Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৬ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী

ত্রিপুরা থেকে সাত রোহিঙ্গা কিশোর-কিশোরী আটক

ইনকিলাব ডেস্ক : | প্রকাশের সময় : ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:০৪ এএম

ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় ত্রিপুরার ধর্মনগর রেলস্টেশন থেতে সাত রোহিঙ্গা কিশোর-কিশোরীকে আটক করেছে সেদেশের নিরাপত্তা বাহিনী। রোববার কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে করে আসামে যাওয়ার চেষ্টা করার সময় আটক করা হয় তাদের। রেলওয়ে সুরক্ষা বাহিনীর (আরপিএফ) কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস খবরটি জানিয়েছে। এ নিয়ে গত দুই সপ্তাহে ত্রিপুরা ও আসাম-ত্রিপুরা সীমান্ত থেকে ৬৮ রোহিঙ্গাকে আটক করা হলো। এদের বেশিরভাগই শিশু। মিয়ানমারে সহিংসতা ও নিপীড়নের শিকার হয়ে বিভিন্ন সময়ে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গার সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার। এদের বেশিরভাগই বসবাস করছে আশ্রয় শিবিরে। আশ্রয়কেন্দ্র ছাড়াও অবৈধভাবে প্রবেশের অভিযোগে অনেককে রাখা হয়েছে অভিবাসী আটক কেন্দ্রে। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন হিন্দু জাতীয়তাবাদী সরকার রোহিঙ্গাদের অবৈধ অভিবাসী উল্লেখ করে তাদের ভারতের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে আখ্যায়িত করে আসছে। ২০১২ সাল থেকে অনুপ্রবেশের দায়ে ভারতে কারাভোগ করা সাত রোহিঙ্গাকে গত বছরের ৪ অক্টোবর মিয়ানমারে ফেরত পাঠায় ভারত। গত ৩ জানুয়ারি দ্বিতীয় দফায় আরও পাঁচজন রোহিঙ্গাকে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ভারতে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে বিতাড়নের আতঙ্ক বিরাজ করছে। সেইসঙ্গে তাদের ওপর ধরপাকড়ও চালানো হচ্ছে। রবিবার নতুন করে আরও সাত রোহিঙ্গাকে আটক করা হলো।
রেলওয়ে সুরক্ষা বাহিনীর (আরপিএফ) অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইন্সপেক্টর লক্ষণ দেব বর্মণ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে জানান, ধর্মনগর স্টেশন চত্বরে কয়েকজনের আচরণ এবং কার্যকলাপ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় নিরাপত্তারক্ষীরা তাদের আটক করেন। আটক হওয়া সাত রোহিঙ্গার মধ্যে ছয়জন মেয়ে এবং একজন ছেলে। তাদের প্রত্যেকেরই বয়স ১৮ এর নিচে। আটককৃতদের ব্যাপারে লক্ষণ দেব বর্মণ বলেন, ‘ওরা সবাই জেনারেল ক্যাটাগরির টিকিটে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে উঠেছিল। আসামের বদরপুর জংশন পর্যন্ত টিকিট ছিল ওদের। স্টেশনে ওদের আচরণ সন্দেহজনক লেগেছিল। তাই আটক করা হয়েছিল। পরে জানা যায় ওরা মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা।’
রোববার বিকেলেই গ্রেফতার হওয়া সাত রোহিঙ্গা কিশোর-কিশোরীকে ধর্মনগর মহিলা থানার জিম্মায় দিয়ে দেওয়া হয়। উত্তর ত্রিপুরার জেলা পুলিশের সুপারিন্টেন্ডেন্ট ভানুপদা চক্রবর্তী জানিয়েছেন আটক করা রোহিঙ্গাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন