Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২০, ২৩ চৈত্র ১৪২৬, ১১ শাবান ১৪৪১ হিজরী
শিরোনাম

সিলেটে একদিনে চারজনের মরদেহ উদ্ধার

সিলেট ব্যুরো | প্রকাশের সময় : ১৫ জানুয়ারি, ২০১৯, ৪:১৪ পিএম

সিলেটে একদিনে দুই নারী ও শাবিপ্রবির এক শিক্ষার্থীসহ চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার (১৪ জানুয়ারি) পৃথক স্থান থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তাদের মধ্যে সিলেট শহরের কাজলশাহ এলাকার একটি বাসা থেকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় শাবিপ্রবির ছাত্র সাইফুর রহমান প্রতীকের (২৫) মরদেহ পাওয়া যায়। নিহত প্রতীক শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োটেকনোলজি বিভাগের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
সিলেটের কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূঁইয়া মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহের সুরতহাল বলছে, প্রতীক আত্মহত্যা করতে পারেন।
একই দিন দুপুর সাড়ে ১২টায় সদর উপজেলার খাদিমনগরের একটি ছড়া থেকে এসএমপির এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ উদ্ধার করে অজ্ঞাতপরিচয় (৬০) এক বৃদ্ধার মরদেহ। ছড়ার পানিতে পড়ে থাকা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানান এসএমপির বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাদাত হোসেন। মরদেহে আঘাতের কোনো চিহ্ন ছিল না বলে জানান ওসি।
এছাড়া সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলা থেকে ফরহাদ আহমদ (২৫) নামে এক দিনমজুরের ঝুলন্ত মরদেহ ও উপজেলার মেহেরপুর গ্রাম থেকে খালেদা বেগম (২৪) নামে এক গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পেশায় রাজমিস্ত্রির সহকারী (যোগালি) ফরহাদ উপজেলার ফুলবাড়ী ইউপির ফুলবাড়ী উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত তালন আলীর ছেলে। নিহতের স্বজনদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গত রোববার (১৩ জানুয়ারি) রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন ফরহাদ। সোমবার বাড়ির পাশের একটি গাছে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ সদস্যদের নিয়ে মরদেহ উদ্ধারে যান গোলাপগঞ্জ মডেল থানার এসআই মনজুরুল ইসলাম। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
একইদিনে এক সন্তানের জননী খালেদা নামে এক গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে গোলাপগঞ্জ থানা পুলিশ। খালেদা মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলের রুপশপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী।
পুলিশ জানায়, লামামেহেরপুর গ্রামের নিজ বসতঘর থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় খালেদাকে উদ্ধার করে গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান স্বজনরা। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের স্বজনদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, মানসিক বিকারগ্রস্ততা থেকে খালেদা নিজেই গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আত্মহত্যা করতে পারেন।
গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম ফজলুল হক শিবলী জানান, দিনমজুর ও গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ওই হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন