Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২০, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭, ২৪ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী
শিরোনাম

দুদক চেয়ারম্যানের প্রতিনিধিসহ চারজনকে হাইকোর্টে তলব

নিরপরাধ জাহালম তিন বছর ধরে কারাগারে

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৯ জানুয়ারি, ২০১৯, ১২:০২ এএম

আসামীর বদলে নিরপরাধ মানুষকে কারাগারে রাখায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদের প্রতিনিধিসহ চারজনকে হাইকোর্ট তলব করেছেন। গতকাল ২৮ জানুয়ারী একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত ‘স্যার, আমি জাহালম, সালেক না’ শীর্ষক প্রতিবেদন ‘তিন বছর ধরে কারাগারে রয়েছেন নিরীহ জাহালম’ প্রকাশ হওয়া খবর আদালতের নজরে আনলে তাদের হাইকোর্ট তলব করে।
সোনালী ব্যাংকের সাড়ে ১৮ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় গ্রেপ্তার পাটকল শ্রমিক জাহালমের আটকাদেশ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে জাহালমের গ্রেপ্তারের ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে দুদক চেয়ারম্যানের প্রতিনিধি, মামলার বাদী দুদক কর্মকর্তা, স্বরাষ্ট্রসচিবের প্রতিনিধি ও আইনসচিবের প্রতিনিধিকে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায় সশরীরে আদালতে হাজির থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে সোমবার এই আদেশ দেন।
শুনানির সময় রাষ্ট্রপক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। খোঁজ নিয়ে জানা যায় আবু সালেক নামের একজনের বিরুদ্ধে সোনালী ব্যাংকের প্রায় সাড়ে ১৮ কোটি টাকা জালিয়াতির ৩৩টি মামলা হয়েছে। কিন্তু আবু সালেকের বদলে জেল খাটছেন, আদালতে হাজিরা দিয়ে চলেছেন এই জাহালম। আবু সালেকের চেহারার সঙ্গে শ্রমিক জাহালমের চেহারার মিল থাকায় তাকে তিন বছর আগে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়। তার কারাবাসের তিন বছর পূর্ণ হবে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি। দুদক এখন এখন বলছে, জাহালম নিরপরাধ প্রমাণিত হয়েছেন। তদন্ত করে একই মত দিয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনও। একটি মামলায় তাঁর জামিন হয়েছে। আরও ৩২টি মামলায় জামিনের অপেক্ষায় রয়েছে জাহালম।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অমিত দাশ গুপ্ত জানান, দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত ‘স্যার, আমি জাহালম, সালেক না’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনটি তিনি আদালতের নজরে আনেন। শুনানি নিয়ে আদালত স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে জাহালমের আটকাদেশ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। চার সপ্তাহের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে বলেছেন হাইকোর্ট।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: দুদক


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ