Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৮ ফাল্গুন ১৪২৫, ১৪ জামাদিউস সানি ১৪৪০ হিজরী।

এরশাদের জন্য বিদিশার প্রার্থনা

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৪ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:০২ এএম

ডিজাইনার বিদিশাকে চেনেন না দেশে এমন মানুষ খুব কমই রয়েছে। সাবেক প্রেসিডেন্ট এইচ এম এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা বর্তমানে সমাজসেবামূলক কাজে ব্যস্ত। এরশাদের এই সাবেক দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে যতই বিতর্ক থাকুক না কেন ব্যক্তিগতভাবে তিনি খুবই সদালাপী, বন্ধুবৎসল এবং যাপিত জীবনে অনাড়াম্বর। বিদেশে পড়শোনা এবং জীবনের বেশিরভাগ সময় বিদেশে বসবাস করায় তিনি চিন্তা-চেতনায় আধুনিক মননের মানুষ। তার নামের সঙ্গে যেমন জড়িয়ে রয়েছে বিতর্ক; তেমনি পরোপকারী নারী হিসেবে সমাদৃত। এরশাদের ঘরে রয়েছে তার নাড়ি ছেঁড়াধন শাহতা জারাব এরিক। এরশাদের সঙ্গে ডিভোর্স হওয়ার পর বিদিশা ‘শত্রুর সঙ্গে বসবাস’ ‘এরশাদের চিঠি’সহ বেশ কয়েকটি আত্মজীবনীমূলক বই লিখেছেন। ঝরঝরে লেখা বইগুলো হয়েছে পাঠক সমাদৃত। ৮৮ বছর বয়সী এরশাদের মৃত্যুর ‘গুজব’ও উঠেছিল। গুরুত্বর অসুস্থ এরশাদের রোগমুক্তি কামনায় দলের নেতারা প্রতিদিনই মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করছেন। আত্মীয়-স্বজনরা রোগমুক্তি কামনায় আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছেন। সাবেক প্রেসিডেন্টের যখন এই অবস্থা তখন স্ত্রী রওশন এরশাদ দেখতেও যাননি। কিন্তু সাবেক স্বামীর এই অবস্থা দেখে নীরব থাকেননি বিদিশা। তিনি এরশাদের আরো দীর্ঘজীবন কামনা করে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছেন। গুরুত্ব অসুস্থ এইচ এম এরশাদকে নিয়ে বিদিশা সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। ইংরেজি অক্ষরে বাংলায় লেখা সেই স্ট্যাটাস ইনকিলাব পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো।
বিদিশা লিখেছেন, ‘উনাকে (এরশাদ) আরও কিছুদিন বাঁচতে দিন। এফবিতে (ফেসবুকে) দেখেছি উনাকে মেরে ফেলেছেন। বিশ্বাস করুন, উনি আরও কিছুদিন বাঁচতে চান আমাদের ছেলে এরিকের জন্য। উনি পৃথিবীতে এরিক ছাড়া বোধহয় আর কাউকে এতো ভালোবাসেননি। আমিও সব মাতৃত্বের লড়াই করার পরও ছেলেকে বাবা থেকে আলাদা করতে পারিনি।’
বিদিশা লেখেন, ‘সব থেকে বেশি ত্যাগ স্বীকার করেছি আমি আমার সন্তানকে কাছে না রেখে, চোখে না দেখে। তারপরও আমাকে পরম আনন্দ দেয় বাবা ছেলের (এরশাদ-এরিক) খুঁনসুঁটি দেখে। কোনো শর্তের বন্ধন নেই। বাবা-ছেলের বয়সের পার্থক্যের পরও তাদের মধ্যে আড্ডা ও বন্ধুত্বের সম্পর্ক চোখে পড়ার মতো। ছেলেকে স্কুলে দিয়ে ও নিয়ে আসে একজন বৃদ্ধ পিতা। ছুটির দিনে বাবা ছেলের একসঙ্গে ভ্রমণ।’ বিদিশা আরও লিখেন, ‘রাতে এরিক ছাড়া উনি (এরশাদ) ঘুমাতে পারেন না একদম। তাই তো গত সপ্তাহে আমি যখন সিএমএইচে গেলাম দেখতে (এরশাদকে), দেখি নাস্তা করেন নাই, অপেক্ষায় আছে এরিকের। দুপুরে এরিক স্কুল থেকে ফিরলে লাঞ্চ করবেন বললেন। আমাকে সরি বললেন, অনেক অন্যায় হয়ে গেছে আমার সঙ্গে যা সংশোধন করার উপায় নেই। তা অন্য প্রসঙ্গ। অনেক স্মৃতিচারণ করলেন তিনি।’ এরশাদ ‘বলেই ফেললেন, রাত জেগে এরিক নাকি বক বক করে, যা নাকি আমি করতাম এককালে। উনি চোখ বন্ধ করলে এরিক নাকি চোখ খুলে দেয়, বলে আচ্ছা ড্যাডি এইবার তাহলে একটা রবীন্দ্র সঙ্গীত শোনাই। কিন্তু তুমি তো ঘুমাবে না আমার আগে। গান করতে করতে এরিক নিজেই ঘুমিয়ে পড়ে। আমিও নাকি একই কাজ করতাম অনেক বছর আগে। সেদিন উনার চোখে পানি ছিল। জীবন মৃত্যুর এই শেষ সময়ে উনার (এরশাদ) উপলব্ধিগুলো নিশ্চয়ই মিথ্যা না।’
বিদিশা এরশাদ আরও লিখেছেন, চল্লিশ মিনিট আমার হাত উনার দুই হাত দিয়ে ধরে বসেছিলেন। চোখ দিয়ে ঝরছিল পানি আমাদের দু’জনেরই। আমাদের দুইজনের মধ্যে সময়ের গ্যাপটা অনেক বেশি হয়ে গেছে এতদিনে, তাই উনার (এরশাদ) জীবনে শেষ সময়ে আমি কোনো সেবা করতে পারলাম না। উনি বললেন, আমি নাকি বেশি সোজা সাপ্টা, সাধা-সিধা ছিলাম। লম্বা হয়েছি, বুদ্ধি হয়নি আমার। আমি আরো খুশি আছি অল্প বুদ্ধিতে সোজাসাপ্টা সিম্পল জীবনে। রাজনীতি, প্যাঁচ ষড়যন্ত্র টেনশন নিয়ে ঘুমাতে হয় না আমার। সততার সাথে স্বল্প পরিশ্রম আমার ফাউন্ডেশনটা চালাই তাতেই আমার শান্তি।’ তিনি লেখেন ‘দিনের শেষে রাতে এরিকের কথা মনে হলে মায়াকে বুকে চেপে ঘুমাই আমি। উনিও মায়াকে ভালোবাসেন। বললেন, তোমার মতো মা থাকলে বাবা দরকার নেই। আমি শুধুই বললাম, ‘উই্স আওয়ার মেরিজ ওয়াজ নট সো ক্রাউডেড’। উনি আমার গালে আলতো করে কাঁপা কাঁপা হাতে স্পর্শ করে বললেন, ‘সরি’। এরিক আছে, মায়া আছে তোমার পাশে। আমার মনে হয়েছে উনি আরও কিছুদিন বাঁচতে চান উনার এরিকের জন্য শুধু। আমিও চাই আরও কিছুদিন নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, আনন্দ উনি এরিকের কাছ থেকে নিয়ে যাক। যেটা একমাত্র এরিকই দিতে পারবে উনাকে, কারণ এরিক তো স্পেশাল চাইল্ড।’



 

Show all comments
  • Beg Mahtab ২৪ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:২০ এএম says : 0
    যে যাই বলুক অামি ও মাঝে মধ্যে বলেছি but in fact সাবেক রাট্রপতি এরশাদ সাহেব অাসলে একজন বড় মনের মানুষ কিন্তু অামাদের দেশের এই নোংড়া রাজনীতির খেলায় উনি হেরে গিয়ে অপমানিত হয়ে বিদায় নিতে চলেছেন।অামরা সবাই একসময় বিদায় নেব এটাই নিয়ম কিন্তু পত্যেকের বিদায় তার প্রাপ্য এবং সঠিক স্থানের হওয়া উচিত নয় কি।অামি কার দল করি না তার পর ও তার শুভ কামনা করি অাল্লাহ তাকে হেফাজত করুন।
    Total Reply(0) Reply
  • Jim Dil ২৪ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:২০ এএম says : 1
    বিদিশা আপনার আসলেই দিশা নাই..আপনার এই এরশাদ কাকুর জন্য আজকে আমাদের বাংলাদেশ টা জাহান্নাম হয়ে গেছে..কারো মৃত্যু কামনা করা কাম্য নয়..কিন্তু এই বুইড়া ভাম যদি আরো দশ বছর আগে মৃত্যুবরণ করত তবে আজকে আমাদের দেশটা অথৈ নরক থেকে বাঁচতে পারতো
    Total Reply(1) Reply
    • Md. Enayet Hossain Lin ২৪ জানুয়ারি, ২০১৯, ১০:৩৫ এএম says : 1
      যারা ..... তারা সাবেক সফল রাষ্ট্রপতি এরশাদ সাহেবকে সব সময় অসম্মান করে কথা বলতে অভ্যস্থ থাকে।
  • Md Korban Ali ২৪ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:২১ এএম says : 0
    আমাদের চাচার ভালোবাসার কোন কমতি ছিল না, তাই এই সাবেক চাচি (বিদিশা) এখনো ভালবাসে, আর বাসবেই না বা কেন? তিনি তো এরিক এরশাদের মা, পুরোনো চাচী(রওশন) কে এত্ত দিল তবুও চাচীর মন গলেনি আমাদের চাচাকে তীলে তীলে শেষ করেছেন, শেষ বেলাতেও বিদায় জানায় নি! চাচার জীবন থেকে ২০ টি বছর কেড়ে নিয়েছেন। বিদিশা সত্যিই ভালোবাসে তাকেও সরিয়েছেন ঐ (রওশন) চাচী। আজ হয়তো বিদিশা চাচী কাছে থাকলে আমাদের চাচায় একটু সুখ পেত। চাচা আপনার জন্য দোয়া রইল আপনি সুস্থ্য হয়ে দেশে ফিরবেন, এই কামনা করি।
    Total Reply(1) Reply
    • Md. Enayet Hossain Lin ২৪ জানুয়ারি, ২০১৯, ১০:৩৬ এএম says : 0
      ধন্যবাদ
  • Golam Samsuzzoha ২৪ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:২১ এএম says : 1
    এরশাদ সাহেবের সম্পত্তি ভোগের আসায় এমন আবেগ।
    Total Reply(0) Reply
  • Zakaria Chowdhury ২৪ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:২২ এএম says : 0
    এরশাদের বাচা মরার মধ্যে জনগনের এত মাতাব্যাথা নাই।
    Total Reply(0) Reply
  • Md Maruf ২৪ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:২২ এএম says : 0
    আবেগঘন স্ট্যাটাস না দিয়ে এই দুঃসময়ে উনার পাশে থাকুন,এতে আরো বেশি ভাল হবে
    Total Reply(0) Reply
  • Foyez Ahmed ২৪ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:২৩ এএম says : 0
    এই দেশে এরশাদের অগনিত অবদান রয়েছে। ২১ টা জেলা থেকে ৬৪ টি জেলা এবং উপজেলা উনার আমলেই করা হয়েছিলো। সাপ্তাহিক ছুটি, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ বিল মওকুপ, বাংলা ভাষাকে বাধ্যতামূলক করা, মুক্তিযুদ্ধাদের বাংলা শ্রেষ্ঠ সন্তান উপাধি, ৭ বীরশ্রেষ্ঠের পরিবারকে ঘরবাড়ি বানিয়ে দেওয়া, প্রত্যেকটি উপজেলায় স্বাস্থ্যকেন্দ্র, রাস্তাঘাট, কালবার্ট, ফিডাররোড, স্মৃতিসৌধ সহ কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারের কাজ সম্পন্ন, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন সহ অনেক উন্নয়ন মূলক কাজ উনি করেছেন। এছাড়াও তিনি বৃটিশ আমলের ঘুনেধরা প্রশাসন ভেঙ্গে দিয়ে সৃষ্টি করেন উপজেলা পদ্ধতি-জনগণের নির্বাচিত প্রশাসন ব্যবস্থা। যুগ-যুগান্তরের আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থা তিনি পরিবর্তন করেন। প্রশাসনকে বিকেন্দ্রীকরণ করেন। বাস্তবায়িত করেন যোগাযোগ, বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা, পল্লী উন্নয়ন, শিক্ষা-স্বাস্থ্য, ভূমি সংস্কার, টেলি যোগাযোগ নেটওয়ার্কের হাজার হাজার প্রকল্প। এরমধ্যে কৃষি ও শিল্প উন্নয়নমুলক প্রকল্পের সংখ্যাই বেশী। তিনি ৬৪ হাজার গ্রামের মানুষের কাছে পৌঁছিয়ে দিয়েছিলেন বিভিন্ন সুযোগসুবিধা।
    Total Reply(2) Reply
    • Md. Enayet Hossain Lin ২৪ জানুয়ারি, ২০১৯, ১০:৩৯ এএম says : 0
      ধন্যবাদ ফয়েজ ভাই
    • Abul ২৪ জানুয়ারি, ২০১৯, ১১:৩৬ পিএম says : 0
      ????????? ??? ?????? ????? ? ??? ??? ???? ???? ?? ??????????? ???? ?? ??? ? ???? ?????? ?? ??? ?? ?? ????????? ?????? ????? ????? ???????? ?? ???? ????? ?? ? ??? ??? ??? ??????? ??????? ???? - ???? ???? ???????, ??????????, ??? ???????? ?????? ????? ?? ?? ??????? ???????? ????? ????????? ?? ???? ? ???? ???? ?????????? ?? ???? ? ?? ???????? ????? ??? ????? ???? ???? ????? ???????? ??????? ???? ??? ???? ?????? ??? ? ????? ???? ???? ????? ????? ???? ? ?? ???????? ????? ????? ??? ??? ????? ?
  • Harun Ar Rashid ২৪ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:২৪ এএম says : 0
    নারীর প্রতি ভালোবাসা এটা আমাদের শিখিয়েছেন সাবেক মহামান্য রাষ্ট্রপতি এরশাদ!! উনি আরো বিশ বছর ক্ষমতায় থাকলে লক্ষ লক্ষ রমনীর আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হতো ! উজার করা ভালোবাসায় আপন করে নিতেন কুটি কুটি নারীর হৃদয় ! পল্লী বন্ধুর এই মহান গুনের তারিফ করছি !
    Total Reply(0) Reply
  • Anfisa Tisha ২৪ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:২৪ এএম says : 0
    এতো দিন কোথায় ছিলো এই ভালোবাসার স্টেটাস। এখন মরে গেলে সব সমপত্তি বিদিশা আর এরিকের তাই খুশিতে একটু নাটক আর কি। কিন্তু শেষমেশ দেখা যাবে এরশাদ নানা আরও ৩/৪ বছর বাঁঁচবে।
    Total Reply(0) Reply
  • Repon Bhuiyan ২৪ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:২৫ এএম says : 0
    টাকার জন্য বুড়ার হাত ধরছো। এখন আবার সেই টাকার জন্য কাহিনি।
    Total Reply(0) Reply
  • Monirul Islam Moon ২৪ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:২৫ এএম says : 0
    হাজারো অবদানের মধ্যেই যে বড় ভুল করে গেছে সেটার মাসুল বাংলার জনগণ দিচ্ছে এন্ট্রি ফারাক্কা যদি - এরশাদ-জিয়া দুজন মিলে চেষ্টা করতো সেটা হতো- এই ভারত কেন আজ মাথা তুলে কথা বলে- এই ভারত আজ কেন নিম্নমানের ভিটামিন কিনতে বাধ্য করে। সে ভাল কিন্তু তার বড় বড় ভুল আজ
    Total Reply(0) Reply
  • মায়া নদী ২৪ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:২৬ এএম says : 0
    আল্লাহতালা উনা কে হায়াত দান করুন।।
    Total Reply(0) Reply
  • Motiur Rahman ২৪ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:২৬ এএম says : 1
    Our Law Enforcing Agencies become very active when someone makes any comment about the family members of Bangabandhu. Why not in case of Ershad?
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammed Shah Alam Khan ২৪ জানুয়ারি, ২০১৯, ৮:০০ এএম says : 1
    এই সংবাদটা পড়ার পর এটাই বুঝাগেল এখনও বাংলাদেশে আল্লাহ্‌ প্রদত্ত প্রেম ভালবাসা রয়েছে। বিদিশা এরশাদের লিখা যেকোন ধরনের মানুষকেই ভালবাসার অনুভতী পাইয়ে দিবে এটাই সত্য। আল্লাহ্‌র সৃষ্টি ভালবাসা এতই মধুর ও স্পর্শকাতর সেটা বিদিশার লিখার মধ্যদিয়ে প্রকাশিত হয়েছে। এরপর আল্লাহ্‌ বিদিশা এরশাদের মুখ থেকে এরাশাদের জীবন ভিক্ষার জন্যে এমনি জ্ঞানের কথা বলিয়েছেন যে আল্লাহ্‌ যাতে নরম হয়ে এরশাদের জীবনের আয়ু বাড়িয়ে দেন। এখন প্রকৃতই কি আল্লাহ্‌ এরশাদের হায়াত বৃদ্ধি করবেন কিনা সেটা একমাত্র আল্লাহ্‌ই জানেন। কিন্তু বিদিশা এরশাদের জন্যে আল্লাহ্‌র কাছে তার জীবন বৃদ্ধির যে যুক্তি দিয়ে আবেদন করেছেন সেটা খুবই জোড়ালো যুক্তি বলে আমাদের বিশ্বাস। সেটা হচ্ছে তাদের উভয়ের শিশু সন্তান এরিকের জীবনের জন্যে। এখন দেখার বিষয় আল্লাহ্‌ কি করেন। তবে আমরা অবশ্যই আল্লাহ্‌র কাছে এরশাদ চাচার দীর্ঘায়ু কামনা করতে পারি তাই আমাদের দোয়া আল্লাহ্‌ যেন তাঁকে দীর্ঘায়ু ও সুসাস্থ দান করেন যাতে করে তিনি (এরশাদ চাচা) যে নতুন দায়িত্ব নিয়েছেন দেশের বিরোধী দলের নেতা সেই দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করার সুযোগ দান করেন। আমিন
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: এরশাদ

৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
২৫ জানুয়ারি, ২০১৯
২৫ জানুয়ারি, ২০১৯
২০ জানুয়ারি, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন