Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬, ২১ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরী।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রতারণামূলক -মির্জা ফখরুল

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৫ জানুয়ারি, ২০১৯, ৯:৫৯ পিএম | আপডেট : ১২:১৩ এএম, ২৬ জানুয়ারি, ২০১৯

জাতির উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্য প্রতারণামূলক বলে অভিহিত করে উল্লেখ করে তা প্রত্যাখান করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এই নির্বাচনে মানুষের মতামতের প্রতিফলন ঘটেনি এবং তারা (ক্ষমতাসীন) একটা ভয়াবহ রকমের বাংলাদেশের নজিরবিহীন ভোট ডাকাতি করেছে তা ইতিপূর্বে বাংলাদেশ কখনো দেখেনি। সেই ভোটের মাধ্যমে তারা ক্ষমতা আবার দখল করে নিয়েছেন, আবার এসছেন, এসে তারা দেশ পরিচালনা করবেন এবং বলছেন বিরোধী দলকে পার্লামেন্টে যাওয়ার জন্যে। আমি মনে করি, এটা আরো একটা প্রতারনা জনগণের সঙ্গে করা হচ্ছে, বোকা বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে মানুষকে। শুক্রবার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভাষণ দেয়ার পর মুঠোফোনে বিএনপি মহাসচিব এই প্রতিক্রিয়া দেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, কিভাবে এটাকে সংসদ হিসেবে ধরে নেয়া হবে। আমরা বলেছি, ফলাফল প্রত্যাখান করেছি। এই মুহুর্তে সংসদ যাওয়ার বা শপথ নেওয়ার প্রশ্নই উঠতে পারে না। আমরা বলেছি যে, নির্বাচন বাতিল করেন, আবার নতুন নির্বাচন দেন। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করেন, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেন। সবাই অংশগ্রহণ করবে। তারপরে যে ফলাফল আসবে সেই ফলাফলের ভিত্তিতে সংসদ এবং সরকার গঠন হবে। আমরা তো আগেই বলে দিয়েছি। নতুন করে বলার কিছু নেই।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যই মধ্যে যে ব্যাখ্যা তিনি দিয়েছেন প্রথমেই যে, কেনো তার বিজয় হলো? সেই ব্যাখ্যাই প্রমাণ করে যে তারা আসলে কোনো বিজয় অর্জন করেনি, জনগণের ভোটকে ডাকাতি করে নিয়ে গিয়ে ক্ষমতা দখল করে বসেছেন। তার (প্রধানমন্ত্রী) ব্যাখ্যাটা সেটাই প্রমাণ করে। কারণ ইতিপূর্বে আপনার কোনো ব্যাখ্যা দেয়ার প্রয়োজন হয় না। সঠিক ভোটে জিতলে কোনো ব্যাখ্যা দেয়ার প্রয়োজন হয় না। ইতিমধ্যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পত্র-পত্রিকা, মিডিয়া এবং বিভিন্ন দেশগুলো বক্তব্যের মধ্যে এসছে যে, এই নির্বাচন কখনোই গ্রহনযোগ্য নির্বাচন হয়নি এবং এখানে মানুষের মতামতের প্রতিফলন হয়নি। ভয়াবহ রকমের নজিরবিহীন ভোট ডাকাতি করেছে।



 

Show all comments
  • Mohammed Shah Alam Khan ২৫ জানুয়ারি, ২০১৯, ১১:৩৪ পিএম says : 0
    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম যিনি সাধারন মানুষের কাছে একটু হলেও সমাদৃত হতেন কারন তিনি মুক্তিযুদ্ধ করেছেন বলে দাবীদার...... আর মুক্তিযোদ্ধারা হচ্ছেন দেশের শ্রেষ্ট সন্তান...... কিন্তু এখন তার বিভিন্ন বিভ্রান্ত মূলক মিথ্যা কথা বলা দেখে মনে হচ্ছে তিনি কি আসলেও ’৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন???? নাকি জিয়া মিয়ার ’৭৮ সালে বানানো মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় (’৭১ এর পাকিদের বানানো রাজাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনীর সদস্য) ওনার নাম এসেছে??? নাকি নদীতে ডাকাতি করে মানুষের মালামাল লুটকরে সাথে সাথে রাজকারদের অস্ত্র লুট করে অস্ত্রাগারা বানানো ’৭১ সালের নদীর ডাকাত কাদের বাহীনির সদস্য হিসাবে তিনি মুক্তিযুদ্ধের সনদ পেয়েছেন???? আমি এখানে ওনাকে নিয়ে শুধু এতটুকুই বলবো উনি একজন মুসলমান তারপর উনি রাজনৈতিক দলের নেতা। এখন একজন মুসলমানের উচিৎ সবসময় সত্য বলা এবং সত্যের উপর থাকা কিন্তু উনি দেখা যাচ্ছে সত্যের ধারে কাছে নেই তাহলে প্রথমেই তিনি মুসলমানদের তালিকায় আছেন কিনা সেই প্রশ্ন এখানে এসে যায় না কি?? মুসলমান রাজনীতি করেন কিন্তু মিথ্যার উপর নয় সত্যের উপর তাদের প্রতিষ্ঠা। আমরা এর বাস্তব প্রমাণ দেখেছি ’৭১ সালে আর দেখছি ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর থেকে। আল্লাহ্‌র রহমত না থাকলে পরপর তিনিবার কোন অপশক্তি ক্ষমতায় আসতে পারেনা এটাই সত্য। এরপ্রমানো আমরা দেখেছি এই বাংলাদেশে। যেমন ’৭৫ সালে মিথ্যার উপর জিয়া মিয়া ক্ষমতায় এসে ৬ বছর পর উতখান হলেন যার লাশ নিয়ে এখনও চলছে খেলা... এরপর ভাল কিছু দেখিয়ে মিথ্যার উপর ক্ষমতায় এলেন এরশাদ মিয়া, তিনি আল্লাহ্‌কে সন্তুষ্ট করার জন্যে একটি মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ট দেশকে বিশ্ববাসীর চাপে সরাসরি মুসলিম দেশ না বলে ইসলামকে রাষ্ট্রিয় ধর্ম করলেন। কিন্তু যেহেতু তার এই প্রচেষ্টার মধ্যে স্বার্থ ছিল তাই এটাও একসময় বাতীল হলে এটাকে প্রকৃত পন্থায় জননেত্রী দলীয় প্রতিবাদের পরও একক ক্ষমতায় এই আইন পুনরায় সংসদে অনুমোদন দিয়ে আল্লাহ্‌কে খুশী করিয়েছিলেন তাই তিনি ২০১৪ সালে সার বিশ্ব তার বিপক্ষে থাকলেও তিনি আল্লাহ্‌র কৃপায় ৫ বছর সুন্দর ভাবে দেশের উন্নয়ন করে সুনাম অর্জন করেছেন এবং পুন-নির্বাচিত হয়েছেন তিনি তার সেই সত্যকে ধরে রাখতে পেরে। তাই আমি বলতে চাই বিএনপি যদি এই মুক্তিযোদ্ধাদের দেশ বাংলাদেশে রাজনীতি করতে চায় তাহলে তাদেরকে অবশ্যই মুক্তিযুদ্ধের নীতির উপর নির্ভর করে যে নীতি আল্লাহ্‌ স্বয়ং অনুমোদন দিয়েছেন সেই নীতের উপর রাজনীতি করতে হবে। তাহলেই আল্লাহ্‌র অনুগ্রহ তারা পাবেন এবং এই দেশের মসনদে বসতে সক্ষম হবেন নয়ত আমার মত একজন মুক্তিযোদ্ধার কথাই আল্লাহ্‌ বাস্তবায়িত করে বিএনপিকে এই বাংলা থেকে উৎখাত করবেন জামাতের মত করে এটাই সত্য। আল্লাহ্‌ সর্বশক্তি মান এবং আল্লাহ্‌ই সর্ববিষয়ে জানেন এটাই মহা সত্য। আমিন
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: মির্জা ফখরুল


আরও
আরও পড়ুন