Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০১৯, ১৩ আষাঢ় ১৪২৬, ২৩ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরী।

দখল-দূষণে ঢাকার নদী

সরকারের উদ্যোগ ব্যর্থ প্রভাবশালীদের লম্বা হাতে

বিশেষ সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১৮ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:০৪ এএম

রাজধানী ঢাকার চারপাশ দিয়ে বয়ে চলেছে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদী। রাজধানীকে ঘিরে রাখা এসব নদী এক সময়ের প্রধান নগরপথ হলেও এখন দখল ও দূষণে জর্জরিত। এক যুগের কিছু বেশি সময়ে এ চার নদী তীরের অন্তত ৪৪ দশমিক ৩৭ কিলোমিটার এলাকার জায়গা দখল হয়েছে। কোথাও বালি ফেলে ভরাট করেছে প্রভাবশালী দখলদাররা। কোথাও আবার কলকারখানার রাসায়নিক বর্জ্যে নষ্ট করছে নদীর পানিসহ আশেপাশের পরিবেশ। নদীগুলো দখলমুক্ত করতে সরকারের নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগ ভেস্তে যাচ্ছে প্রভাবশালীদের লম্বা হাতে। দখলমুক্ত করার পর তারা আবার নদীর জায়গা দখল নিচ্ছে।
এদিকে, নদী দখলমুক্ত করতে সেনাবাহিনী নিয়োগের দাবি জানিয়েছে নোঙর নামের একটি সংগঠন। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এ দাকি জানান। মানববন্ধনে নোঙরের সভাপতি সুমন শামস বলেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার চারপাশে বৃত্তাকারে ঘিরে আছে চারটি নদী বুড়ীগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, বালু ও তুরাগ। ক্রমেই সরু হয়ে যাচ্ছে ঢাকার চার পাশের সব নদী।
চারটি নদীর মধ্যে তুরাগের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। বিভিন্ন ধরনের শিল্পকারখানা গড়ে তুলে এটি এমনভাবে দখল করা হয়েছে যে এটি সরু খালে পরিণত হয়েছে। ফলে স্যাটেলাইট ইমেজে তুরাগকে খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। এ অবস্থা চালু থাকলে এক সময় হারিয়ে যাবে তুরাগ। নোঙরের অনুসন্ধান প্রতিবেদন বলছে, নদীগুলো দখল করে বিভিন্ন ধরনের অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। কামরাঙ্গীরচর ও বসিলায় নদী দখল করে বিভিন্ন ধরনের অবকাঠামো সবচেয়ে বেশি। এলাকা দুটিতে এর হার যতাক্রমে ৫০ ও ৫৬ শতাংশ। এছাড়া আব্দুল্লাপুর, গাবতলী, ডেমরা, কাঁচপুর ও নারায়ণগঞ্জ এলাকায় নদী দখল করে ৩৮-৪৮ শতাংশ স্থানে বিভিন্ন অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। গাছপালা ও কৃষি জমি হিসেবে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে নন্দীপাড়ার ৭৩ শতাংশ জমি। আর পরিত্যক্ত জমি হিসাবে বেশি অংশ রয়েছে বসিলায় প্রায় ৩০ শতাংশ।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের এক গবেষণা পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বুড়িগঙ্গা নদীর বসিলা থেকে ধলেশ্বরী নদী পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার নদীপথের দুই পাড়ই দখল করে ফেলেছে প্রভাবশালীরা। কামরাঙ্গীরচর থেকে বসিলা পর্যন্ত ৭ দশমিক ৪১ মাইল এলাকায় নদীটি দখল হয়েছে ৯৭ দশমিক ১৭ একর। তুরাগ নদের আবদুল্লাহপুর থেকে গাবতলী পর্যন্ত ৫ দশমিক ৭৬ মাইল এলাকাজুড়ে দখল হয়েছে ১২০ দশমিক ৭৯ একর। বালু নদীর ডেমরা থেকে নন্দীপাড়া পর্যন্ত ৪ দশমিক ২ মাইলজুড়ে দখল হয়েছে। তুরাগের মোট এলাকার মধ্যে দখল হয়েছে ৮ দশমিক ৮৪ একর জায়গা। এছাড়া, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন-বাপা’র তথ্যমতে, শীতলক্ষ্যা নদীর পাড় দখল হয়েছে মারাত্মকভাবে। নারায়ণগঞ্জ ও রাজধানীর সঙ্গে লাগোয়া পুরো এলাকা জুড়েই শীতলক্ষ্যার পাড়ের প্রায় ১৫ কিলোমিটারের বেশি এলাকা দখল হয়ে গেছে বিভিন্ন গ্রুপের কল-কারখানা ও ইটভাটার মতো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। এর মধ্যে নদী দখল করে সবচেয়ে বেশি অবকাঠামো গড়া হয়েছে কামরাঙ্গীরচর ও বসিলায়। এই অংশে ৫০ থেকে ৫৬ শতাংশ এলাকা দখল করা হয়েছে। এছাড়া আবদুল্লাহপুর, গাবতলী, ডেমরা, কাঁচপুর ও নারায়ণগঞ্জ এলাকায় ৩৮-৪৮ শতাংশ স্থানে বিভিন্ন অবকাঠামো গড়ে দখল করা হয়েছে। যদিও বিআইডব্লিউটিএ-এর দাবি এই হিসাব পুরনো। এর মধ্যে দখলকৃত নদীর অনেক এলাকাই দখলমুক্ত করা হয়েছে।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সূত্রে জানা গেছে, নদীর সীমানা নির্ধারণের জন্য প্রায় দুই হাজার পিলার বসানো হয়েছে তুরাগ নদীতে। এর মধ্যে আদালতের রায় মেনে বসানো হয়েছে মাত্র ২৯টি। ৯৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ পিলার বসানো হয়েছে নদীর ঢালে। সঠিকভাবে রায় না মানার ফলে আমিনবাজার সেতু থেকে উত্তরা টঙ্গী সেতু পর্যন্ত ২০ কি.মি. দীর্ঘ নদীর দুই পাড়ের মোট ৫ কোটি ২৩ লাখ বর্গফুট অতি মূল্যবান জমি নদীর হাতছাড়া হয়ে গেছে। এতে করে পুরাতন ও নতুন দখলদাররা আবার নদী দখলে মেতে উঠেছে। এছাড়া, বালু নদীর ৩৬ কিলোমিটারের মধ্যে ২২ কিলোমিটার এলাকাই দখলদারদের আওতায় চলে গেছে। শুকনো মৌসুমে নদীর পানিও আলকাতরার মতো কালো হয়ে যায়। বুড়িগঙ্গা বাঁচাও আন্দোলনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিগত পাঁচ বছরে বুড়িগঙ্গার দ্বিতীয় চ্যানেল সম্পূর্ণভাবে দখলদারিত্বের মধ্যে চলে গেছে। বিআইডব্লিউটিএ’র সীমানা পিলার উপেক্ষা করে এবং বুড়িগঙ্গার বুক চিরে দখলের রাজত্ব কায়েম করেছে একটি মহল।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের এক গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থা (জিআইএস), স্যাটেলাইট ইমেজ ও বাস্তব পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে নিরূপণ করা হয় নদ-নদীগুলো দখলের চিত্র। তাতে দেখা যায়, এক যুগের কিছু বেশি সময়ে ঢাকার চারপাশে দখল হয়েছে নদ-নদীগুলোর ২৫০ একরের বেশি জায়গা। পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে ঢাকার চারপাশে নদীর পাড় ধরে ১৮ মাইল এলাকা। ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিংয়ের (আইডব্লিউএম) সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ১৯৭৮ সালে ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় জলাভূমির পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৯৫২ ও নিম্নভূমি ১৩ হাজার ৫২৮ হেক্টর। একই সময়ে খাল ছিল ২ হাজার ৯০০ হেক্টর। ২০১৪ সালে ঢাকা ও আশপাশে জলাভূমি কমে দাঁড়ায় ১ হাজার ৯৩৫, নিম্নভূমি ৬ হাজার ১৯৮ ও নদী ১ হাজার ২ হেক্টর।
২০০১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যা দখলের চিত্র তুলে ধরতে নদ-নদীগুলোর পাড়ে জনবহুল আটটি এলাকার তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে এক গবেষণা প্রতিবেদনে। এতে দেখা গেছে, ঢাকার চারপাশে সবচেয়ে বেশি দখল হয়েছে তুরাগ খাল। আবদুল্লাহপুর থেকে গাবতলী পর্যন্ত ৫ দশমিক ৭৬ মাইল এলাকাজুড়ে এক যুগে খালটির দখল হয়েছে ১২০ দশমিক ৭৯ একর। এর পর সবচেয়ে বেশি দখল হয়েছে বুড়িগঙ্গা। কামরাঙ্গীরচর থেকে বসিলা পর্যন্ত ৭ দশমিক ৪১ মাইল এলাকায় এক যুগে নদীটি দখল হয়েছে ৯৭ দশমিক ১৭ একর। কাঁচপুর থেকে নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত ৩ দশমিক ৫৭ মাইলজুড়ে শীতলক্ষ্যা ও ডেমরা থেকে নন্দীপাড়া পর্যন্ত ৪ দশমিক ২ মাইলজুড়ে বালু নদ দখল হয়েছে। নদ-নদী দুটি যথাক্রমে ২৩ দশমিক ৮৩ ও ৮ দশমিক ৮৪ একর দখল করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ২৬০ দশমিক ৬৩ একর খাল ও নদী দখল করা হয়েছে।
দূষণমুক্ত করার কাজে অগ্রগতি নেই
দখলের পাশাপাশি ঢাকার চারপাশের বুড়িগঙ্গা, বালু, শীতলক্ষ্যা ও তুরাগ এই চারটি নদী দূষণ কমছে না। নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনায় চারটি নদী বছরের পর বছর বিষাক্ত হয়ে উঠছে। নদীগুলো দূষণমুক্ত করতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে তিন স্তরের পরিকল্পনা ও কিছু সুপারিশসহ কর্মপরিকল্পনা প্রায় তিন বছর আগে জমা দিয়েছিল নৌবাহিনী। এতে তিন স্তরের মেয়াদভিত্তিক কর্মপরিকল্পনার রূপরেখা প্রণয়ন করা হয়। রূপরেখা অনুযায়ী, এক বছরের জন্য স্বল্পমেয়াদি, এক থেকে তিন বছরের জন্য মধ্যমেয়াদি ও এক থেকে পাঁচ বছরের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।
২০১৬ সালের ২৪ জুলাই বাংলাদেশ নৌবাহিনী এ সংক্রান্ত একটি কৌশলগপত্র উপস্থাপন করে। কিন্তু এরপর এ প্রকল্পের কাজ সেভাবে এগোয়নি। শুরুতে এ কাজের প্রধান সমন্বয়ের দায়িত্ব নৌবাহিনীকে দেওয়া হলেও পরবর্তীতে তা দেওয়া হয় স্থানীয় সরকারমন্ত্রীকে।
জানা গেছে, এর পরই একই বছরের ৫ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে জারি করা এক আদেশে বুড়িগঙ্গাসহ ঢাকাকে ঘিরে রাখা বালু, শীতলক্ষ্যা, তুরাগ ও চট্টগ্রামের কর্নফুলী নদীকে মানুষের ব্যবহারের উপযোগী করতে একটি মহাপরিকল্পনা তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয় স্থানীয় সরকারমন্ত্রীকে। তাকে চেয়ারম্যান করে গঠিত হয় ২১ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি। কমিটিতে নৌপরিবহন ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দুই মন্ত্রীকে কো-চেয়ারম্যান করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালককে কমিটিতে সাচিবিক দায়িত্ব পালনের আদেশ দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে মহাপরিকল্পনা তৈরি সংক্রান্ত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয় ২০১৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি। ওই সভায় কমিটির কার্যপরিধি পর্যালোচনা, তথ্যচিত্র পর্যালোচনা, সমস্যা, সরকারের পরিকল্পনা ও সমাধানের সুপারিশ নিয়েও আলোচনা হয়। সভায় কয়েকটি সুপারিশও তুলে ধরা হয়েছিল। সেসব সুপারিশে সারা বছর নদীগুলোতে ড্রেজিং ব্যবস্থা চালু ও ঢাকা ওয়াসার আউটলেটগুলোর সঙ্গে শতাধিক ডাইয়িং কারখানার চোরালাইন শনাক্ত এবং সেগুলো বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, নিয়মিত পানির মান যাচাই, নদীর সীমানা নির্ধারণে জিআইএস প্রযুক্তি ব্যবহার এবং নদীর অবৈধ দখলমুক্ত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার কথা বলা হয়েছে।
নদী দূষণ সম্পর্কে সরকারি এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকার চারপাশের নদীগুলোতে প্রতিদিনই ফেলা হচ্ছে নানা ধরনের বর্জ্য। এর ৬০ শতাংশই বিভিন্ন ধরনের শিল্পবর্জ্য। বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদী দূষণের জন্য দায়ী মূলত শিল্পবর্জ্য। নদী চারটিতে পড়া বর্জ্যরে ৪০ শতাংশ ট্যানারি শিল্পের, ২০ শতাংশ অন্য শিল্পের। মোট ৬০ শতাংশ বর্জ্যই শিল্প খাতের। এর বাইরে ১৫ শতাংশ কঠিন বর্জ্য, ১৫ শতাংশ অন্য ও ১০ শতাংশ নৌযান বর্জ্য। অন্য বর্জ্যরে মধ্যে রয়েছে হাসপাতাল, ইটভাটা, পলিথিন ও ডকইয়ার্ড ইত্যাদি। এরই মধ্যে ঢাকার ট্যানারি শিল্প সাভারে স্থানান্তর করা হয়েছে। এতে করে ট্যানারির বর্জ্য কমলেও অন্যান্য বর্জ্য বুড়ীগঙ্গায় এখনও পড়ছে।
সরকারি প্রতিবেদনে দেখা যায়, বুড়িগঙ্গা নদীর খোলামুড়া থেকে মীরকাদিম পর্যন্ত নাব্য মাত্র ১২ ফুট। শীতলক্ষ্যার ডেমরা থেকে গোপচর পর্যন্ত ১২ ফুট আর ডেমরা থেকে কাঁচপুর পর্যন্ত ৫ থেকে ৬ ফুট। বালু নদীর উত্তরখান থেকে ডেমরা ও টঙ্গী খালের উত্তরখান থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত নাব্য ৫ থেকে ৬ ফুট। আর তুরাগের আশুলিয়া থেকে আমিনবাজার পর্যন্ত ৫ থেকে ৬ ফুট আর আমিনবাজার থেকে খোলামুড়া পর্যন্ত নাব্য ১২ ফুট।



 

Show all comments
  • Zulfiqar Ahmed ১৮ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪১ এএম says : 0
    Tomar Amar Thikana Padma Meghna Jamuna -this was a slogan of our struggle of independence. Now the very thikana is going to be lost allegedly by powerful quarters.
    Total Reply(0) Reply
  • MD Rashedul Islam ১৮ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৪ এএম says : 0
    সবাই যে এক যোগে খেয়ে ফেলছে, নদী আর্তনাদ কে শোনে বলেন, এখন এসব নদী না যেন ড্রেন....
    Total Reply(0) Reply
  • MdAbdul Mea ১৮ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৭ এএম says : 0
    Its good land dacat can enjoy the new land Hide this
    Total Reply(0) Reply
  • Salah Uddin Sumon ১৮ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৭ এএম says : 0
    There is nobody to look after that.What does water minister do??
    Total Reply(0) Reply
  • Forhad Sarkar ১৮ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৮ এএম says : 0
    yes,government should take proper step immediate to save this rivers
    Total Reply(0) Reply
  • Mamun Sabina ১৮ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৮ এএম says : 0
    এ দেশে নদী অনেক আগেই বেলা ভূমিতে পরিনত হয়েছে দেশের ১৬/১৭ কোটি মানুষ কি হালে আছে সেই খুঁজখবর আগে নেওয়া উচিৎ ৷
    Total Reply(0) Reply
  • Zunaied Hasan ১৮ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৮ এএম says : 0
    সবার উদ্দশ্যে বলছি পরিবেশ রক্ষায় নদীর ভুমি কা অনেক।নদীকে বাচালে আমরা সার্বিক ভাবে অনেক উপকার পাব।।।সরকারি বেসরকারি সব সংস্থা কে এগিয়ে আসতে হবে।।।জনগনকে সচেতন করে তুলতে হবে।।।।আসুন আমরা সবাই দেশকে নিয়ে ভাবি।।।
    Total Reply(0) Reply
  • Khairul Alam Ashrafi ১৮ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৫ এএম says : 0
    বুজিনা সরকার নদী না বাচাইলে নৌকা চলবে কেমনে!!
    Total Reply(0) Reply
  • ইবন মানিক ১৮ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৫ এএম says : 0
    বাংলাদেশ তো উন্নয়নের জোয়ারে ভাসতাছে,,,
    Total Reply(0) Reply
  • Rumi Rumi ১৮ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৪ এএম says : 0
    অবাক হওয়ার কিছু নেই ।একসময় বাংলাদেশও মানচিত্র থেকে মুছে যাবে ।এরজন্য দেশের জনগণকে মানসিকভাবে প্রস্তুুত থাকতে হবে ।
    Total Reply(0) Reply
  • Orkid ১৮ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৫ এএম says : 0
    ভারত দেশটা কে রসাতলে নিয়ে যাচ্ছে,,, পানি ছাড়া কি নদী বাঁচে?
    Total Reply(0) Reply
  • Ripon Khondoker ১৮ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৬ এএম says : 0
    আমাদোর দেশের নদ-নদীতো বাপ-দাদার সম্পতি যার যেভাবে নদীর পাড়ঘেষে বাড়ী,ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্লাব, পার্টিঅফিস ইত্যাদি বানাতে পারি।যখন গায়ের জরে এসব কিছু বলা হয়না বা নিষেধ হয়না সরকারের পক্ষথেকে । নদী ড্রেনে পরিনত হবেনাতো কি সুমদ্র হবে। আমাদের চিন্তা-ভাবনাকে পরিবর্তন করে জাতীয় সম্পদ রক্ষা করি এক হয়ে। নদী বাঁচলে ফসল বাঁচবে ।নদী মাতৃক দেশ বাংলাদেশ।
    Total Reply(0) Reply
  • Shamsul Hoque ১৮ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৬ এএম says : 0
    সকল অবৈধ দখল, স্থাপনা অপসরণ করে ড্রেজিং করা হউক।
    Total Reply(0) Reply
  • Khandaker Kamrunnessa ১৮ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৬ এএম says : 0
    Amra ki pari na amader nodi gulo k bachatey?
    Total Reply(0) Reply
  • Pricen Eshak ১৮ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৭ এএম says : 0
    সরকার যদি army k নদি দূষন, দখল রোধে প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা নেয়ার নিদেশ দেয় তাহলে ১ বছরো লাগবেনা দখল মুক্ত করতে।
    Total Reply(0) Reply
  • jack ali ১৮ জানুয়ারি, ২০১৯, ৪:৩৮ পিএম says : 0
    Head of the Government =====whoever comes to power they travel frequently Europe/America/Australia------Didn't they have eye ???----how they kept their country iclean and their rivers also clean from pollution---not only that they are very keen to make everything's eye appealing---shame on our Government---------they just grab the power and suck our life blood-----Rivers are like nerves and veins in our body====Without Nerves and Veins ---Body cannot service--- They have desecrated our nerves and veins-- --Now we are going have a aganozing death---
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন