Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার ১৬ জুন ২০১৯, ২ আষাঢ় ১৪২৬, ১২ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরী।

বাংলাদেশ-আমিরাতের মধ্যে ৪টি সমঝোতা স্মারক সই

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:২৫ পিএম | আপডেট : ১:৩৬ পিএম, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক শক্তিশালীকরণের অংশ হিসেবে দুই দেশের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

গতকাল রোববার বাংলাদেশ সময় দুপুরে আবুধাবির সেন্ট রেগিজ হোটেলে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। বিনিয়োগ, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বিদ্যুৎ খাতে উন্নয়নে দু’দেশের মধ্যে এ স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

আমিরাতের অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রী সুলতান আল মনসুরির নেতৃত্বাধীন সংযুক্ত আরব আমিরাতের ১৫ সদস্যের একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠকের পর তার উপস্থিতিতে এই স্মারকগুলো স্বাক্ষরিত হয়।

বৈঠকের পরে পররাষ্ট্রসচিব শহীদুল হক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার মনে হচ্ছে যে এটার ভেতর দিয়ে বাংলাদেশ ও ইউএইর মধ্যে ব্যবসার একটা নতুন দ্বার উন্মোচিত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, যেটা আমরা আগে কখনো দেখিনি।’

সমঝোতা স্মারকগুলোর মধ্যে রয়েছে গভর্নমেন্ট অব দুবাইয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) চুক্তি। এতে সই করেছেন নৌপরিবহন সচিব এম আব্দুস সামাদ ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের চেয়ারম্যান সুলতান আহমেদ বিন সুলায়েম।

পররাষ্ট্রসচিব শহীদুল হক বলেন, ‘এটার মূল ফোকাস হলো পোর্ট ও শিল্পপার্ক। কারণ, ডিপি ওয়ার্ল্ড বলছে, তারা যেখানে পোর্ট তৈরি করে, সেখানে পোর্টের মধ্যেই তারা সীমাবদ্ধ থাকে না, শিল্পপার্কও তৈরি করে।’

আরেকটি সমঝোতা হয়েছে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এমিরেটস ন্যাশনাল ওয়েল কোম্পানির। এতে সই করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু এবং এমিরেটস ন্যাশনাল ওয়েল কোম্পানির গ্রুপ সিইও সাইফ আল ফালাসি। এর বাইরে আরো দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়

সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমদ, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান এবং বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব আহমেদ কায়কাউস বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।



 

Show all comments
  • Md. Mahfuj Jalal Nasim ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ৩:০০ পিএম says : 0
    Its seems me a prospective initiatives taken by the present Goverenment Peoples Republic of Bangladesh. Keenly awaiting for the execution the whole process with the consent of all those who are really concern of the issues.
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন