Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৫ ফাল্গুন ১৪২৫, ১১ জামাদিউস সানি ১৪৪০ হিজরী।

বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় ২০৪১’র স্বপ্নপূরণ অসম্ভব

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৪ জানুয়ারি, ২০১৯, ৩:০৫ পিএম

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, বিদ্যমান শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ২০৪১ সালের স্বপ্নপূরণ অসম্ভব। তিনি বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা ধনী দেশের কাতারে যাবে। তার জন্য বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন করতে হবে। বিদ্যমান শিক্ষা কাঠামো দিয়ে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যে প্রত্যাশা করি তা সম্ভব নয়। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা টেকনোলজি বেইজড নয়। এই শিক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে, বর্তমান ও আগামীর চাহিদা পূরণ অসম্ভব। এ জন্য শিক্ষা ব্যবস্থার ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার (২৪ জানুয়ারি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কনফারেন্স কক্ষে সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল মুহিতকে বিদায়ী শুভেচ্ছা ও নতুন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালকে বরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে এনবিআর। এনবিআরের চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া পরিচালনায় এ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, আগামী ২৮-২৯ জুন জি-২০ সামিট। অথচ আমরা সেখানে আমন্ত্রণ পাইনি। তবে ২০৪১ সালে আমরা সেখানে আমন্ত্রণ পাবো। সে জন্য কাজ করতে হবে।

সাবেক অর্থমন্ত্রীর উদ্বৃতি দিয়ে মুস্তফা কামাল বলেন, মুহিত ভাই, এনবিআরকে নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে গত ১০ বছরে ৫৪ হাজার কোটি টাকা থেকে রাজস্ব আদায় ৩ লাখ কোটি টাকায় উন্নীত করেছেন। আমাদের স্বপ্ন এখন ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে দারিদ্রমুক্ত করা।

অর্থমন্ত্রী বলেন, গত ১০ বছরে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ৫৪৩ ডলার থেকে ১৭শ’ ডলারে উন্নীত হয়েছে। জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেড়েছে। এ সব কারণে গত ১০ বছরে ১৭ টি দেশকে পেছনে ফেলে ৫৮ থেকে ৪১ তম দেশে উঠে এসেছে। তিনি বলেন, মুহিত ভাই যে স্বপ্ন দেখেছিলেন আমরা সেই প্যত্যাশা পূরণ করবো। আশাকরি ২০৪১ সালে আমরা জি-২০ সামিটে অংশগ্রহণ করবো।

অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল বলেন, আবুল মাল আবদুল মুহিত অত্যন্ত ভালো মানুষ ছিলেন। সৎ, যোগ্য ও দক্ষ মানুষ ছিলেন। আমি তাকে মিস করি। যখন প্রয়োজন হবে তাঁর কাছে যাবো। তিনি বিদায় নেওয়ার আগে বলেছিলেন, আগামীতে যে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্বে আসবে তার জন্য একটি কর্মপরিকল্পনা রেখে যাবেন। আমি তার কর্মকান্ড অনুসরণ করবো উল্লেখ করেন তিনি।



 

Show all comments
  • আজিজুর রহমান ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ৭:১৮ এএম says : 0
    মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, আমাদের টেকনিক্যাল এডুকেশনকে প্রথম প্রয়োরিটি দিতে হবে।শুধুমাত্র লেখাপড়া নয়।প্রতিটি স্কুলেই কারিগরি শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এই মূহুর্তে উন্নয়ণকে সাপোর্ট দিতে হলে দক্ষ শ্রমিকের জরুরী প্রয়োজন।তাই উন্নয়ণ বিষয় ভিত্তিক সাবজেক্ট প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জরুরী অন্তর্ভূক্তি প্রয়োজন।এক্ষেতৃর আপনার আশু পদক্ষেপ প্রয়োজন।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: অর্থমন্ত্রী

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ