Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬, ২১ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরী।

ক্ষমতায় সু চির কর্তৃত্ব চ্যালেঞ্জ করছে নতুন দলগুলো

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:০৩ এএম

মিয়ানমারে আগামী ২০২০ সালের পরবর্তী নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য নতুন রাজনৈতিক দল গড়ে উঠছে। জাতিগত সঙ্ঘাত বেড়ে যাওয়ায় এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অবনতির ফলে জাতীয় বেসামরিক নেতা অং সান সু চি’র অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়ায় তার কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করতে চায় নতুন এই রাজনৈতিক শক্তিগুলো। নভেম্বের উপনির্বাচনে সু চির ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসির (এনএলডি) ওই ব্যর্থতাগুলোর কথা উল্লেখ করেছিল রাজনৈতিক দলগুলো। সেখানে ১৩টি আসনের মধ্যে মাত্র ৭টি আসন পেয়েছিল সু চির দল এবং সেনাবাহিনীর মদদপুষ্ট দলগুলোর জনপ্রিয়তা বেড়েছিল। উত্তরাঞ্চলীয় কাচিন রাজ্যে গত নভেম্বরে একটি আসন হারিয়েছে এনএলডি। সেখানকার এমপি দাশি লা সেং বলেন, “জাতিগত দলগুলো জোট বেধেছে এবং প্রস্তুতি নিয়েছে, আমরা এখন শুধুমাত্র দলের উপর পুরোপুরি নির্ভর করতে পারি না। আমাদেরকে জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য অবশ্যই কঠোর পরিশ্রম করতে হবে”। মিয়ানমারের গণতন্ত্রের পালাবদলের বিষয়টি ঝুঁকিতে আছে। এনএলডি ২০১৫ সালে ভূমিধস বিজয়ের মধ্য দিয়ে পার্লামেন্টে গেলেও সেখানে ২৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত রয়েছে সেনাবাহিনীর জন্য। বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০২০ সালে যদিও এনএলডি অন্যান্য দলের চেয়ে ভালো করবে, কিন্তু যে সংখ্যাগরিষ্ঠতা তাদের ছিল, সেটা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অং সান সু চিকে সাধারণত আত্মমুখী হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু সম্প্রতি তিনি হঠাৎ করেই ইয়াঙ্গুনের একটি মুসলিম এলাকার একটি স্কুলে হাজির হন এবং দেশের বাণিজ্যিক রাজধানীতে তিনি বিনিয়োগ সম্মেলনের আয়োজন করেন যাতে দেশের সম্পদকে তরুণ জনগোষ্ঠির প্রয়োজনে ব্যবহার করা যায়। অন্যদিকে, তার দল সামরিক সংবিধান পরিবর্তনের পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে।
রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ উঠে আসছে
দেশের বিভিন্ন সম্প্রদায় এবং বিনিয়োগকারীদের বার্তা দেয়ার জন্যই এই সব পদক্ষেপ শুরু করেছেন সু চি। কিন্তু তার প্রতিপক্ষের লোকজনও বসে নেই।
সাবেক জান্তা এবং পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের সাবেক প্রভাবশালী স্পিকার শোয়ে মান এক সময় সু চির মিত্র ছিলেন। গত সপ্তাহে তিনি ইউনিয়ন বেটারমেন্ট পার্টি নামের একটি দল গঠণের ঘোষণা দেন। শোয়ে মান সেনাবাহিনীর মদদপুষ্ট ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির প্রধান থাকা অবস্থায় তাকে বহিষ্কার করা হয়। পরে আগের সরকারের মধ্যমপন্থী নেতারা তার সাথে যোগ দেন। ১৯৮৮ সালে সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে ছাত্র বিক্ষোভে নেতৃত্ব দানকারী নেতাদের মধ্যে অন্যতম কো কো গাই। তিনিও পিপলস পার্টি নামে একটি দল গঠন করেছেন। তিনি জাতিগত দলসহ অন্যান্য গ্রুপগুলোকে ক্ষমতার জন্য একজোট হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সূত্র : এসএএম।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: মিয়ানমার


আরও
আরও পড়ুন