Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৮ ফাল্গুন ১৪২৫, ১৪ জামাদিউস সানি ১৪৪০ হিজরী।

নকলেই বাজিমাত!

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:০২ এএম

নকল হিরের আংটি কিনেছিলেন নেহাত শখের বশে। তেত্রিশ বছর পরে জানা গেল, আংটিতে রয়েছে আসল হিরে। রাতারাতি লক্ষ কোটি ডলারের হদিস পেয়ে হতবাক প্রৌঢ়া।
৩৩ বছর আগে সস্তার বাজার ঘেঁটে মাত্র ১৫ ডলারের বিনিময়ে পুরনো আংটি কিনেছিলেন লন্ডনবাসী এক তরুণী। আংটির উপরে বড়সড় পাথরটি যে নকল হিরে, তা তার আকার আর জৌলুসের অভাব দেখেই বোঝা গিয়েছিল।
তিন দশক পার করে সেই আংটি দেখে এক গয়না ব্যবসায়ী সন্দেহ প্রকাশ করলেন, পাথরটি হয়তো একেবারে মিথ্যে নয়। অল্প-বিস্তর হলেও তার মূল্য ১৫ ডলারের তুলনায় বেশি হতে পারে।
এই কথা শুনে পরীক্ষাগারে আংটির পাথর যাচাই করতে দেন ওই মহিলা। পরীক্ষাগারে তাঁর আংটি পরখ করে চমকে ওঠেন বিশেষজ্ঞরা। কাচ নয়, খাঁটি ২৬.২৭ ক্যারাটের বিশাল আকৃতির হিরে বসানো রয়েছে আংটির মাথায়। খবর পেয়ে ছুটে এসে রিপোর্ট পড়ে চোখ ছানাবড়া আংটির মালিকেরও।
দুর্মূল্য আংটিটি আপাতত বিশ্বখ্যাত নিলাম সংস্থা সদবি’র হেফাজতে রাখা হয়েছে। জানা গেছে, আগামী ৭ জুন সেটি নিলামে ওঠার কথা। মনে করা হচ্ছে, ৪ লাখ ৫৫ হাজার ডলার অর্থাৎ প্রায় ৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা পর্যন্ত উঠতে পারে সেই হিরের দাম।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, আংটিটি তৈরি হয়েছিল আঠারো শতকে। সেই সময় হিরের শরীরে বেশি খাঁজ কাটার রেওয়াজ ছিল না। ফলে তার মধ্যে দিয়ে আলোকরশ্মির বিচ্ছুরণ ও প্রতিফলনের মাত্রাও কম হত। এ যুগের কারিগররা তার চেয়ে অনেক বেশি পলা কাটেন হিরের গায়ে। এই কারণে প্রথম দর্শনে আংটির পাথরকে নকল হিরে ভেবেছিলেন বিক্রেতা ও ক্রেতা দুজনেই। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ডলার

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
২৫ জানুয়ারি, ২০১৯
৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

আরও
আরও পড়ুন