Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১১ ফাল্গুন ১৪২৫, ১৭ জামাদিউস সানি ১৪৪০ হিজরী।

তুরস্ককে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৪ জানুয়ারি, ২০১৯, ৫:৪৪ পিএম

সিরিয়া থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের পর কুর্দি বাহিনীগুলোর উপর আক্রমণ করলে ‘তুরস্ককে অর্থনৈতিকভাবে ধ্বংস’ করে দেওয়া হবে বলে হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার দুটি টুইটে এ হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি ট্রাম্প একথাও বলেছেন যে তিনি চান না কুর্দিরা তুরস্ককে উত্যাক্ত করুক। খবর বিবিসি।
সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে মার্কিন বাহিনী ও কুর্দি মিলিশিয়ারা একসঙ্গে লড়াই করেছে। কিন্তু তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (এসডিএফ) জোটের বৃহত্তম শরিক কুর্দিদের পিপলস প্রটেকশন ইউনিটকে (ওয়াইপিজি) সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে বিবেচনা করে। এই গোষ্ঠীটির প্রতি মার্কিন সমর্থন নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান গোষ্ঠীটিকে নির্মূল করার শপথ করেছেন।
সিরিয়া থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহার শুরু হওয়ার পর কুর্দিদের ওপর তুরস্কের হামলার সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ট্রাম্প দেশটিকে হুঁশিয়ার করলেন। কিন্তু তুরস্ক ওয়াইপিজিকে আক্রমণ করলে দেশটির অর্থনীতি কীভাবে বিপর্যয়ের শিকার হতে পারে টুইটে তা পরিষ্কার করেননি ট্রাম্প। তিনি শুধু ‘২০ মাইলব্যাপী একটি নিরাপদ জোন’ গড়ে তোলা হবে জানিয়েছেন।
সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপে রাশিয়া, ইরান ও সিরিয়া সবচেয়ে বেশি সুবিধাভোগ করেছে মন্তব্য করে গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর ট্রাম্প সিরিয়া থেকে আমেরিকান সব সৈন্য প্রত্যাহার করে নেয়ার আকস্মিক ঘোষণা দেন। ট্রাম্পের ঘোষণার পর ‘কিছু সামরিক সরঞ্জাম’ সরিয়ে নেয়া শুরু করেছে আমেরিকা বলে গত বৃহস্পতিবার পেন্টাগনের এক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা জানান। ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘সিরিয়া থেকে কিছু সামরিক সরঞ্জাম সরিয়ে নেয়ার খবর আমি নিশ্চিত করছি। তবে নিরাপত্তার কারণে এখন আমি এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানাতে পারছিনা।’
ট্রাম্পের নির্দেশে মধ্যপ্রাচ্যে আইএসের বিরুদ্ধে লড়াইরত মার্কিন জোট মিত্ররা ক্ষুব্ধ হয়। দেশের ভিতরেও তার এ সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা হয়। রোববার টুইটে করা তার মন্তব্যের পরও ফের সমালোচনা হয়। সউদী রাজপরিবারের জ্যেষ্ঠ সদস্য প্রিন্স তুর্কি আল ফয়সাল বিবিসিকে বলেছেন, ট্রাম্পের এ সিদ্ধান্তে ‘নেতিবাচক ফলাফল’ হতে পারে যার সুবিধা তুলবে ইরান, রাশিয়া ও সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ।
অপরদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজের সৈন্য প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে বলেছেন, অবশিষ্ট আইএস যোদ্ধাদের ওপর ‘নিকটবর্তী ঘাঁটি’ থেকে আক্রমণ চালানো যাবে। এ বিষয়ে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন মিত্রদের আশ্বস্ত করতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও মধ্যপ্রাচ্য সফরে গিয়ে বর্তমানে সউদী রাজধানী রিয়াদে আছেন। সূত্র: আল-জাজিরা, এএফপি।

 

 



 

Show all comments
  • jack ali ১৪ জানুয়ারি, ২০১৯, ১০:০০ পিএম says : 0
    May Allah [SAW] destroy enemy of Islam--America----InshaAllah-----
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন