Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার ১৯ জুন ২০১৯, ৫ আষাঢ় ১৪২৬, ১৬ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরী।

বেপরোয়া পথচারী

আবদুল্লাহ আল মামুন | প্রকাশের সময় : ২০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:০৪ এএম

শুক্রবার বিকেল পৌনে ৪টা। রাজধানীর ব্যস্ততম শাহবাগ মোড়ে যানবাহন ও পথচারী ছিল তুলনামূলক কম। যথারীতি সব দিক দিয়ে গাড়ি চলছিল। প্রতিটি পয়েন্টে দাঁড়িয়ে দায়িত্ব পালন করছিলেন ট্রাফিক সদস্যরা। পিজি, বারডেম হাসপাতালসহ আরও কয়েকটি পয়েন্টে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন গাড়ির কাগজ তল্লাশি করছিলেন ট্রাফিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এর মাঝেই চলন্ত গাড়ির সামনে দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে দৌঁড়ে রাস্তা পার হচ্ছিলেন পথচারীরা। ট্রাফিক সদস্যরা বারণ করলেও তারা শুনতে নারাজ। অথচ তখনও রাস্তার তিনধারের তিনটি ফুটওভার ব্রিজ ছিল একেবারে মানুষ শূণ্য। সিগন্যাল চলাকালেও জেব্রা ক্রসিং মানছিলেন না অনেক পথচারী। কয়েকজনকে দেখা গেল আরও বেপরোয়া। সিগন্যালের তোয়াক্কা না করে অসুস্থ রোগী ও ছোট শিশুদের নিয়ে দৌঁড়ে রাস্তা পাড় হন তারা। শুধু শাহবাগ নয়, রাজধানীর বেশির এলাকার চিত্র এমন। এদিকে শৃঙ্খলার আড়ালে অনেক এলাকায় গাড়ি থামিয়ে পুলিশকে চাঁদা নিতে দেখা গেছে। গত কয়েকদিন ধরে নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে পথচারীদের এমন বেপরোয়া আচরণ লক্ষ্য করা গেছে।
সড়ক বিশেষজ্ঞ ও ট্রাফিক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুধু আইনের প্রয়োগ করে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো যাবে না। আইনের পাশপাশি নাগরিকদের সচেতন করতে হবে। একইসাথে ফুটপাত মুক্তকরণসহ সড়ক সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো উন্নয়ন। সব থেকে বেশি জোর দিতে হবে জনসাধারণকে ট্রাফিক আইন জানাতে। এর জন্য লিফলেট বিতরণ, পোস্টারিং ও পাড়া-মহল্লায় মাইকিং করতে হবে। এছাড়া কোন পথচারী ট্রাফিক আইন ভাঙলে তাকে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে লজ্জা দেওয়াসহ লঘু শাস্তি ও জরিমানা করা হলে সড়কের বিশৃঙ্খলা অনেকটা কমানো সম্ভব হবে।
এদিকে, ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে গত ১৫ জানুয়ারি থেকে ১৫ দিনব্যাপী ‘ট্রাফিক শৃঙ্খলা পক্ষ’ শুরু করেছে ঢাকা মহানগর ট্রািফক পুলিশ। ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত এ শৃঙ্খলা কার্যক্রম চলবে। যদিও শৃঙ্খলা কার্যক্রম শুরু হওয়ার পরেও মোটেও শৃঙ্খলা ফেরেনি সড়কে। আগের মতো বিশৃঙ্খল রয়ে গেছে সড়ক। গত কয়েকদিন রাজধানীর শাহবাগ, পান্থপথ, সাইন্সল্যাব, নিউমার্কেট, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, বাংলামটর, মগবাজার, ওয়্যারলেস গেট, মৌচাক, মালিবাগ, সাতরাস্তা, পল্টন, যাত্রাবাড়ী, জুরাইন, পোস্তাগোলা, মিরপুর ঘুরে আগের মতোই বিশৃঙ্খলা চোখে পড়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, আগের মতো লক্কর-ঝক্কার বাস চলছে, গণপরিবহন ও প্রাইভেট গাড়ির সবাই আইন ভাঙছে, পথচারীরাও চলছে আগের মতো বেপরোয়া। চলন্ত গাড়ির সামনে দিয়ে দৌড়ে রাস্তা পার হচ্ছে। বেশিরভাগ পথচারী ফুটওভার ব্রিজ ও জেব্রা ক্রসিং ব্যবহার করছে না। ট্রাফিক সদস্যদের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবীরা তাদের বোঝালেও তারা শুনতে নারাজ। কালেভদ্রে দু’একজন পথচারীকে ফুটওভার ব্রিজে উঠতে দেখা গেলেও তাদের সংখ্যা ছিল খুবই নগন্য। গতকাল বিকেলে শাহবাগে চলন্ত গাড়ির সামনে দিয়ে রাস্তা পার হওয়ার সময় এক তরুণ দম্পতিকে বাধা দেন ট্রাফিক সদস্য হযরত আলী। বাধা উপেক্ষা করে সামনে এগুতে গেলে আবারও হাত বাড়িয়ে বাধা দেন। এত কিছুর পরেও ট্রাফিক আইন অমান্য করে হাসতে হাসতে রাস্তা পার হয়ে যান ওই দম্পতি।
এ বিষয়ে হযরত আলী বলেন, পথচারীদের বোঝানো হলেও তারা আইন মানতে চায় না। চলন্ত গাড়ির সামনে দিয়ে দৌড়ে রাস্তা পার হয়ে যায়। বেপরোয়া রাস্তা পারাপারের কারণে বেশিরভাগ সময় দুর্ঘটনা ঘটে। তিনি বলেন, শাহবাগে তিনটি ফুটওভার ব্রিজ আছে। অথচ পথচারীরা সেগুলো ব্যবহার না করে ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা মাঝখান দিয়ে দৌঁড়ে পার হয়।
শাহবাগে দায়িত্বরত ট্রাফিক সার্জেন্ট সাদ্দাম হোসেন বলেন, শুধু আইন করে সড়কে শৃঙ্খলা আনা সম্ভব নয়। চালক-যাত্রী এমনকি পথচারীরা কেউ ট্রাফিক আইন মানতে চায় না। বাসগুলো যত্রতত্র থামছে, যাত্রীরাও ঝুঁকি নিয়ে দৌড়ে বাসে উঠছে। তেমনি রোগীদের স্বজনরাও ট্রাফিক সিগন্যালের তোয়াক্কা না করে ঝুঁকি নিয়ে অসুস্থ রোগীদের রাস্তা পার করাচ্ছেন। এই কর্মকর্তা বলেন, মানুষ আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল হলে এমনিতেই সড়কে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।
বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত কারওয়ান বাজার এলাকায় দাঁড়িয়ে চোখে পড়ে পথচারীদের বেপরোয়া রাস্তা পারাপার। ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা বারবার চেষ্টা করেও বেশিরভাগ পথচারীদের জেব্রা ক্রসিং দিয়ে পার করাতে পারছিলেন না। তবে ওই সময় কিছু পথচারী স্বদ্যোগে সিগন্যাল মেনে জেব্রা ক্রসিং দিয়ে রাস্তা পার হন।
কারওয়ান বাজার সার্ক ফোয়ারার সামনে দেখা গেছে, ফার্মগেট থেকে শাহবাগের দিকে দ্রুতগতিতে গাড়ি আসছে। এর মধ্যেই দৌড়ে রাস্তা পার হচ্ছে অনেক পথচারী। তখনো গাড়ি থামার সিগনালও পড়েনি। দেখা গেল, বেশিরভাগ পথচারীর সিগন্যাল মানায় কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। ওই সময় কয়েকজন অভিভাবকও ছোট শিশুদের নিয়ে দৌঁড়ে রাস্তা পার হন।
আফরোজা খানম নামে এক অভিভাবক বলেন, সিগন্যাল পরলেও পথচারীদের কোন লাভ নেই। কিছু চালক সব সময় গাড়ি চালাতে থাকে। তারা সিগন্যাল মানতে চায় না। যার কারণে সিগন্যালে দাড়িয়ে থাকলে কেবল সময়ক্ষেপন হয়।
বেসরকারি ব্যাংক কর্মকর্তা রবিউল ইসলামের ভাষ্যও একই। তিনি বলেন, রাস্তার পাশে দাঁড়ালেই দেখতে পাবেন বেশিরভাগ গাড়ি সিগন্যাল মানছে না। যার কারণে সিগন্যালের অপেক্ষা না করে পথচারীদের রাস্তা পার হওয়ার প্রবণতা বেশি।
পান্থপথ সিগন্যালে দেখা গেছে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সদস্যরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবক বলেন, রাস্তা পারাপারে সাধারণ মানুষ সব থেকে বেশি বেপরোয়া। নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে তারা মোটেও উদ্বিগ্ন নয়। অধিকাংশ পথচারী চলন্ত গাড়ির সামনে দিয়ে ঝুঁকি নিয়েই দৌঁড়ে রাস্তা পার হয়।
স্বেচ্ছাসেবকদের একজন কিছুটা ভিন্নমত প্রকাশ করে বলেন, পথচারীরা ট্রাফিক আইন জানলেই তবে মানবে। অধিকাংশ সাধারণ মানুষ কখন রাস্তা পার হতে হবে, কখন কোথায় থামতে হবে- এসবের কিছুই জানে না। ওই স্বেচ্ছাসেবী আরও বলেন, পাড়া মহল্লায় লিফলেট, পোস্টারিং ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। পরে তারা স্বেচ্ছাই আইন মেনে চলবে।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় মগবাজারের ওয়্যারলেস গেটে দেখা যায়, ওয়্যারলেস গেটে মগবাজার ফ্লাইওভারের ঢালের মুখেই রাস্তা পার হচ্ছে পথচারীরা। একইভাবে বাস থামিয়েও যাত্রী তোলা হচ্ছে।
একইদিন বিকেলে দৈনিক বাংলা মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে বিভিন্ন গাড়ির কাগজপত্র চেক করতে দেখা গেছে ট্রাফিকের কর্মকর্তাদের। এর মধ্যেই বেপরোয়াভাবে ৮ নম্বর বাসে যাত্রী তোলা হচ্ছিল। পথচারীরাও কোন নিয়ম-কানুনের তোয়াক্কা না করে রাস্তা পার হন। ওই সময় প্রায় ১৫টি মোটরসাইকেল ও বেশ কয়েকটি বাসে মামলা ও জরিমানা করতে দেখা গেছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক জহিরুল ইসলাম বলেন, যানবাহনের পাশাপাশি পথচারীদের শাস্তির আওতায় আনা উচিত। ওই শিক্ষক বলেন, পথচারীদের শাস্তি হিসেবে তাদেরকে রাস্তার পাশে দাঁড় করিয়ে লজ্জা দেওয়া, ৫০ থেকে ১০০টাকা জরিমানা করা যেতে পারে। এমন করা হলে পরবর্তীতে আইন ভাঙতে কিছুটা কুণ্ঠাবোধ করবে।
এদিকে, সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষার নামে অনেক চালক ও পথচারীদের হয়রানির অভিযোগ রয়েছে পুলিশের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবারে যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুলের সামনের এলাকায় সরেজমিনকালে অনেক পথচারীকে হয়রানি ও গাড়ি থামিয়ে চাঁদা নিতে দেখা গেছে পুলিশ ও আনসার সদস্যদের। কেউ রাস্তা দিয়ে হেটে গেলে বা গাড়ি থেকে নামলেই তাদের ব্যাগ, জামার পকেটে অহেতুক তল্লাশী করেন তারা।
ভুক্তভোগী পথচারীরা বলেন, কোন কারণ ছাড়াই ডাক দিয়ে পকেট ও ব্যাগে তল্লাশী করে। কারণ জিজ্ঞাসা করলে উল্টো গালি দেয়। এ বিষয়টি তাৎক্ষণিক যাত্রাবাড়ী থানার ওসি ওয়াজেদ আলী মিয়াকে জানালে তিনি দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের কল করে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করতে বলেন। গতকালও যাত্রাবাড়ী ও শনির আখড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় গাড়ি থামিয়ে পুলিশকে চাঁদা নিতে দেখা গেছে। তবে কয়েক জায়গায় চাঁদা নেওয়ার ছবি তুলতে দেখে সরে যায় পুলিশ।
গত বছরের ২৯ জুলাই রাজধানীর কুর্মিটোলায় বাসচাপায় দুই কলেজশিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর নিরাপদ সড়কের দাবিতে সড়কে নেমে বিক্ষোভ করে হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ। সে সময় পুলিশ ও সরকারি দলের নেতা-কর্মীরা আন্দোলনকারীদের ওপর দমন-পীড়ন চালালেও শেষ পর্যন্ত সরকার সাড়া দেয়। এর প্রেক্ষিতে সড়কে শৃঙ্খলা আনতে বিশেষ অভিযানে নামে পুলিশ।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যেই ঢাকায় ৫ আগস্ট শুরু হয় ট্রাফিক সপ্তাহ। চলে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত। পরে ৫-৩০ সেপ্টেম্বর মাসব্যাপী ট্রাফিক সচেতনতা কর্মসূচি পালন করে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ। তৃতীয়বারের মতো ২৪-৩১ অক্টোবর সাত দিনের বিশেষ ট্রাফিক শৃঙ্খলা সপ্তাহ পালন করা হয়। এত শত উদ্যোগের পরেও আগের মতো বিশৃঙ্খল রয়ে গেছে সড়ক। তবে এই সময়ে মোটরসাইকেলের চালক-আরোহীদের মধ্যে হেলমেট ব্যবহার বেড়েছে। এদিকে, অভিযানের প্রথম দিন ৬ হাজার ৯০৯টি মামলা ও ৩৭ লাখ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।



 

Show all comments
  • নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ১৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৪ এএম says : 0
    আমরা আইন মানিনা কারণ আইনের প্রয়োগ নেই। আইন প্রয়োগকারীরা যদি শক্ত হাতে আইন প্রয়োগ করত তাহলে অবশ্যই সকলে আইন মানত। ট্রাফিক পুলিশের সামনে রাস্তার মাঝখানে দাড়িয়ে বাস গুলো যাত্রী ওঠাচ্ছে নামাচ্ছে, আর পুলিশ তাকিয়ে দেখছে। বাস গুলো ঠিক মত থামেও না, চলতে চলতে মানুষ ওঠায় নামায়। রাজপথ জুড়ে বেপরোয়া ড্রাইভার দের রাজত্ব। ন্যায়নীতি বিসর্জন দিয়ে, ঘুষ খেয়ে যারা অপরাধীদের আইনের আওতায় আনছেনা, তাদের আগে শায়েস্তা করুন। তাহলেই দেখবেন সকলেই আইন মানতে বাধ্য হচ্ছে।
    Total Reply(0) Reply
  • Zahid Haque ১৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৩ এএম says : 0
    বেত্রাঘাত ই একমাত্র সমাধান। সড়ক আইন অমান্যকারী কে তৎক্ষনাত বেত্রাঘাত করে দেখেন , রাতারাতি সড়ক পারাপারকারীর চেহারাই চেন্জ হয়ে যাবে। মটরসাইকেল চালক / বাসচালক দের প্রকাশ্যে কান ধরে ওঠ বস করিয়ে দেখেন । মিস্টি মিস্টি কথা বলে বাংগালিকে আইন শিখাবেন ..... তা হয় নাকি।
    Total Reply(0) Reply
  • অনামিকা বৃষ্টি ১৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৪ এএম says : 0
    এমনও যদি হয়, যতদূর চোখ যায় পুলিশ কিংবা পাবলিক কোথাও কাউকে দেখা যাচ্ছে না, তারপরেও আইন ভাঙতে সাহস পায় না পাশ্চাত্যের দেশগুলোর পথচারীরা। কেন বলুন তো? সিঙ্গাপুরে জনমানবহীন ফাঁকা স্থানেও একটা ময়লার টুকরা ফেলেছেন তো আজীবনের জন্য পস্তাইছেন। আইন অমান্য করা তো অনেক দূরের কথা। কেন বলুন তো?
    Total Reply(0) Reply
  • নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ১৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৪ এএম says : 0
    আইন যারা বানায় তারা কি আইন রক্ষা করছে নাকি, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল?
    Total Reply(0) Reply
  • Shameer Ahmed ১৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৫ এএম says : 0
    CC Camera & Constant surveillance with monitoring can prevent reckless driver . ONLY ONE SOLUTION LEFT
    Total Reply(0) Reply
  • Zulfiqar Ahmed ১৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৫ এএম says : 0
    কেন পুলিশ ভূয়া মামলা দিয়ে মানুষকে হয়রানি করে, কেন পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থার পারদ নিম্নগামী, কেন পুলিশ সুযোগ পেলেই গ্রেফতার বাণিজ্যে নেমে পড়ে ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু এসব প্রশ্নের জবাব কে দেবে?
    Total Reply(0) Reply
  • sakura fubuki ১৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৫ এএম says : 0
    বিদেশে যখন যাই, আমরা আইন মানি। তাহলে ঢাকার সড়কে বেরিয়ে আমরা আইন মানি না কেন?’ well i will tell ricksha wala and bus driver to follow the rules as they follow when the go for truism in USA and Japan
    Total Reply(0) Reply
  • Masud Parvez ১৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৬ এএম says : 0
    নিজ থেকে আইন মানার পূর্ব শর্ত হলো আইনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকা। বিতর্কিত রাজনীতি, বিভিন্নখাতে চোখের সামনে সীমাহীন দূর্নীতি, সরকারি সেবা পেতে রাজ্যের বিড়ম্বনা এসব বিভিন্ন কারণে এ দেশের জনগনের আইনের প্রতি শ্রদ্ধার জায়গাটাই কার্যত নষ্ট হয়ে গেছে। আইনের প্রতি সচেতনতা বাড়ানোর প্রচারণা দীর্ঘমেয়াদে খুব একটা কাজে আসবে না তাই।
    Total Reply(0) Reply
  • Tassaddeque Chowdhury ১৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৬ এএম says : 0
    মানুষগুলোকে 'মানুষ' বানাবে কে?
    Total Reply(0) Reply
  • Shajed ১৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৬ এএম says : 0
    সড়কে শৃঙ্খলা অমান্য করে সবচে বেশি পুলিশ সদস্যরাই।
    Total Reply(0) Reply
  • নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ১৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৬ এএম says : 0
    এর জন্য সিংহভাগ দায়ী হলো পুলিশ। মানুষ মনে করে পুলিশ ধরলে টাকা দিলে পার পেয়ে যাবে। আর এক শ্রেনীর পুলিশ দেদাড়ছে টাকা কামাতে ব্যস্ত।
    Total Reply(0) Reply
  • রিপন ১৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৭ এএম says : 0
    কেউ শত কষ্ট সহ্য করে সঠিক লাইনে যাতায়াত করে আবার কারো জন্য উল্টো রাস্তা দিয়ে চলাচলের স্পেশাল ব্যাবস্থা করে দেয়া হয়, আইনের প্রতি মানুষের শ্রদ্ধাটা আসবে কোত্থেকে শুনি? রাস্তার আইনটা সকলের জন্য সমান করেননা ভাই, এমনিতেই বেশিরভাগ আইন না মানা মানুষ সোজা হয়ে যাবে।
    Total Reply(0) Reply
  • S. M. Abdul Haque ১৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪৭ এএম says : 0
    এদেশে যারা আইন মেনে চলে তারাতো কাপুরুষ তারা মিনমিনের দলে যারা আইন মানেনা তারাইতো সাহসী সবাই সাহস দেখাতে ব্যাস্ত তবে এভাবে চলতে পারে না। আইনের কঠোর প্রয়োগ চাই সবার জন্য।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন