Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৩ আশ্বিন ১৪২৫, ৭ মুহাররাম ১৪৪০ হিজরী‌

কাতালান (বার্সেলোনা)

প্রকাশের সময় : ১৪ মে, ২০১৬, ১২:০০ এএম

চ্যাম্পিয়ন দেখে ফেলত লা লিগাও। কিন্তু লিগের শেষ দিকে এসে হঠাৎ ছন্দ হারিয়ে ফেলে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা। টানা ৩ ম্যাচ হেরে প্রতিযোগিতায় নতুন মাত্রা যোগ কওে দলটি। ফলে একক লড়াইটা রুপ নেই ত্রিমুখি এক লড়াইয়ে। অবশ্য শীর্ষেই আছে বার্সেলোনা। এক পয়েন্ট কম নিয়ে তাদেও পরেই রিয়াল মাদ্রিদ। বার্সার সমান পয়েন্ট নিয়ে এতদিন প্রতিযোগিতায় ছিল অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদও। কিন্তু শেষ ম্যাচে পয়েন্ট তালিকার অবনমনে থাকা লেভান্তের কাছে হেরে প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে পড়েছে তারা।


লিগ ওয়ান
(ফ্রান্স)

বয়স যত যতই বাড়ছে ততই যেন ক্ষুরধার হচ্ছেন জøাতান ইব্রাহিমোভিচ। এ মৌসুমেই লিগে ৩০ ম্যাচে ৩৬ গোল ৩৪ বছর বয়সী এই সুইডিশ স্ট্রাইকারের। লিগ ওয়ানে তাঁর সবচেয়ে কাছে থাকা লিঁও স্ট্রাইকার আলেসান্দ্রে লাকাজেতে, গোল ২১টি।

সেরি ‘আ’ (ইতালি)

মাথা গরম না করলে হয়ত এতক্ষন ইতিহাসই গড়ে ফেলতেন গঞ্জালো হিগুয়েইন। তা না হলে ২০ দলের লিগ যুগে এক মৌসুমে সিরি ‘আ’তে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটি হয়তো এতদিনে করেই ফেলতেন আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার। সেই কবে ১৯৫০ সালে ৩৫ গোল করেছিলেন গুনার নরডাল। সুইডিশ স্ট্রাইকারের রেকর্ড আর ভাঙতে পারেননি কেউ। হিগুয়েইন এবার ৩৩ গোল করে ফেলেছেন। ৩ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা না থাকলে সংখ্যাটি বাড়ত নিশ্চিত। লিগে আরেকটি ম্যাচ বাকি নাপোলির। রেকর্ড ভাঙতে ‘মাত্র’ একটি হ্যাটট্রিকের অপেক্ষা তাঁর। সিরি ‘আ’তে অন্য স্ট্রাইকাররা অবশ্য গোলের জন্য হাপিত্যেশ করেছেন এবার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোল হিগুয়েইনের স্বদেশি পাওলো দিবালার, ১৭টি!

বুন্দেসলিগা (জার্মানি)

একপেশে বুন্দেসলিগায় এবার প্রাণ ফিরিয়ে এনেছিল বরুসিয়া ডর্টমুন্ড। মৌসুমের শুরুতে পিয়েরে অবামেয়াংয়ের অবিশ্বাস্য ফর্ম আশা দেখাচ্ছিল ডর্টমুন্ডকে। শেষ দিকে এসে খেই হারিয়ে ফেলেন অবামেয়াং, লিগ শিরোপা নিয়েও দুশ্চিন্তামুক্ত হয় বায়ার্ন মিউনিখ। তবু ২৯ ম্যাচে ২৫ গোল করে দৃষ্টি কেড়েছেন গ্যাবানিজ স্ট্রাইকার। তবে সর্বোচ্চ গোলদাতা বায়ার্ন স্ট্রাইকার রবার্ট লেভানডফস্কি রয়েছেন বেশ নিরাপদ দূরত্বে (২৯)। ২০ গোল নিয়ে তৃতীয় টমাস মুলার।

প্রিমিয়ার লিগ (ইংল্যান্ড)

লেস্টারের রূপকথায় মাঠে সবচেয়ে বড় অবদান জেমি ভার্ডির।লিগে মৌসুমে লেস্টারের ৬৭ গোলের ৩০টিতেই অবদান ইংলিশ স্ট্রাইকারের। নিজে গোল করেছেন ২৪টি, সহযোগিতা ৬টিতে। গোলসংখ্যায় অবশ্য তাঁকে ছাড়িয়ে গেছেন টটেনহাম স্টাইকার হ্যারি কেন একটি গোল বেশি তার। এ মৌসুমে সার্জিও আগুয়েরো যা করেছেন তা-ও অবিশ্বাস্য। চোটের কারণে ৮ ম্যাচ খেলতে পারেননি, তারপরও ২৪ গোল করে তিনিও দৌড়ে আছেন ভার্ডির সঙ্গে। এক ম্যাচ এখনো বাকি, এখনি তাই কিছু বলা যাচ্ছে না।


লা লিগা (স্পেন)

শেষ ৪ ম্যাচে ১১ গোল করেন লুইস সুয়ারেজ। লিগে মোট বার্সেলোনা স্ট্রাইকারের গোল ৩৭টি। ৩৩টি গোল নিয়ে তাঁর পরেই আছেন রিয়াল তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। দু’জন আরও এক ম্যাচ হাতে পাচ্ছেন। গত মৌসুমের এই মৌসুমেও কি শেষ ম্যাচে হ্যাটট্রিক করতে পারবেন রোনালদো? টানা তৃতীয়বারের মত সর্বোচ্চ গোলদাতা হতে চাইলে সেটাই কওে দেখাতে হবে তাঁকে। চোটের কারণে লিগে পাঁচ ম্যাচ খেলতে না পারা লিওনেল মেসি অবশ্য সোনালি জুতার দৌড়ে (২৬ গোল) অনেক পিছিয়ে।

 


‘গোল্ডেন বুট’

মৌসুম শেষে শিরোপার পাশাপাশি আলোচনায় চলে আসেন লিগের শীর্ষ খেলোয়াডরা। কে কত গোল করল, শিরোপা জিততে কার অবদান বেশি ছিল; সবকিছু সিয়েই ফুটবল বোদ্ধাদেও মধ্যে চলে নানান হিসাব নিকাশ। লা লিগা বাদে শিরোপা ইংলিশ, জার্মান ও ইতালিয়ান লিগে যে শেষ রাউন্ডের আগেই শিরোপা নির্ধারিত হয়ে গেছে! এখন আগ্রহ জন্মেছে গোল্ডেন বুটের দিকে। ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোয় প্রতিবছরই জমে ওঠে এ লড়াই। ২০১৫-১৬ মৌসুমে গোল্ডেন বুটের এ লড়াই যেন পেয়েছে অন্য মাত্রা।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ