Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬, ২৪ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

রাজাপুর ও কাঠালিয়া থেকে ধর্ষন মামলার দুই আসামীর লাশ উদ্ধার

রাজাপুর ( ঝালকাঠি) উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ৫:৫৮ পিএম

আবারো স্বীকারোক্তি লেখা ধর্ষণ মামলার এক আসামির লাশ ঝালকাঠির রাজাপুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার দুপুরে উপজেলার আঙ্গারিয়া গ্রামের পরিত্যাক্ত একটি ইটভাটার পাশ থেকে রাকিব হোসেন মোল্লা (২৮) নামে ওই যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়।

তার গলায় ঝোলানো ছিল ‘ধর্ষকরা সাবধান’।

রাকিব পার্শ্ববর্তী পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার ভিটাবাড়িয়া গ্রামের কালাম মোল্লার ছেলে। রাকিব ঢাকার একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে পড়তেন। সে ভান্ডারিয়া থানার একটি ধর্ষণ মামলার আসামি। এক সপ্তাহ আগে গত ২৬ জানুয়ারি কাঁঠালিয়ার বীণাপানি গ্রামের একটি মাঠ থেকে এ মামলার অপর আসামি সজল জোমাদ্দারের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

রাজাপুর থানার ওসি জাহিদ হোসেন জানান,আজ ১ ফ্রেব্র্রুয়ারী দুপুরে রাজাপুর উপজেলার আঙ্গারিয়া গ্রামের একটি ইটভাটার পাশে রাকিবের লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয় । রাজাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাথায় গুলিবিদ্ধ ও শরীরের বিভিন্নস্থানে ক্ষত অবস্থায় তাঁর লাশ উদ্ধার করে। নিহতের বুকে লেমিনেটিং করা একটি কাগজে লেখা ছিল ‘আমি পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ার কারিমা আক্তারের ধর্ষক রাকিব। ধর্ষণের পরিণতি ইহাই।
ধর্ষকরা সাবধান। হারকিউলিস। লেখা ছিল।’ খবর পেয়ে ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া সার্কেল) মো. মোজাম্মেল হক রেজা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
ভান্ডারিয়া ও রাজাপুর থানা পুলিশ জানায়, গত ১২ জানুয়ারি সকাল ১১টার দিকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার নদমুলা গ্রামের বাড়ি থেকে পাশের হেতালবুনিয়া নানা বাড়ি বেড়াতে যাওয়ার পথে এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে তুলে নিয়ে পানের বরজের ভেতর ধর্ষণ করা হয়। এ মামলায় সজল ও রাকিবকে আসামি করে ১৪ জানুয়ারি ভান্ডারিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের হয়।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: লাশ উদ্ধার


আরও
আরও পড়ুন