Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৫ এপ্রিল ২০১৯, ১২ বৈশাখ ১৪২৬, ১৮ শাবান ১৪৪০ হিজরী।

বিভাজন রেখার বিলুপ্তি এবং জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার এটিই সুবর্ণ সুযোগ

মোবায়েদুর রহমান | প্রকাশের সময় : ২৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:০৩ এএম

নির্বাচন সম্পর্কে দেশে এবং বিদেশে যত বিরূপ মন্তব্যই হোক না কেন, কঠোর বাস্তব হলো এই যে, নির্বাচন হয়ে গেছে। সব দল এই নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেছে। প্রধান বিরোধী দল বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট এবং ২০ দলীয় জোট শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত নির্বাচনে থেকেছে। একথা ঠিক যে শতাধিক ক্যান্ডিডেট বেলা ১২ টার মধ্যেই নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। কিন্তু দলীয়ভাবে বা জোটগতভাবে নির্বাচন বর্জনের কোনো ঘোষণা আসেনি। যিনি যেভাবেই বলুন না কেন, সাংবিধানিক এবং আইনি অবস্থান এই যে, এই নির্বাচন বৈধতা পেয়েছে। শুধুমাত্র মুখে বললেই হবে না যে, আমরা এই নির্বাচন মানিনা, আমরা এই পার্লামেন্ট মানিনা, আমরা এই সরকার মানিনা। কঠিন বাস্তব হলো এই যে, বিরোধী দল বিশেষ করে বিএনপি এবং ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে কোনো হরতাল ঘেরাও বা এই ধরণের কোনো কঠোর কর্মসূচি দেয়নি। নির্বাচন হয়েছে ঠিক এক মাস আগে। এই এক মাসের মধ্যে দুই একটি প্রেস কনফারেন্স ছাড়া ড. কামাল হোসেন বা মির্জা ফখরুল নতুন নির্বাচনের দাবিতে কোনো রকম কর্মসূচি দেননি।
এর মধ্যে ২৯০ জনেরও বেশি সংসদ সদস্য শপথ গ্রহণ করেছেন। মন্ত্রিসভা গঠিত হয়েছে। দু দিন পরে নবগঠিত পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশন বসবে। রাষ্ট্রপ্রধান যথারীতি সংসদে ভাষণ দেবেন। তারপর সংসদ স্বাভাবিক গতিতে তার কাজ কর্ম শুরু করবে। ঐ দিকে নির্বাচন এবং সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছে ভারত, চীন, রাশিয়া, ইরান, পাকিস্তান, ওআইসি সহ অনেক দেশ এবং সরকার। আমেরিকা নির্বাচনে ত্রুটি আছে বললেও এবং সেই সব ত্রুটির তদন্ত দাবি করলেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। কারচুপি , ভোট ডাকাতি, পুলিশের ভোট দেওয়া, এজেন্টদেরকে বের করে দেওয়া এসব হাজারও অভিযোগ করা সত্তে¡ও সরকার অত্যন্ত দৃঢ় অবস্থানে আছে। এ সরকারের প্রতি বিরোধী দলের তরফ থেকে কোনো হুমকি নাই। কোনো দৈব দুর্বিপাক অথবা কোনোরূপ অস্বাভাবিক বা অলৌকিক ঘটনা ছাড়া এই সরকার আগামী ৫ বছরের জন্য দেশ শাসন করবে।
এই নির্বাচনের মাধ্যমে আর একটি বিষয় আরও স্পষ্ট ভাবে সামনে এসেছে। সেটি হলো, শেখ হাসিনা শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীই নন, তিনি বাংলাদেশের একচ্ছত্র নেতা। তিনি সমস্ত ক্ষমতার অধিকারী। কে বিরোধী দলে যাবে বা যাবে না সেটিও তিনিই ঠিক করে দিচ্ছেন। সুতরাং বিএনপির ৬ জন ও গণফোরামের ২ জন মোট ৮ জন ছাড়া ২৯২ জনই শেখ হাসিনার প্রতি অনুগত। শেখ হাসিনা যেভাবে চাইবেন সেভাবেই দেশ চলবে এবং তিনি দেশ চালাতে পারবেন। আমি এতগুলো কথা বললাম এজন্য যে, নির্বাচনের পরে যে অস্বাভাবিক শান্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং শেখ হাসিনা যে আন চ্যালেঞ্জনড পাওয়ার নিয়ে এবার ক্ষমতায় বসেছেন সেই পটভূমিতে এই দেশ এবং এই দেশের মানুষের জন্য অনেক কিছু করার বিরাট সুযোগ এখন তার সামনে উপস্থিত। তিনি চাইলে এখন দেশটির চেহারাই পাল্টে দিতে পারেন। সুযোগ সব সময় আসেনা। এবার তার সামনে এসেছে দেশ সেবার, জনগণের সেবার এবং দেশকে উল্লম্ফন গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ। দেশবাসী আশা করে যে, তিনি সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করবেন।
দুই
প্রথমেই রাজনৈতিক ফ্রন্ট। নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মন্ত্রিসভার সদস্যগণকে সততা এবং ত্যাগের মনোভাব নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি তাদেরকে সব রকম দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থাকতে বলেছেন। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধান মন্ত্রী বলেছেন যে, দেশ শাসনের বেলায় সব মানুষকে সমান চোখে দেখা হবে। প্রধানমন্ত্রীর এসব বক্তব্য প্রশংসাযোগ্য। তিনি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এ পর্যন্ত যতগুলো কথা বলেছেন সেই সব কথা যদি কাজে পরিণত করতে পারেন তাহলে তার সরকারের বিরুদ্ধে অতীতে যত রকম মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে সেগুলির অনেকটাই মুছে যাবে এবং নতুন করে এই সরকারের ইতিহাস লিপিবদ্ধ হওয়া শুরু হবে। আর সেটা করতে গেলে সবচেয়ে আগে যেটা প্রয়োজন সেটা হলো, প্রধানমন্ত্রীর মনে একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা। আমার তো মনে হয়, তার এই মানসিক রূপান্তর ঘটা খুব কঠিন কোনো বিষয় নয়। কারণ এ পর্যন্ত তিনি ১৫ বছর প্রধানমন্ত্রী থেকেছেন। এবারে যে মেয়াদ শুরু করলেন সেটা পূর্ণ হলে তিনি ২০ বছরের মেয়াদ পূরণ করবেন। এবার তার ২০ বছরের প্রস্তাবিত শাসনের ১৫ তম বছর শুরু হলো। তার এই মেয়াদ শেষ হলে তার বয়স ৭৭ অথবা ৭৮ হবে। অর্থাৎ তিনি ৮০ বছরের কাছা কাছি চলে যাবেন। মানসিক পরিবর্তনের এটিই সময় এবং দেশের আমুল পরিবর্তনের এটিই সুর্বণ সুযোগ।
সব মানুষের চোখে যেটা দৃশ্যমান সেটা হলো এই যে, তার সামনে তো বস্তুত কোনো বিরোধী দল নাই। সংসদে তো নাইই, সংসদের বাইরেও নাই। বিরোধী দলের সবচেয়ে বড় দুই নেতা, যাদের ক্যারিশমাও আছে, তাদের একজন লন্ডনে। তিনি যাবজ্জীবন সাজা প্রাপ্ত ব্যক্তি। এই সরকার তাকে আসতে না দিলে তার পক্ষে দেশে ফেরার কোনো চান্স নাই।
আর এক ব্যক্তি হলেন লন্ডনে অবস্থানরত ঐ নেতার মাতা। তিনি ১০ বছরের কারাদন্ড নিয়ে নাজিমুদ্দিন রোডে অবস্থিত প্রাক্তন কারাগারে ব্যক্তিগত পরিচারিকা নিয়ে নির্জন কারাবাস করছেন। তার অপর পুত্র আরাফাত রহমান কোকো ইন্তেকাল করেছেন। তারেক রহমান এবং আরাফাত রহমান উভয়েরই স্ত্রী দেশের বাইরে। সুতরাং বলা যায় যে, শেখ হাসিনার সামনে এই মুহুর্তে ফরমিডেবল কোনো প্রতিদ্ব›িদ্ব নেতা নাই। এগিয়ে যাওয়ার জন্য শেখ হাসিনার পক্ষে মাঠ সম্পূর্ণ ফাঁকা। এখন বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের মন জয়ের জন্য শেখ হাসিনার সামনে এক বিরাট সুযোগের দ্বার উদঘাটিত হয়েছে।
এখনও বিএনপির হাজার হাজার কর্মী মামলা এবং হামলায় জর্জরিত। এখনও মামলা এবং গ্রেফতার চলছে। এই তো ৭ দিন আগেও বগুড়ার শিবগঞ্জ বিএনপির সভাপতি শাহে আলমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই সব গ্রেফতার এখন কি না করলেই চলে না? এখনও বিএনপির হাজার হাজার নেতা কর্মী হয় কারাগারে, না হয় পলাতক জীবন যাপন করছেন। নির্বাচনের সপ্তাহ দুইয়েক আগে অনেকে আন্ডার গ্রাউন্ড থেকে বেরিয়ে এসে ইলেকশনে অংশ গ্রহণ করেছিলেন । কিন্তু দু চার দিন যেতে না যেতেই দেখা গেল পুলিশ তাদেরকে দৌড়ের ওপর রেখেছে। ফলে এই শত শত ও হাজার হাজার কর্মীকে আবার আন্ডার গ্রাউন্ডে যেতে হয়েছে। ইলেকশনের পর যারা ভেবে ছিলেন যে, এখন আর পুলিশ কোনো কিছু করবে না, তখন তারা আত্মগোপন থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন। বেরিয়ে এসে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে নিম্ন আদালতে আত্ম সমর্পণ করেছিলেন। কিন্তু নিম্ন আদালত তাদের অধিকাংশকেই জামিন দেয়নি। ফলে তাদের অনেককেই শ্রী ঘরে ঢুকতে হয়েছে। আর এই অবস্থা দেখে অন্যেরা জামিন চাইতেও সাহস পাননি। ফলে আবার সেই পলাতক জীবন।
তিন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কি পারেন না এই সব মামলা এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা তুলে নিতে? প্রথম দফায় তিনি সমস্ত গায়েবি মামলা তুলে নিতে পারেন। গায়েবি মামলা যে আছে সেটি তো এর মধ্যে অনেক গুলো কেসে প্রমাণিত হয়ে গেছে। গত ২৫ জানুয়ারি ইংরেজি ডেইলি স্টারের প্রথম পৃষ্ঠায় একটি বড় ছবি প্রকাশিত হয়। ছবিতে দেখা যায় এক ভিক্ষুক। তার ডান হাত সম্পূর্ণ শুকিয়ে গেছে। এই হাত সম্পূর্ণ অচল। বাম হাতও আধা পঙ্গু। বাম হাত দিয়েও সে ভাত তুলে খেতে পারে না। সেই ব্যক্তিকে বোমা হামলার মামলায় আসামী করা হয়েছিল। ঐ ভিক্ষুক জামিনের জন্য যখন উচ্চ আদালতের বিচারপতির সামনে হাজির হয় তখন বিচারপতির মুখ বিস্ময়ে বিস্ফারিত হয়। এমন ব্যক্তি কি কোনো দিন বোমা ছুঁড়তে পারে? তাই তার তাৎক্ষণিক জামিন হয়ে যায়। অনেক মৃত ব্যক্তি অথবা কয়েক বছর ধরে বিদেশে অবস্থান করছেন, এই ধরণের ব্যক্তিকেও আসামী করা হয়েছে। এই সব জামিন তো ২৪ ঘন্টার মধ্যেই দেওয়া যেতে পারে। এছাড়া শত শত ব্যক্তি কারাগারে আছেন, যাদের বিরুদ্ধে কোনো কেস দাঁড় করানো সম্ভব হচ্ছে না। তাদেরকেও তো ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া যেতে পারে। অসংখ্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় অতীতে কোনো রেকর্ড নাই। এবারও তাদের বিরুদ্ধে অপরাধের সপক্ষে কোনো প্রমাণ নাই। অথচ তারা বছরের পর বছর নিজের বাড়ী থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। এই সব লোকের মামলা এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা মুহুর্তের মধ্যে উঠিয়ে নেওয়া যেতে পারে। অবিলম্বে যদি এই সব পদক্ষেপ নেওয়া হয় তাহলে বেশ কয়েক হাজার ব্যক্তি বাইরে এসে মুক্ত বায়ু সেবন করতে পারে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তথা পুলিশ ভাল ভাবেই জানে যে, যে সব হাজার হাজার ব্যক্তি বছরের পর বছর ধরে আত্মগোপনে আছে অথবা যারা বিনা বিচারে দীর্ঘ দিন ধরে কারাবাস করছে তারা এই বছরের পর বছর কোথাও কোনো সন্ত্রাসী বা অপরাধমূলক কাজ করেনি। এসব লোককে মুক্ত মানব হিসাবে বিচরণ করতে দিলে প্রধান মন্ত্রীর যেমন লাভ হবে তেমনি তাদেরও লাভ হবে। কারণ সরকারের ওপর থেকে তাদের ক্রোধ এবং বিদ্বেষ কমে যাবে এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রতি পরোক্ষভাবে হলেও তাদের একটি দুর্বলতা জন্মাবে। আর একটি বিষয় হলো এই যে, ২০১৫ সালের আন্দোলনের সময় যেসব নাশকতার মামলা দায়ের করা হয়েছিল তার অনেক গুলো মামালা বিগত নির্বাচনের আগে পুনরুজ্জীবিত করা হয়। গত নির্বাচনের আগেও হাজার হাজার মামলা হয়েছে। এখন যদি এসব মামলা প্রত্যাহার করা না হয় তাহলে একটা ধারণা থেকে যাবে যে পরবর্তী নির্বাচনে এই সব মামলাকে হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করা হবে।
বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর পিতা মরহুম শেখ মুজিবুর রহমান মাত্র সাড়ে ৩ বছরের শাসনামলে রাজাকার, আল বদর এবং পাকিস্তান পন্থীদেরকে ক্ষমা করে দেন। তার উদ্দেশ্য ছিল জাতির মধ্যে বিভাজন রেখা উঠিয়ে দিয়ে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করা। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিজে একজন মুক্তিযোদ্ধা হয়ে সাধারণ ক্ষমার আওতায় অনেক পাকিস্তানপন্থীকে তার প্রশাসনে জড়িত করেন। এর ফলে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে ওঠে এবং প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতায় পরিণত হন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার নেলসন ম্যান্ডেলা যদি বিভাজন রেখা অব্যাহত রাখতেন তাহলে হয়তো আবার গৃহযুদ্ধ হতো, আবার রক্তক্ষয় হতো।
উদাহরণ আর বাড়াতে চাই না। সমগ্র বাংলাদেশি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে, বিরাজমান বিদ্বেষ দূর করে একটি শক্তিশালি জাতি গঠনের জন্য শেখ হাসিনার সামনে সুবর্ণ সুযোগ উপস্থিত। আশা করি, তিনি সেই সুযোগের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করবেন।
journalist15@gmail.com



 

Show all comments
  • Mohammad Shah Zalal ২৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ২:৩২ এএম says : 0
    বিরোধী দল সরকারের জন্য হুমকি না হলেও সরকারি দলের লোকজন কিন্তু ভয়ে আছে, তারা বলছে যত বড় জয় তত বড় সংকট, কথাটা মনে রাইখেন।
    Total Reply(0) Reply
  • Shahed Mohammad ২৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ২:৩৩ এএম says : 0
    আপনি একজন স্বনামধন্য রাজনৈতিক বিশ্লেষক কিন্তু আপনি আজ যে বিশ্লেষণ করছেন তা অনেকটা ধান ভাঙতে গিয়ে শিবের গীত গেয়েছেন .
    Total Reply(0) Reply
  • M Rahman ২৮ জানুয়ারি, ২০১৯, ৯:২৫ পিএম says : 0
    Many thanks for your wisdom
    Total Reply(0) Reply
  • দানেয়েল নোভা ২৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৩০ এএম says : 0
    বাস্তবতার নিরীখে বিশ্লেষণ। সরকার চাইলে আমলে নিয়ে দেশের কল্যাণে কাজ করতে পারে।
    Total Reply(0) Reply
  • নির্বাক পথিক ২৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৩১ এএম says : 0
    কিন্তু প্রশ্নু হলো- অবৈধভাবে ক্ষমতায় আসা একজন প্রধানমন্ত্রীর আদৌ কি সেই ভালো ইচ্ছাটা আছে। তিনি কি ঐক্য বাস্তবিক পক্ষে চান? মুখে তো উনি অনেক কিছুই বলেন।
    Total Reply(0) Reply
  • দু:স্বপ্ন ২৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৩৩ এএম says : 0
    ঠিক, শেখ হাসিনা চাইলে এখন দেশে যেমন ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে পারেন। আবার চাইলে তিনি দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারেন, সর্বপরি দেশের কল্যাণে এককভাবে কাজ করতে পারেন।
    Total Reply(0) Reply
  • A Z Nasim Ratul ২৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৩৩ এএম says : 0
    আচ্ছা, আমার ১টা প্রশ্ন... এই নির্বাচনের পর সংবিধানমতে বিরোধী দল কারা...... ?
    Total Reply(0) Reply
  • রইসুদ্দিন ২৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৩৪ এএম says : 0
    দারুন নির্বাচন, এ রকম নির্বাচন আমার জীবনে দেখিনি। সত্যি অবাক করার মত নির্বাচন।
    Total Reply(0) Reply
  • নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ২৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৩৪ এএম says : 0
    কিভাবে সম্ভব। বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্কময় নির্বাচনের কলঙ্ক তিলক এখন আওয়ামী লীগের ললাটে।
    Total Reply(0) Reply
  • নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ২৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৩৫ এএম says : 0
    নির্লজ্জ আওয়ামী সরকার জাতিকে নজিরবিহীন কলঙ্কিত নির্বাচন উপহার দিলো।
    Total Reply(0) Reply
  • Habibur ২৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৩৫ এএম says : 0
    মুক্তিযুদ্ধের প্রথম এবং প্রধান চেতনা ছিল গনতন্ত্র। আজ সে গনতন্ত্রকে কোথায় নিয়ে গেল তথাকথিত সেই চেনতা রক্ষাকরী দল।
    Total Reply(0) Reply
  • nurul absar hussain ২৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৩৬ এএম says : 0
    ভায়েরা এই সব আলোচনা মন্থব্য শুধু সময় ক্ষয়ের জন্য আসল কথা হইলো আমাদের জনগণ। আওয়ামী লিগ কেমন নির্বাচন করিয়াছে তাহাদের ভবিষ্যত কি ওই গুলি নিয়া কোনো ভবিষ্যতবাণী কাজ করিবেনা. আসলে খারাপ দেশের বিচক্ষণ???? অশিক্কিত্ত অর্ধশিক্ষিত ভীষণ শিক্ষিত জনগণ। আওয়ামী লিগ বুজিয়া গিয়াছে এই খানে জনপ্রিয়তা খুব ক্ষণস্থায় টিক আমাদের দেশের অধিকাংশ লোকের চিন্তার মত. আমরা সরকার বানায় ২/৩ অংশ লোকেরসমর্থন নিয়া আর কয়েক মাসের মধ্যে আমাদের ওই সরকার ভালো লাগেনা. তাই খালেদা জিয়া বলিয়াছে যত কাজ করেন ঐটা কেহ দেখিবেনা একবার আমাদের একবার তোমাদের। হাসিনা বুঝিয়াছে গতবার তাহার ছিল এইবার তাহার হইবেনা. জনগণ যেমন ১৯৯৬ এর নির্বাচন ভুলিয়া গিয়াছে তাহাদের ২০০১ সনে নির্বাচিত করিয়াছে হাসিনাকে ও এইবার না চাহিলেও আগামী বার নির্বাচন করিবে। আর এর মাঝে এই নির্বাচনের মাধ্যমে যতদিন থাকা যাই ঐটা বোনাস।
    Total Reply(0) Reply
  • Mamun Al Rashid ২৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৩৭ এএম says : 0
    বিভাজন আরও বেড়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচে কলঙ্কময় নির্বাচন এটি।কি লজ্জা!!! সভ্য দেশে এ কেমন নিরলজ্জতা??
    Total Reply(0) Reply
  • Kamrul Hasan ২৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৩৮ এএম says : 0
    ইতিহাস থেকে আমরা শিক্ষা গ্রহন করিনা, দেশ প্রেম থেকে দল, ব্যাক্তি বড় হয়ে দাড়িয়েছে। দলের পেটুয়া স্বার্থ বাজ লোকজন মনে করে, যে যাই বলুক যত দিন ক্ষমতা তত দিন টাকা টাকা টাকা। রাজনীতি হচ্ছে ব্যবসা। তবে এবার ইনভেষ্ট কম লাভ বেশি। জনগণ ত খেলনা। তবে ব্যক্তিগত ভাবে আমি আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি বা দল এর নিকট এটা আশা করিনি। অপনি অধম হইলে আমি উত্তম হতে পাড়ি না।
    Total Reply(0) Reply
  • aulad ২৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৩৮ এএম says : 0
    আমি ঢাকায় অথচ খবর নিয়ে জানতে পারলাম আমার ভোটটি দেওয়া হয়ে গেছে। আমার ভোট শেরপুর সদর-১ আসনের। আমাদের কেন্দ্রে আওয়ামীলীগের কর্মীরা প্রতি জনে ১৫০-২০০ করে সিল মেরে ভোট কাষ্ট করে। সেখানে কোন সাংবাদিক নেই। প্রশাসনের লোকেরা ছিল নিশ্চুপ।
    Total Reply(0) Reply
  • নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ২৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৩৮ এএম says : 0
    এরশাদ, খালেদা, ও হাসিনা এই তিন জনের মধ্যে মিল কোথায় ?? তিন জনই ক্ষমতা ও সম্পদের জন্য সংবিধান কে নিজের মত করে Modify করছে এবং একতরফা নির্বাচন করছে ।
    Total Reply(0) Reply
  • M Delwar Hossain ২৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৩৯ এএম says : 0
    I think all the top leader's of AL should be brought to justice; they will be in trial for such a manipulated election; as election was illegitimate this govt is also illegitimate - illegetimate holding of power; wasting of people's fund, klling democracy.
    Total Reply(0) Reply
  • নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ২৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৪০ এএম says : 0
    বাংলাদেশকে একটা উৎসব থেকে বঞ্চিত করলো সরকার। আওয়ামীলীগের মতো ঐতিহ্যবাহী দল ভোটারবিহীন এই নির্বাচনী তামাশাটা না করলেও পারতো । এমন গনতন্ত্র চর্চা আওয়ামীলীগের কাছে অন্তত আশা করেনি জন্মলগ্ন থেকে আওয়ামীলীগের আর্দশে বিশ্বাস করে এমন অনেক মানুষ, এ ভোটের খেলায় তারা ক্ষুব্ধ । দেশের অধিকাংশ সচেতন নাগরিক তাদের নূন্যতম নাগরিকত্ব ফলানোর যে জায়গা সেটা থেকে বঞ্চিত হলো, তারা জানলো না কেমন মানুষটি তাদের জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলো । । ইচ্ছাকৃতভাবে গনতন্ত্রকে কলংকিত করলো আওয়ামীলীগ। গনতন্ত্রকে বালুর ট্রাক আর হাসপাতালে বন্দি করে যে গ্রহনযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়, সেটা অন্য সবার মতো সরকার ও আওয়ামীলীগও ভালো করে জানে। তবে কেন এত আয়োজন ??
    Total Reply(0) Reply
  • turab amin ২৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৪১ এএম says : 0
    I think BD is nt ready for democracy yet otherwise we wouldnt elect those corrupted and power loving so called leaders again and again. why not we atleast try for once like INDIA and vote a new leader.
    Total Reply(0) Reply
  • ROB ২৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৪১ এএম says : 0
    This election makes Jamat strongest in the history of Bangladesh! They may build govt after 5-10 years if Hasina can continue 5 years after this election and make BNP more vulnerable! So Hasina and India is making Jamat more and more strong unfortunately!
    Total Reply(0) Reply
  • nasiruddin ২৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৪২ এএম says : 0
    আগে বলতে শুনেছি আমার ভোট আমি দেবো, যাকে খুশী তাকে দিবো । কিন্তু বর্তমান আওয়ামীলীগ এটাকে উল্টো দিকে নিয়ে গেছে। তারা বলে আমার ভোট আমি দেবো, তোমার ভোটও আমি দেবো।
    Total Reply(0) Reply
  • তাসলিমা বেগম ২৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:৪৩ এএম says : 0
    সুস্থ মস্তিষ্কের যে কোন মানুষ যার এতটুকু নীতি নৈতিকতা আছে সে-ই এই নির্বাচনকে কলংকিত বলতে বাধ্য। এভাবে নজিরবিহীনভাবে মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেয়ার অধিকার কারো নেই কিন্তু সেটাই হয়েছে। এ অবস্থায় ঐক্য কিভাবে সম্ভব।
    Total Reply(0) Reply
  • Hassan Mnunnu ২৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ২:৩৩ এএম says : 0
    ভাই এডমিন আপনি খুব সুন্দর করে লিখেছেন যার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ কিন্তু আসল সত্য হলো শেখ হাসিনার মনে খুব হিংসা উনি জাতিয় ঐক্যর রাজনিতি করতে পারবেন না কারন উনি হিংস্র জীবের মোত রাজনিতি করেন এটা তার জন্য অসম্ভব। তবে আপনার পরামর্ষের জন্য ধন্যবাদ
    Total Reply(0) Reply
  • প্রজম্মের ভাবনা ২৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ২:৩৩ এএম says : 0
    ভোট যে ডাকাতি হয়েছে এই নিরেট সত্যকে এডিয়ে যাওয়া সম্ভব নয় ।।
    Total Reply(0) Reply
  • শফিউর রহমান ২৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১১:৫৭ এএম says : 0
    এক কথায় প্রকাশ হলো ঘুমের মানুষকে জাগানো যায়, কিন্তু জাগা অবস্হায় চোখ বন্ধ করে থাকা ঘুমের মানূষকে জাগানো যায়না ।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ঐক্যবদ্ধ


আরও
আরও পড়ুন