Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৬ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী

যে কারণে ভারত ছাড়তে পারে হোয়াটসঅ্যাপ

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ৭:৩৮ পিএম

হোয়াটসঅ্যাপের অন্যতম বড় বাজার ভারত। এই মুহূর্তে বিশ্ব জুড়ে অন্তত ১৫০ কোটি মানুষ হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন। তার মধ্যে ২০ কোটি ব্যবহারকারীই ভারতের। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য বেশ কিছু নতুন আইন নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের। আর সেসব আইন বলবৎ হলে হোয়াটসঅ্যাপের দেশটিতে টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে বলেই বুধবার জানিয়েছেন হোয়াটসঅ্যাপের এক উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা।
হোয়াটসঅ্যাপের ওই কর্মকর্তা কার্ল উগ বুধবার জানান, প্রস্তাবিত ওই বিধি-নিষেধে সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে, বার্তার উৎস জানার ওপরে।
এদিকে, হোয়াটসঅ্যাপ ‘এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন’-কে বিশেষ গুরুত্ব দেয়। যার অর্থ প্রেরক ও গ্রাহক ছাড়া কোনও তৃতীয় ব্যক্তি সেই বার্তাটি দেখতে পারেন না। গোটা পৃথিবী ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষাকে আরও জোরাল করতে চাইছে। ফেসবুকের নিয়ন্ত্রণে থাকা হোয়াটসঅ্যাপও সেই দিশা মেনেই চলছে।
হোয়াটসঅ্যাপকে যদি নতুন আইন মেনে ভারতে ব্যবসা করতে হয়, তবে সম্পূর্ণ ভোলবদল করতে হবে। আর তা কার্যত কতটা সম্ভব তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। ফলে নয়া আইন বলবৎ হলে ভারতীয় বাজার থেকে নিজেদের গুটিয়ে নিতে হতে পারে বলেই আশঙ্কা হোয়াটসঅ্যাপ কর্তাদের।
সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ও ভুয়া খবর ছড়ানো এবং তার জেরে অশান্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বিগ্ন সরকার। বিষয়টি রুখতে নয়া আইন বলবৎ করার কথাও ভাবা হচ্ছে। লোকসভা ভোটের আগে প্রাদেশিক ভাষায় ভুয়া প্রচার রুখতে গোটা সোশ্যাল মিডিয়া জুড়েই কড়া নজর রাখছে সরকার। ফেসবুকেও রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন প্রকাশ করার ক্ষেত্রে প্রথমেই বিধিসম্মত সতর্কীকরণ দিয়ে বিষয় ও বিজ্ঞাপনদাতা সংক্রান্ত তথ্য জানানো হবে বলে জানিয়েছেন ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। সূত্র: এনডিটিভি।

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ