Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ০৭ কার্তিক ১৪২৬, ২৩ সফর ১৪৪১ হিজরী

যোগীর ঘাঁটিতেই প্রার্থী

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:০২ এএম

উত্তরপ্রদেশে ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত পূর্বের দায়িত্ব নিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভাদরা। যোগী আদিত্যনাথ, নরেন্দ্র মোদীর মতো গেরুয়া শিবিরের হেভিওয়েট প্রার্থীরা নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন এই এলাকা থেকে। এমন সময়ে পূর্ব উত্তরপ্রদেশের প্রিয়াঙ্কাকে সেনাপতি হিসেবে পেয়ে উচ্ছ্বচসিত কংগ্রেস সমর্থকরা। আগামী ৪ আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেবেন তিনি। এর মধ্যেই প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে গোরক্ষপুরে প্রার্থী করার জোর দাবি উঠল সংশ্লিষ্ট এলাকার কংগ্রেস নেতৃত্বের পক্ষ থেকে।
রোববার প্রিয়াঙ্কার পোস্টার বের করে মিছিল করেন গোরক্ষপুরের কংগ্রেস সমর্থকরা, তাদের স্লোগান ছিল, ‘গোরক্ষপুরের ডাক, এবার প্রিয়াঙ্কা গান্ধী সাংসদ হোন।’ পোস্টারে তাকে ঝাঁসির রানি বানানো হয়েছিল।
গোরক্ষপুরে কংগ্রেসের নেতা আনওয়ার হুসেন বলেন, ‘এর আগে আমরা চাইছিলাম ওনাকে (প্রিয়াঙ্কা) সহ সভাপতি করা হোক। আমরা খুশি যে দল আমাদের দাবি মেনে নিয়েছে। এবার আমরা চাই, ওনাকে সাংসদ করা হোক।’
এ বিষয়ে শীর্ষ নেতৃত্বও চিন্তা ভাবনা করছে বলে কংগ্রেস সূত্রে জানা গেছে। গোরক্ষপুর উগ্রবাদী হিন্দুদের সংখ্যা বেশী। সেখানে বিজেপি থেকে এবারও প্রার্থী হওয়াটা প্রায় নিশ্চিত বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের। তাকে মোকাবেলা করার জন্য প্রিয়াঙ্কা হতে পারেন মোক্ষম চাল। যোগীর মতো ধর্ম কেন্দ্রিক রাজনীতিবিদের বিরুদ্ধে প্রার্থী হিসেবে প্রিয়াঙ্কার চেয়ে ভালো বিকল্প আর কেউ হতে পারবে না সেখানে।
এদিকে, তিন রাজ্যের বিধানসভা ভোটে জয়ের পর এই রোববার ছত্তীসগড় সফরে গিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি। সেখান থেকে তিনি ফিরে এলে এই বিষয়ে আলোচনা হতে পারে ধারণা করা হচ্ছে। ছত্তীসগড়ের জনসভায় কার্যত লোকসভা ভোটের প্রচারের দামামা বাজিয়ে দিয়েছেন রাহুল গান্ধী। প্রতিশ্রুতি দিলেন গরিবদের ন্যূনতম আয়ের নিশ্চয়তার। ঘোষণা করতে গিয়ে বলেন, ‘কংগ্রেস এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কংগ্রেস ক্ষমতায় এলেই গরিবদের ন্যূনতম আয় নিশ্চিত করবে। দেশের প্রতিটি গরিব মানুষ কমপক্ষে একটি নির্দিষ্ট আয়ের নিশ্চয়তা পাবেন। এর অর্থ, দেশে আর কোনও গরিব মানুষ থাকবে না।’ পরে টুইটেও রাহুল লেখেন, ‘এটা আমাদের প্রতিশ্রুতি এবং লক্ষ্য।’
প্রসঙ্গত, ১৯৭১ সালের লোকসভা ভোটেও ইন্দিরা গাঁধীর স্লোগান ছিল, ‘গরিবি হঠাও’। এতে ভর করেই কংগ্রেস সেই ভোটে বিপুল সাফল্য পায়। পরে সেই ‘গরিবি হঠাও’ নিয়ে অনেক বিতর্ক হলেও ইন্দিরার উদ্দেশ্য নিয়ে কেউ কোনও প্রশ্ন তুলতে পারেননি। রাহুলের এ দিনের ঘোষণায় ইন্দিরার সেই ‘গরিবি হঠাও’য়ের প্রতিধ্বনি দেখছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একটা বড় অংশ। সূত্র: টিওআই।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ