Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০১৯, ১২ চৈত্র ১৪২৫, ১৮ রজব ১৪৪০ হিজরী।

মিয়ানমারের আরাকান আবারো অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা

এবার পালিয়ে আসছে বৌদ্ধরা

বিশেষ সংবাদদাতা কক্সবাজার | প্রকাশের সময় : ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:০৬ পিএম

রোহিঙ্গাদের (মুসলমান) পর এবার মিয়ানমার থেকে সাধারণ বৌদ্ধ ও উপজাতিদের তাড়িয়ে দেয়া হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। বিজিবির চোখ ফাঁকি দিয়ে তাদের কিছু বাংলাদেশে প্রবেশও করলেও বিজিবি কয়েকজনকে সীমান্ত থেকে ফেরত পাঠিয়েছে।

আরাকানে (রাখাইনে) নতুন করে অস্থিতিশীলতা হওয়ায় আরও বড় ধরনের অনুপ্রবেশ ঘটার আশঙ্কা করছে বাংলাদেশ।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার ঢাকার মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত উ লুইন ও কে জরুরি তলব করা হয় এবং ঢাকার পক্ষ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশ চেষ্টার কড়া প্রতিবাদ জানানো হয় বলে জানা গেছে। মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে বলা হয়, গত দেড় বছরে বাংলাদেশের শতচেষ্টা সত্ত্বেও একজন রোহিঙ্গাকে ফেরত নেয়নি মিয়ানমার। এ অবস্থায় নতুন করে পরিকল্পিতভাবে (রাখাইন) আরাকান অস্থিতিশীল করে দলে দলে বুড্ডিস্ট ও উপজাতিদের বাংলাদেশ সীমান্তের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। এমন পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে এখনই ব্যবস্থা নেয়ার জন্য দেশটির কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানায় বাংলাদেশ।

কূটনৈতিক সূত্র বলছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অনুবিভাগের মহাপরিচালক মো. দেলোয়ার হোসেন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কথা বলেন এবং ঢাকার বার্তা তার সরকারের প্রতি পৌঁছানোর অনুরোধ জানান।

একই সঙ্গে বলা হয়, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের (রাখাইনে) আরাকানে ফেরার অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আহ্বান মিয়ানমারকে পূরণ করতে হবে। অন্যথায় যে কোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জন্য মিয়ানমারকেই দায় নিতে হবে।

গত ৪ জানুয়ারি এক প্রতিবেদনে বিবিসি বাংলা জানায়, (রাখাইনে) আরাকানে বৌদ্ধ বিদ্রোহীদের হামলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সাতজন নিহত হন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মিয়ানমারের স্বাধীনতা দিবসে (আরাকানে) রাখাইনে বৌদ্ধ বিদ্রোহীরা চারটি পুলিশ পোস্টে হামলা চালায়। এ হামলায় দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর সাত সদস্য নিহত হন।

এর আগে ২০১৭ সালে এই ধরণের অজুহাতে আরাকানে (রাখাইনে) ভয়াবহ সেনা অভিযানের মুখে লাখ লাখ রোহিঙ্গা মুসলিম দেশ ছেড়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: মিয়ানমার

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ