Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৯ ফাল্গুন ১৪২৫, ১৫ জামাদিউস সানি ১৪৪০ হিজরী।

ঐক্যফ্রন্টে দূরত্বের সুর

জামায়াত নিয়ে বিএনপি-গণফোরামে মতভেদ স্পষ্ট , এমপিদের শপথ ইস্যুতে মতানৈক্য

রফিক মুহাম্মদ | প্রকাশের সময় : ২২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:০২ এএম

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে বাজছে অনক্যৈর সুর। দুটি ইস্যু নিয়ে ঐক্যফ্রন্টের প্রধান শরিক দল বিএনপির সাথে গণফোরামের মতভেদ এখন বেশ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এর একটি হলো নির্বাচিত এমপিদের শপথ নেয়া বা না নেয়ার বিষয়। দ্বিতীয়টি জামায়াতে ইসলামীকে সাথে রাখা না রাখার বিষয়।
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রধান শরিক দল বিএনপি নির্বাচনের পর বেশ স্পষ্ট করে বলেছে, তারা এ ভোটডাকাতির নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাই তাদের শপথ নেয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। অন্যদিকে গণফোরাম তাদের দলীয় ফোরামে শপথ নেয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে। এতে দলের অনেকে শপথ নেয়ার পক্ষে মতামত দেন। ফলে বিএনপি এবং গণফোরামের মধ্যে এ বিষয়ে মতানৈক্যের সৃষ্টি হয়।
যদিও এ বিষয়ে পরে ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকে জানানো হয় যে, ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচিত এমপিদের কেউই শপথ নেবেন না। ঐক্যফ্রন্টের শরিক পাঁচ দলের মধ্যে বিএনপিসহ বাকি চার দলের নেতারা মনে করেন, সমন্বিতভাবে একাদশ জাতীয় সংসদের ফলাফল প্রত্যাখ্যান এবং পুনঃনির্বাচনের দাবি তোলার পর সংসদে অংশ নেয়ার সিদ্ধান্তে সন্দেহ সৃষ্টি হওয়া স্বাভাবিক।
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রধান দল বিএনপির একাধিক নেতার কথায়, ভোটডাকাতির নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান করার পর গণফোরামের সদস্যের শপথ নিলে তা হবে আত্মঘাতী। বিশেষ করে বিতর্কিত নির্বাচনের পর ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে সংসদে গেলে রাজনীতিকভাবেও হবে চরম পরাজয়। তারা মনে করেন, নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যানের পাশাপাশি নতুন নির্বাচনের দাবিতে রাজপথে প্রতিরোধ গড়ে তোলাই হবে যৌক্তিক। কারণ এখনো দলের হাজার হাজার নেতাকর্মী জেলে। ডজন ডজন মামলার আসামী হয়ে অনেকে ফেরারি। এ অবস্থায় দ্রুত দল গুছিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে না পারলে নেতাকর্মীরা হতাশ হয়ে পড়বে।
বিএনপি নেতারা আরো বলেন, দেশের প্রতিটি মানুষ জানে এ নির্বাচন হয়েছে কারচুপির নির্বাচন। জনগণের ভোট ছিনতাই করে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ নৈতিকভাবে পরাজিত হয়েছে। এ অবস্থায় সংসদে যোগ না দিলে তাদের বৈধতার সঙ্কট থেকেই যাবে। আর এতে করে ঐক্যফ্রন্টের আন্দোলনের যৌক্তিকতাও দেশবাসীর কাছে যেমন সুস্পষ্ট থাকবে। তেমনি তাদের সমর্থনও থাকবে।
অন্যদিকে ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতে ইসলামী নিয়ে ড. কামাল হোসেনের দেয়া বক্তব্যেও বিএনপির মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনের পর ড. কামাল হোসেন বিদেশি সংবাদ মাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, জামায়াতকে নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট করাটা তার ভুল হয়েছে। জামায়াতকে এভাবে মনোনয়ন দেয়া হবে এটা তিনি জানতেন না। তিনি আরো বলেন, এখন জামায়াতকে বাদ দিয়ে ঐক্য গড়ার কথা বলা যেতে পারে। ড. কামাল হোসেনের এ বক্তব্যের পর ক্ষমতাসীন দলের নেতারাও বেশ জোর দিয়ে বলছেন ‘ঐক্যফ্রন্টের ঐক্য আর থাকবে না’। ড. কামাল হোসেনের এ বক্তব্য নিয়ে বিএনপিতে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। আর দলীয় ক্ষোভের কারণে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক বিএনপি বর্জন করে। আর ওই বৈঠকে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি তাদের ‘জাতীয় সংলাপ’ কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়।
তবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা তাদের মধ্যে দ্বিধা-দ্ব›েদ্বর বিষয়টিকে পুরোপুরি অস্বীকার করছেন। এ বিষয়ে ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মধ্যে কোনো অনৈক্য নেই। দেশে গণতন্ত্র এবং মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট হয়েছে। আমাদের সেই লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ঐক্যফ্রন্ট থাকবে।
এ বিষয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডির সভাপতি আ স ম অবদুর রব বলেন, দেশের এক চরম সঙ্কটময় মুহূর্তে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জন্ম হয়েছে। গত ৩০ ডিসেম্বর এ সরকার ভোটডাকাতির মাধ্যমে যে প্রহসনের নির্বাচন করেছে, তাতে এ সঙ্কট আরো ঘনীভ‚ত হয়েছে। এ অবস্থায় আমাদের ঐক্য আরো দৃঢ় হবে। এ সরকার জাতীর সাথে যে প্রতারণা করেছে তা ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে জবাব দেয়া হবে।
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম উদ্যোক্তা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী সংসদে যাওয়ার বিষয়ে বলেন, এ বিষয়ে এখনি চূড়ান্ত কিছু বলা ঠিক হবে না। নির্বাচন কেমন হয়েছে, তা আমরা সবাই ভালো করে জানি এবং দেশবাসী এমনকি বিশ্ববাসীও জানে। বাস্তবতা এটাই যে, এই নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। অনেক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেও জনগণ তাদের ভোট দিতে পারেনি। আদতে নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি হয়েছে। এ অবস্থায় সংসদে যাওয়া না যাওয়ার চেয়ে এই অনৈতিক ও অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন করাটা জরুরি। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সে লক্ষ্যে অগ্রসর হচ্ছে। ঐক্যফ্রন্টের ঐক্য এখনো অটুট আছে।



 

Show all comments
  • Shafiq Ahmed ২২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৩ এএম says : 1
    ভুল শিরোনাম । জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টকে এখন পর্যন্ত ঐক্যবদ্ধ দেখা যাচ্ছে । ডঃ কামাল হোসেন সাহেবের বক্তব্য নিজস্ব রাজনৈতিক আদর্শগত । সুতরাং কোথাও অনৈক্য দেখা যাচ্ছে না ।
    Total Reply(0) Reply
  • Asadur Rahman ২২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৪ এএম says : 1
    ভুল কথা। কোথাও কোন সমস্যা আছে বলে মনে হয় না।
    Total Reply(0) Reply
  • নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ২২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৬ এএম says : 0
    নেতা ছাড়া জোট টিকবে কিভাবে! কামাল স্যার তো কথাও বলতে পারেন না- এতই বৃদ্ধ।
    Total Reply(0) Reply
  • Ghotok Ferdous ২২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৭ এএম says : 0
    আরও অনেকেই এটা তখন বুঝেছিলেন। ভিন্ন মত, ভিন্ন আদর্শ এবং ভিন্ন স্বার্থের সেতু বন্ধন কখনই সম্ভব নয়।
    Total Reply(0) Reply
  • mohammad rahman ২২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৭ এএম says : 1
    অনৈতিক ব্যাকতি ও প্রতিষঠান টিকে না আপনা আপনি ভেংগে পড়ে ! অনৈতিকতা ঢুকছে বাংলাদেশে - অনৈতিকতা ঢুকছে আওয়ামি লীগে ! আওয়ামি লীগ যদি আগে ভেংগে পড়ে বাংলাদেশ বাচবে ! বাংলাদেশ আগে ভেংগে পড়লে দুটোর একটাও বাচবে না
    Total Reply(0) Reply
  • ইমরোজ শাহরিয়ার ২২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৮ এএম says : 0
    রাজনীতির দাবা খেলায় বিএনপি বিধ্বস্ত হয়েছে, বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির খাতায় নাম লিখিয়েছে। এখন এসব ঠুনকো বিষয়ে কথা না বলে দেশ গড়ার কাজে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।
    Total Reply(0) Reply
  • নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ২২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৯ এএম says : 1
    চুরে চুরে মামাতো ভাই তাই তাদের ঐক্য টিকসই হয়, ভালো মানুষের ঐক্য টিকেনা।
    Total Reply(0) Reply
  • নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ২২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৯ এএম says : 0
    ঠিক একদম তাই এদের (ঐক্যফ্রন্ট) নের মধ্যেই ভাঙার উপাদান ছিল। সেই ফ্রন্ট না টেকারই কথা। কারণ সাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে অসাম্প্রদায়িক শক্তির ঐক্য টেকসই হয় না। আর গণতন্ত্রকে গুরুত্ব দিলে এরা (বিএনপি) উপজেলা নির্বাচনে নিজে থেকেই আসবে। জাতীয় নির্বাচনে যেমন তারা এসেছে, সেভাবেই আসবে। জাতীয় নির্বাচনে এদের (বিএনপি) ডেকে আনা হয়নি, উপজেলা নির্বাচনেও হবে না।
    Total Reply(0) Reply
  • Salman Ar Rahman ২২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:০১ এএম says : 0
    ঐক্যফ্রন্ট ভাঙার শুরু। আরো নাটক আসিতেছে।।
    Total Reply(0) Reply
  • মো.পারভেজ ২২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:০২ এএম says : 0
    তাদের টানা পোড়েনতো হবে কারণ তাদের দলের মধ্যে কোনো একতা নেই। তারা কোনো সিন্ধান্ত নিতে পারে না ঠিক মতো। আর আজ তাদের এই অবস্থার জন্য তারা নিজেরাই দায়ী এটার জন্য অন্য কেউ দায়ী না। তাই আপনারা কিছু দিন পর পর যে সবাইকে দায়ী করেন। এটা করা আপনাদের বন্ধ করতে হবে।
    Total Reply(0) Reply
  • Tushar Khan ২২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:০৩ এএম says : 0
    বিএনপি এবং ঐক্যফ্রন্টের মধ্যে এখন টানাটানি শুরু হয়ে গেছে । দুই দলের মধ্যে মতবিরোধ হচ্ছে এবং দরকষাকষি শুরু হয়ে গেছে । নির্বাচনে বিপুল ভোটে পরাজিত হওয়ার পর বিএনপি এবং ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীদের মাথায় কাজ করছে না । জানিনা তাদের জন্য কি পথ খোলা রয়েছে ।
    Total Reply(0) Reply
  • Alif Sheikh ২২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:০৩ এএম says : 0
    আসলে ঐক্যফ্রন্ট বিএনপি এবং জামায়াত এর মধ্যে কোন ঐক্যতা নাই। বর্তমানে বিএনপি কে নাচিয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে ঐক্যফ্রন্ট। বিএনপি দলের কোনো অস্তিত্ব বলে আর কিছুই থাকল না। এখনই প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে যে তিনটি নেতাকর্মীদের জামায়াত এবং ঐক্যফ্রন্টের সাথে ঐক্য তা কেমন ?? আসলে এই তিনটির দলই নিজেদের স্বার্থ ছাড়া কিচ্ছু বোঝে না। যারা নিজেদের মধ্য কোন ঐক্যতা বজায় রাখতে পারে না তারা দেশের ঐক্য বজায় রাখার কাজ কিভাবে করবে ??
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammed Kowaj Ali khan ২২ জানুয়ারি, ২০১৯, ৩:২০ এএম says : 1
    যাহার যাহা আছে তাহা লইয়া ভোট চুর খেদাও। জামাতের আছে দেশপ্রেম জামাত বড় আতংক চুরদের। আর ভারতীয় দালালদের। যার তার কাজ যার তার করিবে জামাত সহ যে ই আসিবেন ঐক্য করেন আর চুরদের খেদান। বরতমানে বাংলাদেশের বড় সমস্যা ভারতীয় দালাল সমস্যা। স্বাধীনতা বীরুধী ভারতীয় দালাল মুক্ত বাংলাদেশ চাই। আল্লাহ তা'আলার দরবারে। ইনশাআল্লাহ।
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammed Shah Alam Khan ২২ জানুয়ারি, ২০১৯, ১০:২২ এএম says : 0
    প্রতিবেদক রফিক মুহাম্মদ এখানে সুন্দর ব্যাখা দিয়ে বিষয়টি আমাদের কাছে তুলে ধরেছেন সেজন্যে তাক জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। তিনি যেটা বলেছেন সেটা অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাখা দিয়ে বলেছেন তবে আমরা এই প্রতিবেদন পড়ার পর মনেকরি যেহেতু ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচন বর্জন করেননি তখন তাদের মার্কায় জনগণ ভোট দিয়েছেন সংসদে যাবার জন্যে। এখন তাদের প্রার্থীর মধ্যে মাত্র ৮ জন নির্বাচিত হয়েছে তাই এখন যদি এনারা শফত না নেন তাহলে তারা দেশের আইন মানেন না গণতন্ত্র মানেন না এটাই প্রতিয়মান হবে। কাজেই আমরা মনেকরি ঐক্যফ্রন্টের উচিৎ হবে তাদের জোট থেকে যারা নির্বাচিত হয়েছেন তাদেরকে সংসদে পাঠানো। এরপর তাদের উচিৎ হবে একযোগে সংসদে ও রাস্তায় আন্দোলন করা যদি তাদের সেরকম করার ক্ষমতা থাকে। কিন্তু এখন বিএনপি তাদের দোসর জামাতের স্বার্থে আইনের বহির্ভূত ভাবে সংসদে যোগদান করা থেকে বিরত থাকছে এটা ঠিক নয়। আমাদের বিশ্বাস এই কারনেই ঐক্যফ্রন্টের ভাঙ্গন হতে বাধ্য। এখন আমাদেরকে তারেক রহমানের খেলা দেখার জন্যে অপেক্ষা করা ছাড়া আর কিছুই করার নেই। ড. কামাল তারেক রহমানের সাথে কথা বলার জন্যেই দেশের বাহিরে অবস্থান করছেন এটাও সত্য। এখন সময়ই বলে দিবে ঐক্যফ্রন্টের ভাঙ্গনের ঘণ্টা কখন বেজে উঠবে। আমাদের দোয়া আল্লাহ্‌ যেন আমাদেরকে দেশদ্রোহীদের হাত থেকে রক্ষা করেন। আমিন
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ঐক্যফ্রন্ট

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
৩০ জানুয়ারি, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ