Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ০৬ ভাদ্র ১৪২৬, ১৯ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

বরিশাল মেডিকেলে ইনজেকশন দেওয়ার পর ১৭ রোগী অসুস্থ, তদন্ত কমিটি গঠন

বরিশাল ব্যুরো | প্রকাশের সময় : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ৭:১২ পিএম

বরিশাল শের এ বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অপরিনত শিশু ও শিশুর অঙ্গপ্রত্যঙ্গ উদ্ধারের রেশ কাটতে না কাটতেই সোমবার রাত ১০টার দিকে পুরুষ অর্থপেডিক্স ওয়ার্ডে ইনজেকশন দেবার পর একসঙ্গে অসুস্থ হয়ে পড়ল ১৭ রোগী। হাসপাতাল থেকে সরবরাহ করা ইনজেকশন পুশ করার পর রোগীদের খিচুনী শুরু হয়। অনেকে বমি করে ফেলেন। ফলে ওয়ার্ড যুড়ে আতংক ছড়িয়ে পরে। দ্রুত সিনিয়র চিকিৎসকরা এসে অন্য ওষুধ প্রয়োগ করলে রোগীরা স্বাভাবিক হয়। এ ঘটনার কারন উদঘাটনে ৩ সদস্যের কমিটি গঠনের কথা জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক ডা. বাকির হোসেন।
হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স ওয়ার্ড সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওয়ার্ডে মোট ৯৪ জন রোগীর মধ্যে ২৩ রোগীকে হাসপাতালে থেকে সরবরাহকৃত সেফিউরক্সিম ইনজেকশনÑ৭৫০ মিলি ও অমিটিড ইনজেকশন (৪০ মিলি) সহ ব্যাথানাশক ইনজেকশন দেয়া হয়। ইনজেকশন দেওয়ার পর পরই কুদ্দুস, ইমতিয়াজ, বিকাশ চন্দ্র হাওলাদার, অলিয়ার, এনামুল হক সহ বেশ কয়েকজন রোগীর খিচুনী শুরু হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
ওয়ার্ডের পুরুষ নার্স ইনচার্জ শাহআলম জানান, সেফিউরক্সিম ইনজেকশন গ্রহনকারী রোগীদের শরীর কাঁপুনি শুরু হয়। বিষয়টি চিকিৎসকদের জানানো হলে তারা তাৎক্ষনিক এসে অন্য ওষুধ দিলে রোগীরা সুস্থ হন। সেবক শাহআলম জানান, হাসপাতালের সরবরাহকৃত ওষুধের মেয়াদ রয়েছে ২০২০ সাল পর্যন্ত। কিন্তু তারপরেও কেন এমনটা হয়েছে তা বলা সম্ভব নয়। ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক ও সহকারী রেজিস্ট্রার সুদীপ কুমার হালদার জানান, সেফিউরক্সিম ইনজেকশন দেয়া ১৭ জন রোগী সাময়িক সময়ের জন্য অসুস্থ হয়েছিলেন। পরে তারা সুস্থ হন। একত্রে এতসংখ্যক রোগীর খিচুনী ও ঘাম দেওয়া ওষুধের পার্শ প্রতিক্রিয়ায় হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে। একজন রোগী বমিও করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. বাকির হোসেন জানান, সোমবার রাতের ঘটনার পর হাসপাতালে চলমান ব্যাচের সেফিউরক্সিম ইনজেকশন সরবারহ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। অর্থপেডিক্স ওয়ার্ডে ব্যবহƒত ওষুধের বোতল পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। পরিচালক বলেন, পুরো বিষয়টি তদন্তে সহকারী পরিচালক ডা. মো.ইউনুস আলীকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটির গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি আগামী ৩ কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেবে।

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ