Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৬ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী

পরাজয় ঢাকতেই আ.লীগের বিজয় উৎসব

সাংবাদিকদের মির্জা ফখরুল

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২০ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:০২ এএম

৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে ভোটা ডাকাতির মাধ্যমে বিএনপির নয়, আওয়ামী লীগের পরাজয় হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এই ভোট ডাকাতি এবং পরাজয় ঢাকতেই আওয়ামী লীগ এখন বিজয় উৎসব করছে। গতকাল (শনিবার) বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর শেরেবাংলা নগরে চন্দ্রিমা উদ্যানে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ৩০ ডিসেম্বর তো গণতন্ত্রের পরাজয় হয়েছে, আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বড় পরাজয় হয়েছে। কারণ তারা (আওয়ামী লীগ) জনগণ থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আর তারা যে (গতকাল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশ) এই উৎসব হচ্ছে তাদের (আওয়ামী লীগ) যে পরাজয়, তা ঢেকে দেওয়ার জন্য, মাশুষের দৃষ্টিটাকে অন্যদিকে সরানোর জন্য।
তিনি বলেন, গণতন্ত্রের প্রতি আওয়ামী লীগের কোনো শ্রদ্ধা নেই। গণতন্ত্র তারা মুখে বলে কিন্তু বিশ্বাস করে না। অতীতে ১৯৭৫ সালে এক দলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠা করেছিলো সমস্ত রাজনৈতিক দলকে নিযিদ্ধ করে দিয়ে, মানুষের বাক স্বাধীনতাকে হরণ করে নিয়ে। দলের প্রতিষ্ঠাতাকে স্মরণ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানই বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিয়ে মানুষের বাক স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। জিয়াউর রহমানের জন্মদিনে শপথ নিয়েছি আমরা গণতন্ত্রকে মুক্ত করব, সর্বোপরি যিনি এই স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্রের পতাকা তুলে নিয়ে আছে কারারুদ্ধ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে, আমাদের নেতা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে এনে আমরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করব।
ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে বিএনপির কোনো টানাপড়েন সৃষ্টি হয়েছে কি না প্রশ্ন করা হলে মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই ধরনের কথা সবসময় আসে, আর আপনাদের বিভিন্ন রকম চমৎকার চমৎকার সমস্ত স্টোরির মধ্য দিয়ে বিভিন্ন রকমের স্টোরি আসে। আমাদের মধ্যে কোনো টানাপড়েন নেই। ঐক্যফ্রন্ট আছে, ২০ দলীয় জোট আছে। বিএনপির ভেতরে কোনো টানাপড়েন আছে কি না- প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, কোনো টানাপড়েন নাই। বিএনপি ইউনাউটেড অ্যাজ ইট ইজ।
এ সময় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাজাহান, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আহমেদ আযম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী, ডা. ফরহাদ হালীম ডোনারসহ যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষকদল, শ্রমিক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।#



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: মির্জা ফখরুল


আরও
আরও পড়ুন