিনতাই করতে গেছে। কোথাও তারা নির্বাচনকে বানচাল করার চেষ্টা করেছে। তাদের এই অপকর্মের কারণে বেশ কিছু প্রাণহানি ঘটেছে, যার মধ্যে আমাদের দলীয় নেতা-কর্মীরা অনেক আছেন।
আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হয় বলেই মানুষ ভোট দিয়েছে বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ গত দশ বছরে জনগণের সেবক হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছে বলেই মানুষ ভোট দিয়ে আবারও বিজয়ী করেছে। জনগণ বুঝতে পেরেছে শুধু আওয়ামী লীগ সরকারে থাকলেই তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়, দেশের উন্নয়ন হয়; দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ এটা মনে করে বলেই সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে তারা নির্বিশেষে সমর্থন দিয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ যখন ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করে, আমি অন্তত এটুকু দাবি করতে পারি, তখনই কিন্তু এদেশের মানুষ প্রথম উপলব্ধি করে সরকার জনগণের সেবক হতে পারে।
১৯৯৬ থেকে ২০০১ বাংলাদেশের জনগণের জন্য একটা স্বর্ণযুগ ছিল মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ষড়যন্ত্র কখনো থেমে যায় না। ২০০১ সালে চক্রান্ত করে আমাদের ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হয়নি। আমরা ভোট বেশি পেলাম কিন্তু সরকার গঠন করতে পারলাম না। ২০০১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত বাংলাদেশের মানুষের জীবনে যে দুর্বিষহ অবস্থা ছিল, সেটা সবাই জানি। সেটা নিয়ে আর আমার বেশি বলার প্রয়োজন নেই।
এরপর ২০১৩ থেকে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঠেকানোর নামে বিএনপি-জামায়াত জোটের আন্দোলনের সমালোচনা করেন শেখ হাসিনা বলেন, এটা দেশের মানুষ কখনো মেনে নিতে পারেনি। আমাদের সৌভাগ্য যে, আমরা একটানা দশ বছর হাতে সময় পেয়েছিলাম, যার ফলে বাংলাদেশ সারাবিশ্বে একটা উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
বক্তব্যের শুরুতে প্রয়াত সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোক প্রকাশ করেন। বক্তব্য শেষে শোক প্রস্তাব পাঠ করেন দলের দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ। আওয়ামী লীগ সভাপতির আসনের দুই পাশে দলের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, এইচ টি ইমাম, সভাপতিমন্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, কাজী জাফরউল্লাহ, মতিয়া চৌধুরী, ড. আব্দুর রাজ্জাক, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের উপস্থিত ছিলেন।
রাস্তায় পতাকা উড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালো যুবলীগ
রাস্তার দু পাশে লাইনে দাড়িয়ে লাল-সবুজের পতাকায় আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানালো ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের হাজার হাজার নেতাকর্মীরা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্ঠা পরিষদের যৌথসভায় যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী আগমন উপলক্ষে তাকে স্বাগত জানাতে দুইটার আগ থেকেই দক্ষিণ যুবলীগের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে নেতাকমীরা মিছিল নিয়ে হাজির হন। গুলিস্তানের জিরো পয়েন্ট থেকে মৎস্য ভবনের রাস্তার দুপাশে সারিবদ্ধভাবে দাড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে লাল সবুজের জাতীয় পতাকা, যুবলীগর দলীয় পতাকা নেড়ে অভিনন্দন জানান সংগঠনের নেতারা। জিরো পয়েন্টে নিজে উপস্থিত থেকে এতে নেতৃত্ব দেন যুবলীগ দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট। এসময় নেতাকর্মীরা ‘বার বার দরকার শেখ হাসিনার সরকার, শেখ হাসিনার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই, রাষ্ট্র নায়ক শেখ হাসিনার দুই নয়ন-বাংলাদেশের উন্নয়ন, জনগণের ক্ষমতায়ন-শেখ হাসিনার উন্নয়নসহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। স্লোগান ও পতাকা নেড়ে অভিনন্দনের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও গাড়ীর ভেতর থেকে হাত নেড়ে অভিনন্দনের জবাব দেন। যুবলীগ দক্ষিণের নেতাকর্মী ছাড়াও ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের কিছু নেতাকে দেখা গেছে।



 

Show all comments
  • Md. Kamal Uddin ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৮ এএম says : 0
    Because of your politics now people change their mind about politics.
    Total Reply(0) Reply
  • Rafiqul Islam ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৮ এএম says : 0
    হে না আসলে তো বলতে পার না দেশে বিদেশে। ফেঁসে গেছ।
    Total Reply(0) Reply
  • বিপ্লব ( কুয়াকাটা ) ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৯ এএম says : 0
    ভুলিয়ে ভালিয়ে ইলেকশনে এসে তো এখন পস্তাইতেছে , এবার সংসদে এনে কি পুরা ন্যাড়া করে ছেড়ে দিবেন ? ? বিএনপি মাত্র ৭ সিট্ , তা নিয়ে কেন মাথা ব্যাথা। এরশাদ আছে না ! ২২ সিট্ ,
    Total Reply(0) Reply
  • নন্দীর হাট চট্রগ্রাম বিএনপি ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৯ এএম says : 0
    এটা আপনার প্রথম হাতিয়ার।
    Total Reply(0) Reply
  • Saifur Sahin ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৯ এএম says : 0
    বিএনপি'কে এখন রাজনীতি শিখে অনুধাবন করতে হবে পলিটিক্স কি জিনিস ?
    Total Reply(0) Reply
  • abir ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৯ এএম says : 0
    উতলা হবেন না, বিএনপি যাবে তারা পানি ঘোলা করে খাবে !
    Total Reply(0) Reply
  • Ahmed Siraj ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫০ এএম says : 0
    আপনার দল একটি ভোট ডাকাত দল আপনার লজ্জা সরম বলতে কিছুই নেই। আপনার বিচার আললাহ করবে। চোরের সাথে বিএনপি সংসদে যাবেনা কারন আপনারা চোরেরা জনগণের অধিকার কেডে নিয়াছেন।
    Total Reply(0) Reply
  • al.amin shah ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫১ এএম says : 0
    একটি রাজনৈতিক দলের যদি নেতৃত্ব না থাকে, মাথাই না থাকে, তাহলে সেই রাজনৈতিক দল কীভাবে নির্বাচনে জয়ের কথা চিন্তা করতে পারে?’
    Total Reply(0) Reply
  • নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫১ এএম says : 0
    আমার সাথে প্রতারণা ও আমাকে অসম্মান করা হয়েছে!!
    Total Reply(0) Reply
  • Zulfiqar Ahmed ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫২ এএম says : 0
    শেখ হাসিনা থাকলে আসলেই দেশের উন্নতি হয়, এটা অনস্বীকার্য। আমার মনে আছে ৯৬ সালের আগে মানুষ পার্বত্য চট্টগ্রামে বেড়াতে যেতে পারত না শান্তি বাহিনী আতঙ্কে! বিকেল ৪ টার পর পার্বত্য অঞ্চলে কোন বাঙ্গালীর থাকা মানে নিশ্চিত বিপদ পকেটে নিয়ে ঘোরা! শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসেই পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি চুক্তি করলেন, নগদ অর্থ এবং কর্মসংস্থানের বিনিময়ে অস্ত্র জমা দিয়ে তারা সন্ত্রাসের পথ পরিহার করে! আজ লাখ লাখ দেশি বিদেশি পর্যটক ৩ পার্বত্য অঞ্চলে বেড়াতে আসে, আমাদের অর্থনীতিতে গুরুত্বপুর্ণ অবদান রাখছে পার্ব্যত্যঞ্চল, যা আগে অকল্পনীয় ছিল! আরেকটা বড় ব্যাপার কম্পিউটারের ওপর ট্যাক্স রিডাকশন এবং টেলিযোগাযোগ খাতে প্রতিযোগিতামুলক বাজার তৈরির জন্য কয়েকটি মোবাইল অপারেটর কে লাইসেন্স দেয়া, এর আগে মোর্শেদ খান এই খাতে মনোপলি ব্যাবসা করতেন, একটা সেটের দাম ছিল লাখ টাকার ওপর! গ্রামীন সহ অন্যান্য অপারেটর রা লাইসেন্স পাওয়ার পর তা মানুষের হাতের নাগালে চলে আসে! এটা ছিল ব্যাবসায়িদের জন্য এক যুগান্তকারী সুবিধা ছিল এটা! আমার মামা মাছের ব্যাবসা করতেন! দেখা যেত তিনি গ্রামের ১০/১২ টা পুকুর থেকে মাছ কিনে তা ফেনী পাঠাতেন, সেখানে দাম কম থাকলে সীতাকুন্ডে, যদি দেখতেন সেখানে ও কম তখন পাঠাতে চিটাগাং! এরপর সেখানে দাম থাকলে ও বক্রি করতে বাধ্য হতেন! শেখ হাসিনার এ ছোট্ট পদক্ষেপের কারণে ব্যাসায়িদের বিশাল সুবিধা হয়েছিল
    Total Reply(0) Reply
  • আমিন মুন্সি ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫২ এএম says : 0
    Why need BNP ? JP is there
    Total Reply(0) Reply
  • G.M. Sydur Rahman Rahab ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫২ এএম says : 0
    যে নির্বাচনে জনগন ভোট দিতে পারেনি সে সংসদে কারো যাওয়া উচিত নয়।
    Total Reply(0) Reply
  • মহম্মদ সালাউদ্দিন ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫২ এএম says : 0
    অনুরোধের দরকার নাই, শুধু আইন করে দেন যে কেউ একবার নির্বাচিত হওয়ার পরে শপথ গ্রহণ না করলে বাকি জীবনের জন্য নির্বাচনে নিষিদ্ধ হবে।
    Total Reply(0) Reply
  • নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৩ এএম says : 0
    বিএনপি যদি চুড়ান্ত রাজনীতিহীন হয় তাহলে এই আহ্বানে সাড়া দেবে।
    Total Reply(0) Reply
  • Md Shakil ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৪ এএম says : 0
    আওয়ামী লীগের বাংলাদেশের গণতন্ত্র চাপের মুখে বিশ্বের গণতন্ত্রের তালিকায় নেই বাংলাদেশ।
    Total Reply(0) Reply
  • Anwar Hossan ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৫ এএম says : 0
    বিশ্বাস করেন অনেক কষ্ট করে পুরো সংবাদটা পড়েছি। চক্ষু লজ্জার জন্য বারবার পড়া বন্ধ করতে হয়েছে। নির্বাচন নিয়ে এই নির্লজ্জ মিথ্যা কথাগুলো বলতে উনার কি একটি বারও লজ্জা লাগে নি। এদেশের ১৬কোটি মানুষ কি দেখেনি কিভাবে নির্বাচন হয়েছে। তারপরও এই নির্জলা অসত্য কথাগুলো রাষ্ট্রের প্রধান কি করে বলতে পারেন।
    Total Reply(0) Reply
  • Khaled Sayfullah ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৫ এএম says : 0
    স্যার দেশে নির্লজ্জতা বিরাজ করছে। আ,লীগের এই বিজয় আনন্দ, ধর্ষিত মৃত মেয়ের ঠোঁটে লিপষ্টিক দিয়ে বিয়ের আনন্দ করার মত।
    Total Reply(0) Reply
  • বাক রুদ্ধ আমি ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৬ এএম says : 0
    অবৈধ সংসদে যাওয়ার কোন কারণ নেই। যাওয়া মানে ভোট ডাকাতি মেনে নেয়া।
    Total Reply(0) Reply
  • রক্তিম মাহবুব ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৬ এএম says : 0
    ১০০ জন যেখা‌নে কথা বলার প‌রি‌বেশ পায় না, সেখা‌নে ৭ জন তো রী‌তিমত বলাৎকা‌রের শিকার হই‌বে। দয়া ক‌রে যে‌তে বল‌বেন না প্লিজ। বরং তার‌া নিয়মতা‌ন্ত্রিক আন্দোলন করুক। ভোট ডাকা‌তির বিরু‌দ্ধে জনমত গ‌ড়ে তু‌লে তা কা‌জে লাগাক।
    Total Reply(0) Reply
  • Md Sohel Rana ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৬ এএম says : 0
    সংসদে গিয়ে বললে নয়াপল্টনে বলার চেয়ে গুরুত্ব পাবে কোন কারনে?
    Total Reply(0) Reply
  • Saleem Farhad ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৬ এএম says : 0
    বিএনপি যদি এই সংসদে যোগ দেন তাহলে মনে করবো বিএনপি ও জাতির সাথে বেইমানি করলো আর বিএনপিকে জাতি ক্ষমা করবে না এটাই ফাইনাল দেখি বিএনপি কি করে
    Total Reply(0) Reply
  • Md Rafiquddin ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৭ এএম says : 0
    রাতে জাল ভোটে বাক্স ভরে ভূয়া সংসদে যোগ দিয়ে দেশের ১৭ কোটি জনগনকে প্রতারিত না করে ঐক্যফ্রন্ট এবং বিএনপি জামায়াত জোট সঠিকপথে আছে মনে করি।
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammed Sohel ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৭ এএম says : 0
    ঐক্য ফ্রন্টের প্রয়োজন পরার মত কোন কারণ দেখছিনা" তোমরা নাকি একক ম্যাজরুটি নিয়ে ক্ষমতায় আসছ" আর গৃহ পালিত বিরোধীদল তো আছেই. নতুন করে ঐক্য ফ্রন্টের প্রয়োজন কেন,,
    Total Reply(0) Reply
  • Selim Sohel ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৮ এএম says : 0
    এটা কি কোন ভোট হয়েছে? অন্যায়কে দিন দিন মেনে নিচ্ছেন ভাই আপনি। জানিনা ভয়ে নাকি কোন সুবিধাপ্রাপ্তির আশায়।
    Total Reply(0) Reply
  • Jashim Uddin ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৮ এএম says : 0
    ওনি আহবান করছে ভালো কথা। কিন্তু সংসদে গেলে বসতে জায়গা দিবে তো,কথা বলা না হয় বাদ ই দিলাম। এটা নির্বাচনের আগে যে রকম বলেছিলো আমার উপর বিশ্বাস রাখুন। একটা গ্রহন যোগ্য নির্বাচন উপহার দিবো।
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammad Monir ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৯ এএম says : 0
    ওনি প্রধান মন্ত্রী হিসাবে অনেক কিছু বলবেন, মনে হয় ওনার কাছে লজ্জা লাগে এখন কেন না এরশাদ সাহেব কে নৌকায় মাঝির আসনে রাখছেন। আর যদি কেউ ভাবেন বিএনপি সংসদে যাওয়া দরকার, তাহলে জাতীর সাথে তামাশা করা হবে।
    Total Reply(0) Reply
  • MD Ziaul Hoque ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৯ এএম says : 0
    তারা ভাল একটা নির্বাচনের কথা বলে ছিল করছে তারা ভাল নির্বাচন ? এরকম উনি বিএনপি নির্বাচনে আসার কথাও বলেছিলেন তার পর কি করলো। ওনার কথা কি বলবো।
    Total Reply(0) Reply
  • Hanif Baec ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৯ এএম says : 0
    অতীত অভিজ্ঞতা বলে, আওয়ামীলীগকে বিশ্বাস করা আর কাল সাপ পকেটে রাখা একই কথা ! গত 5ই জানুয়ারির নির্বাচনের পর, এই প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, সকলের সাথে আলাপ করে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দিবেন কিন্তু আমরা কি নির্বাচন পেলাম । 30 তারিখের তামাশার নির্বাচন অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙেছে !! এরপরও প্রধানমন্ত্রীর কথা বিশ্বাস করতে হবে ???
    Total Reply(0) Reply
  • Nannu chowhan ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ৯:১৯ এএম says : 0
    Democracy in the speeches but activities is as like a dictator...
    Total Reply(0) Reply
  • Md. Mofazzal Hossain ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ৯:৩৮ এএম says : 0
    There is a proverb " Oil your own machine". Now AL is oiling only the machine of BNP. Everything is directed/guided by Hasina, whatever BNP will do, what may be done, or what they will not be done. Always Hasina and her leaders are giving suggestion BNP without any fee. Actually their maximum routine work is to discuss regarding the activities of BNP. What a dirty friend is!
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ