Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ২০ মার্চ ২০১৯, ০৬ চৈত্র ১৪২৫, ১২ রজব ১৪৪০ হিজরী।

কেরানীগঞ্জে পূর্বশত্রুতার জেড়ধরে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা

কেরানীগঞ্জ(ঢাকা)উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:১৬ পিএম

ঢাকার কেরানীগঞ্জে পূর্বশত্রুতার জেড়ধরে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নিহত যুবকের নাম আহমদ আলী(৩০) । তার বাবার নাম রবিউল হোসেন। বাড়ি কেরানীগঞ্জ মডেল থানার তারানগর ইউনিয়নের বটতলী ইটখোলা গ্রামে।পুলিশ বৃহস্পতিবার(১৪ফেব্রুয়ারী) রাত ১১টায় কলাতিয়া সেন্ট্রাল হাসপাতাল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরন করেছে। আজ শুক্রবার(১৫ফেব্রুয়ারী) এই ঘটনায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
নিহত আহমদ আলীর চাচা মোঃ হাবিবুর রহমান জানান, আমার ভাতিজা নিহত আহমদ আলীর ছোট ভাই কদ্দুস আলীর সাথে সিরাজ নগর এলাকার হানিফের ছেলে মোঃ সেলিমের সাথে প্রায় একমাস পূর্বে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে বিরোধ হয়েছিল। ভাতিজা আহমদ আলী বিকেলে কলাতিয়া বাজারে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। সে নাজিরপুর নতুন বাজারে পৌঁছলে এসময় পূর্বের ঘটনার জেড়ধরে সেলিম ও তার ভাইসহ কয়েকজন যুবক তাকে জোড়পূর্বক ধরে তাদের বাড়িতে নিয়ে যায়। আহমদ আলীকে সেখানে আটক করে তারা বেদম মারধর করে। সে গুরুতরভাবে আহত হলে তারা তাকে কলাতিয়া সেন্ট্রাল হাসপাতালে নিয়ে আসে। এসময় কর্তব্যরত চিকিৎসকগন তাকে মৃত ঘোষনা করেন। এতে সেলিম ও তার ভাইয়েরা নিহত আহমদ আলীর লাশ ফেলে হাসপাতাল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়। নিহতের মামা ফারুক হোসেন জানান, আহমদ আলীর ছোট ভাই কদ্দুস আলীর সাথে সেলিমের প্রায় একমাস আগে বিরোধ দেখা দেয়। পরে তাদের বিরোধ মিমাংসাও হয়ে যায়। কিন্তু এই বিরোধের জেড়ধরে সেলিম ও তার ভাইয়েরা আমার বড় ভাগ্নে আহমদ আলীকে পিটিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করল কেন। আমরা এই ঘাতকদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তি দাবী করছি। নিহত আহদ আলী দুই ছেলে সন্তানের জনক। সে তার বাড়িতে বসে রুপার অলংকার তৈরীর করে বিভিন্ন জুয়েলারীর দোকানে সরবরাহ করতো। এই ঘটনায় নিহতের বাবা রবিউল হোসেন বাদী হয়ে মডেল থানায় ঘাতকদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এব্যাপারে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি শাকের মোহাম্মদ যুবায়ের বলেন, পূর্বশত্রুতার জেড়ধরে আহমদ আলীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। যারাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে তারাই আহমদ আলীর লাশ কলাতিয়া সেন্ট্রাল হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যায়।

 

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: পিটিয়ে হত্যা


আরও
আরও পড়ুন