Inqilab Logo

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২১, ১৪ মাঘ ১৪২৭, ১৪ জামাদিউস সানী ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

ইন্দোনেশিয়ার অত্যাধুনিক নতুন রেলকোচ দেশে

প্রতিস্থাপনের জন্য পাঠানো হবে সৈয়দপুর

বিশেষ সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:০৪ এএম

সর্বাধুনিক ও ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার গতির ১৫টি হাইস্পিড রেলকোচ ইন্দোনেশিয়া থেকে বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে। দুই দিন আগে আসা কোচগুলো গতকাল শুক্রবার চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ঢাকার পথে রওনা করে। এরপর কোচগুলো নেওয়া হবে সৈয়দপুর। সেখানে সবকিছু প্রতিস্থাপন করে ট্রায়াল রান শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে কোন ট্রেনের সাথে যুক্ত করা হবে এগুলো।
রেলওয়ের প্রধান যান্ত্রিক প্রকৌশলী (সিএমই) হারুনুর রশীদ জানান, প্রাথমিকভাবে ঢাকায় এনে ট্রলি স্থানান্তর করে রেলকোচগুলো সৈয়দপুর পৌঁছাতে আরও দুই দিন সময় লাগবে।
বর্তমানে দেশের ৩৩টি আন্তঃনগর ট্রেনের মধ্যে কোনটিতেই এগুলোর মতো এত অত্যাধুনিক সুবিধার রেলকোচ নেই বলে জানান এই রেল প্রকৌশলী। তিনি জানান, রেলের এই কোচগুলো প্রতি মিনিটে প্রায় আড়াই কিলোমিটার (২.৩৩ কিলোমিটার) গতিতে চলতে সক্ষম। আসনগুলো বেশ আরামদায়ক।
এছাড়া, এই কোচগুলোতে প্রথমবারের মত বায়োটয়লেট যুক্ত থাকছে। এতদিন ট্রেনের টয়লেট থেকে বর্জ্য সরাসরি রেললাইনের ওপর পড়ত। এই কোচগুলোতে বিমানের মতো বায়ো-টয়লেট পদ্ধতিতে করা । যাতে রেললাইনে পড়বে না ময়লা। পরে এগুলো বিশেষ পদ্ধতিতে সরানো হবে। এ ব্যবস্থায় ট্রেনগুলো ব্যাকটেরিয়া ও দূষণমুক্ত থাকবে।
নতুন বগি কেনার প্রকল্প সূত্র জানায়, রেলে যুক্ত করার জন্য ব্রডগেজ ও মিটারগেজ উভয় ধরনের কোচ পর্যায়ক্রমে আসবে। যেখানে ২০০টি মিটারগেজ কোচে খরচ ধরা হয়েছে ৫৮০ কোটি টাকা। আর ৫০টি ব্রডগেজ কোচ কেনার জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২১৩ কোটি টাকা। প্রতিটি কোচের আমদানিমূল্য ৫ কোটি টাকা। ব্রডগেজের জন্য আমদানিকৃত ৫০টির মধ্যে ১৫টি দেশে এসেছে।
যান্ত্রিক প্রধান প্রকৌশলী হারুনুর রশীদ আরও জানান, এরপর আরও দুটি শিপমেন্টে মোট ৫০টি ব্রডগেজ রেলকোচ আসবে। এরপরে আরও ৯টি শিপমেন্টে আসতে থাকবে ২০০ টি মিটারগেজ কোচ। ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ট্রেন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান পিটি ইন্ডাস্ট্রি কেরেতা এপি (ইনকা) এসব কোচ তৈরি করেছে। সেখান থেকে জাহাজে এগুলো চট্টগ্রাম নিয়ে আসা হয়।
রেলওয়ে ট্রাফিক বিভাগ জানায়, সবচেয়ে পুরাতন ব্রডগেজ রেলকোচ যেসব ট্রেনে আছে সেখানে নতুন কোচগুলো প্রতিস্থাপন করা হবে। আর সব শিপমেন্ট পেলে আরও নতুন দুয়েকটি ট্রেন চালু হতে পারে।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, ঢাকায় আনার পর ক্রেন দিয়ে কোচগুলো ব্রডগেজ চাকার উপর প্রতিস্থাপন করে সৈয়দপুর নেওয়া হবে। সেখানে সবকিছু প্রতিস্থাপন শেষে দুই ধাপে ট্রায়াল রান দেওয়া হবে। দুই থেকে তিনমাসের মধ্যে কোচগুলো ট্রেনের বহরে যুক্ত করার জন্য মুক্ত করা হবে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: রেল

১৭ জানুয়ারি, ২০২১
১৬ জানুয়ারি, ২০২১
১০ জানুয়ারি, ২০২১

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ