Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার ২০ মে ২০১৯, ০৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১৪ রমজান ১৪৪০ হিজরী।

প্রধানমন্ত্রী আজ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করবেন

পঞ্চায়েত হাবিব | প্রকাশের সময় : ১৭ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:০২ এএম

প্রশাসনে কাজের গতিবৃদ্ধি ও দিক নির্দেশনা দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই প্রথম জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে যাচ্ছেন আজ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমন উপলক্ষ্যে গতকাল বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় নানান রঙ্গের তোরণ ব্যানার এবং দশ বছরের উন্নয়ন চিত্র দিয়ে সাজানো হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সমম্মেলন কক্ষে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধিনস্থ ৭টি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম এবং কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময়ে নতুন করে দিক নির্দেশনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফয়েজ আহম্মদের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত থাকা এক কর্মকর্তা ইনকিলাবকে বলেন, প্রশাসনকে জনবান্ধব, দক্ষ, দুর্নীতি মুক্ত এবং সরকারের ১০ বছরের অগ্রগতি প্রতিবেদন নিয়ে আলোচনা হবে। এছাড়া সরকারের উন্নয়ন ধারাবাহিকতা ধরে রাখাতে রাজনৈতিক ও সরকারি সিদ্ধান্ত গুলো দ্রুত বাস্তবায়নের বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। তা কার্যপত্রে রাখা হয়েছে। এবারে প্রশাসনে গতিশীলতার পাশাপাশি দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে সরকার।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন ইনকিলাবকে বলেন, সরকারের উন্নয়ন ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে রাজনৈতিক ও সরকারি যেসব সিদ্ধান্ত হয় সেগুলো বাস্তবায়নে আন্তরিকতা দেখাতে হবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে কাঙিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছতে কাজ করতে হবে। কি করলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় আরো ভাল করা যাবে সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিক নির্দেশনা দিবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবার উদ্দেশ্যে বলেছেন, দুটি বিষয়ে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবো। একটি হচ্ছে মাদক, অপরটি হচ্ছে দুর্নীতি। এ বিষয়ে কর্মকর্তাদের কাছে সর্বাত্মক সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে উন্নয়নের রোডম্যাপ তৈরি করেন। এরপর ২০০৮ সাল থেকে একই ধারবাহিকতায় দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। ধারাবাহিকতা শাণিত করতে আগামী ৫টি বছর কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, জাতিকে বড় কিছু দিতে হবে। সময় আগামী ৫ বছর। একটি একটি করে সিঁড়ি পার হয়ে প্রধানমন্ত্রী দেশকে এই অবস্থায় এনেছেন। আমরা পদ্মা সেতু করছি, দেশের ক্রিকেটকে ভাল জায়গায় নেওয়া সম্ভব হয়েছে এবং সাবমেরিনসহ অনেক অর্জনের পেছনে রয়েছে শেখ হাসিনার অবদান।
গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ের পর টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করেন শেখ হাসিনা। এই সরকারে ২৪ জন মন্ত্রী, ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী এবং তিনজন উপ-মন্ত্রী রয়েছেন। ২০১৪ সালের ১৩ মার্চ স্বরাস্ট্র মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই সময় ৯ দফা নির্দেশনা দেন তিনি



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: প্রধানমন্ত্রী


আরও
আরও পড়ুন