Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৯, ০৩ কার্তিক ১৪২৬, ১৯ সফর ১৪৪১ হিজরী

৯ ফেব্রুয়ারি থেকে কৃষিশুমারির দ্বিতীয় আঞ্চলিক কাজ শুরু

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ৯:৩৩ পিএম

কৃষিশুমারির দ্বিতীয় আঞ্চলিক কার্যক্রম শুর” হচ্ছে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে। যা চলবে ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এ উপলক্ষে দুই দিনের বিভাগীয় জেলাশুমারি সমন্বয়কারীদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

সোমবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁও এ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) সম্মেলন কক্ষে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব বিকাশ কিশোর দাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. আবুয়াল হোসেন এবং বেগম মাহমুদা আকতার। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক ড. কৃষ্ণা গায়েন। বক্তব্য রাখেন জাফর আহমেদ খান।

বিকাশ কিশোর দাস বলেন, প্রচলিত আছে বাংলাদেশের মাটিতে যা কিছু দেন তাই ফলে। অর্থাৎ সোনা ফলে। কথাটি নিয়ে বিতর্ক হতে পারে। কারণ কখনো দারিদ্র এদেশের পিছু ছাড়েনি। আমাদের দেশে কৃষিতে উৎপাদন খরচ বিশ্বের অনেক দেশের চেয়ে বেশি। তাই, কৃষিকে নিয়ে আমরা যতই গর্ব করি না কেন। আসলে কৃষিকে ঢেলে সাজাতে হবে। আর এই ঢেলে সাজানোর কাজটি করতে সঠিক তথ্যের প্রয়োজন। এজন্য ভালভাবে শুমারিটি সমাপ্ত করতে হবে।

কৃষ্ণা গায়েন বলেন, জনবল সংকটসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ থাকলেও কৃষি শুমারিটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি সঠিকভাবে পরিচালনা করতে হবে। তথ্য যেন আমাদের হাতে জমা না থাকে। আমরা যেন তথ্য সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে পারি। ক্রটি বিচ্যুতি থাকতে পারে। কিন্তু সবাই মিলে সম্মিলিতভাবে এ কাজটি করতে হবে। তিনি জানান, এফএও এর তথ্য অনুযায়ী ২২ সাল নাগাদ বিশ্বে যে পরিমাণ মৎস্য উৎপাদন হবে তার মধ্যে বাংলাদেশ এক নম্বরে থাকবে। তাছাড়া, ধানের জমি কমে শাকসবজির চাষ বেশি হচ্ছে। এতে চিন্তার কিছু নেই।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, একটি দেশের সম্পূর্ণ কিংবা অংশ বিশেষের কৃষি অবকাঠামোর তথ্য সংগ্রহ, প্রক্রিয়াকরণ ও তথ্য প্রকাশ করাই হলো কৃষি শুমারি। কৃষি শুমারির মাধ্যমে মূলত কৃষি হোল্ডিং এর আকার, জমির মালিকানা, ভুমির ব্যবহার, আবাদকৃত জমির আয়তন, গবাদিপশু ও হাস-মুরগির সংখ্যা, কৃষি কাজে নিয়োজিত জনবল, কৃষি কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, খাদ্য নিরাপত্তা, মৎস্য ও বন ইত্যাদি বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সাধারণত কৃষি শুমারির মাধ্যমে কৃষি হোল্ডিং এর তথ্য সংগ্রহ করা হয়, তবে কিছু ক্ষেত্রে কমিউনিটি লেভেলেও তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

দ্বিতীয় জোনাল অপারেশন কার্যক্রমের মাধ্যমে জোনের গঠন ও জোনাল অফিসারের তালিকা চূড়ান্তকরণ, জিও-কোড তালিকা, মৌজা ও মহল্লা ম্যাপ যাচাই পূর্বক হালনাগাদকরণ, গণনা এলাকা নির্ধারণ ও ম্যাপে তা যাচাই পূর্বক চিহিৃতকরণ, গণনাকারী ও সুপারভাইজারের এলাকা চূড়ান্তকরণ, সুপারভাইজারের এলাকা স্কেচ ম্যাপ হালনাগাদকরণ, খামারের তালিকা যাচাই করে এবং গণনাকারী ও সুপারভাইজারের তালিকা চূড়ান্ত করা হবে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন