Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৮ ফাল্গুন ১৪২৫, ১৪ জামাদিউস সানি ১৪৪০ হিজরী।

ডাকসু নির্বাচনে ভোট ডাকাতি হবে : মেজর হাফিজ

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:৩৮ এএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে ভোট কেন্দ্র হলে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে (ডাকসু) ভোট ডাকাতি হবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ডাকসু নির্বাচনটি জাতীয় সংসদের ভোট ডাকাতির মতো আরেকটি নির্বাচন হবে বলে বোঝাই যাচ্ছে। ছাত্র সমাজের দাবি ছিল, হলগুলোতে ভোট কেন্দ্র না নিয়ে একাডেমিক ভবনে ভোট নেওয়া হোক। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ও হলে সহাবস্থানের চিহ্ন মাত্র নেই যেখানে, সেখানে ডাকসু নির্বাচনে ভোট ডাকাতি হবে। গতকাল (সোমবার) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরাম আয়োজিত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ সকল রাজবন্দির মুক্তির দাবিতে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আন্দোলনের বিকল্প নেই মন্তব্য করে মেজর অব. হাফিজ বলেন, সারা পৃথিবীর মানুষ জানে বাংলাদেশে আইনের শাসন নেই, এখানে গণতন্ত্র নেই, জনগণের ভোটাধিকার নেই, মানবাধিকার নেই। দেশনেত্রীর আইনজীবীরাই বলেছেন আইনি প্রক্রিয়ায় তার মুক্তি সম্ভব নয়। এখন একটাই পথ খোলা আছে, যেটা হল রাজপথ উত্তপ্ত করে রাজপথে জনতার সমাবেশ ঘটিয়ে এই সরকারকে গণআন্দোলনের মাধ্যমে বিদায় করতে হবে। এছাড়া অন্য কোনো পরিকল্পনা আমাদের কাজে লাগবে না।

ছাত্র নির্বাচনকে কলঙ্কিত করতে ডাকসু নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে মন্তব্য করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ভোট কারচুপি করতেই হলে ডাকসু নির্বাচনের ব্যবস্থা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। হলে সরকারি দলের ছাত্র সংগঠন ছাড়া অন্য কোনও দলের ছাত্র সংগঠনের নেই। তাই অন্য কোনও দল এই নির্বাচনে ভোট দিতে যেতে পারবে না। সরকার দলীয় ছাত্র সংগঠন ছাড়া অন্য ছাত্র সংগঠনগুলো দাবি করেছিল একাডেমিক ভবনে ভোটগ্রহণ করা হোক। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ছাত্রদের এই দাবির প্রতি কোনও সম্মান করেনি। তারা পূর্ব পরিকল্পিত ছকটি মেনে, হলে নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে যাচ্ছেন। যাতে সাধারণ ছাত্ররা আতঙ্কে ভোট দিতে যেতে না পারে।
হাফিজ উদ্দীন বলেন, বাংলাদেশে যত ধরনের অপরাধ হচ্ছে ভালো করে খোঁজ নিয়ে দেখলে দেখা যাবে সেখানে কোনও ছাত্র নেতা জড়িত আছে। এ অবস্থায় ডাকসু নির্বাচন সুষ্ঠু হবে এটা আমরা মনে করি না।
সংগঠনের উপদেষ্টা সাঈদ আহমেদ আসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমের পরিচালনায় সভায় বিএনপির আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, শাহ নেসারুল হক, শাহজাহান সম্রাট, ফরিদ উদ্দিন, ভিপি ইব্রাহিম, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মাওলানা শোয়াইব আহমেদ, জাগপার অব্রু মোজাফফর মো. আনাছ বক্তব্য রাখেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ