Inqilab Logo

সোমবার, ১৫ আগস্ট ২০২২, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৯, ১৬ মুহাররম ১৪৪৪

বাণিজ্যমেলায় ওয়ালটনের প্রায় ১ হাজার মডেলের পণ্য

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৬ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:১০ এএম

জমে উঠেছে ২৪ তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। প্যাভিলিয়ন ও স্টলগুলো প্রতিদিনই বাড়ছে ক্রেতা সমাগম। তবে, মেলায় সর্বাধিক সংখ্যক মডেল ও পণ্য এনে চমক সৃষ্টি করায় ওয়ালটন প্যাভিলিয়নে ক্রেতা ভিড় বেশি। প্রায় ১০০ ধরণের ইলেকট্রনিক্স, ইলেকট্রিক্যাল, হোম, কিচেন, আইসিটি ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল সলিউশনস পণ্য প্রদর্শন এবং বিক্রি হচ্ছে দেশীয় প্রতিষ্ঠানটির প্যাভিলিয়নে। এসব পণ্যের রয়েছে প্রায় ১ হাজার বৈচিত্র্যময় মডেল।
সরেজমিনে দেখা গেছে, মেলায় প্রবেশ করতেই ক্রেতা-দর্শণার্থীদের দৃষ্টি কেড়েছে ওয়ালটনের দৃষ্টিনন্দন তিনতলা প্যাভিলিয়ন (নম্বর-২৩)। এরপর ভেতরে আসতেই প্যাভিলিয়নের অভ্যন্তরীন সাজসজ্জ্বা, এক্সিবিউটরদের পরিপাটি পোশাক ও মার্জিত ব্যবহার, বাহারি ডিজাইন ও রঙের সব পণ্য দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন ক্রেতারা। ইতোমধ্যে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ, ঢাকায় নিযুক্ত দুবাই এর রাষ্ট্রদূতসহ জার্মানি, ফ্রান্স ও বিভিন্ন দেশের ক্রেতা-দর্শণার্থীরা ওয়ালটন প্যাভিয়িনে এসে উচ্ছ¡াসা প্রকাশ করেছেন।
এবারের মেলায় ওয়ালটন পণ্য সম্ভারে যুক্ত হয়েছে অসংখ্য নতুন পণ্য ও মডেল। ওয়ালটন প্যাভিলিয়নের ম্যানেজার শফিকুল আলম জানান, কনজ্যুমার গুডস এর পাশাপাশি এবার প্রদর্শন ও বিক্রি হচ্ছে পণ্য উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ব্যাকওয়ার্ড লিঙ্কেজ সাপোর্ট বা মেশিনারিজ, যন্ত্রাংশ ও বিভিন্ন সেবা প্রদানের মতো ইন্ডাস্ট্রিয়াল সলিউশনস পণ্য।
প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, প্রতিবছরই মতো এবারও ক্রেতা-দর্শণার্থীদের জন্য বিশেষ চমক রয়েছে ওয়ালটন প্যাভিলিয়নে।
নতুন মডেলের পাশাপাশি ওয়ালটন প্যাভিলিয়নে প্রদর্শিত হচ্ছে বিভিন্ন পণ্যের আপকামিং মডেল।

 

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: বাণিজ্যমেলা

২২ জানুয়ারি, ২০২২
২০ জানুয়ারি, ২০২২

আরও
আরও পড়ুন

ব্যাংকগুলোর দ্রুত রফতানি আয় নগদায়নের নির্দেশ

খোলাবাজারে ডলারের দাম যখন সর্বোচ্চ ১২০ টাকায় ঠেকেছে। তখন সংকটে লাগামহীন বৈদেশিক মুদ্রা ডলারের বাজার নিয়ন্ত্রণে রোববার (১৪ আগস্ট) বিকেলে ব্যাংক প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) ও বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) সঙ্গে বৈঠকে বসে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৈঠকে চলমান সংকট নিরসনে ব্যাংক প্রধানদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি দিক নির্দেশনা দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সভাশেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, আমদানি ব্যয় কমে যাওয়ায় শিগগিরই ডলারের বাজারে স্বস্তি ফিরবে। এছাড়া ব্যাংকগুলোকে রফতানি আয়ের দ্রুত নগদ আদায়ের নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে।   গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, আমদানি-রফতানির ক্ষেত্রে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো কি দামে ডলার বেচাকেনা করছে, তার রিপোর্ট বাংলাদেশ ব্যাংকে দেয়ার নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে। এ সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা মেনে চলার কথা জানান ব্যাংকাররা।   এ দিকে রোববার (১৪ আগস্ট) খোলাবাজারে ডলারের দাম পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বর্তমানে কার্ব মার্কেটে ডলার বিক্রি হচ্ছে ১১২ থেকে ১১৪ টাকায়। মতিঝিলের কয়েকটি মানি এক্সচেঞ্জের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে তারা ১১০ থেকে ১১১ টাকা দরে ডলার কিনছে এবং বিক্রি করছে ১১২ থেকে ১১৪ টাকা দরে। তবে ডলার ব্যবসায়ীরা বলছেন, দাম কমায় বলা যাবে না বাজার স্থিতিশীল হয়েছে। যতদিন না টাকার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাড়ছে, বাজার স্থিতিশীল হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত ডলারের বাজার দোদুল্যমান থাকার শঙ্কা করেছেন ব্যবসায়ীরা।  

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ