Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ০৩ ভাদ্র ১৪২৬, ১৬ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

জনবল সঙ্কটে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত

ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল

ফরিদপুর জেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:০৪ এএম

ফরিদপুর জেলা সদরের জেনারেল হাসপাতালটি চলছে অর্ধেক জনবল নিয়ে, এতে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসা সেবা। হাতপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, মঞ্জুরিকৃত ৩৬ জন চিকিৎসকের বিপরীতে শুন্য রয়েছে ১৭টি পদ, আর অবশিষ্ট ১৯ চিকিৎসকের মধ্যে একজন রয়েছেন প্রশিক্ষণে ও আরেকজন রয়েছেন প্রেষণে ঢাকায়। বর্তমানে কর্তব্যরত রয়েছেন ৩৬ জনের মধ্যে ১৭ জন চিকিৎসক। যা অর্ধেকেরও কম। যার মধ্যেও এক চতুর্থাংশ চিকিৎসককে সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের মাধ্যমে সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচিত দায়িত্ব পালন করতে হয়। চিকিৎসকদের দাবি, যে জনবল রয়েছে তা দিয়েই রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার চেষ্টা করছেন তারা। প্রয়োজনীয় জনবল পেলে সেবার মান আরো বাড়ানো সম্ভব।
১৯১৭ সালে তিন একর জায়গার উপর স্থাপিত হয় ২৫ শয্যার ফরিদপুর সদর হাসপাতাল। শত বর্ষের পরিক্রমায় বর্তমানে এটি একশ শয্যার ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল। হাসপাতালটিতে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন জেলার সদর ছাড়াও আশেপাশের জেলা ও উপজেলার মানুষ।
প্রতিদিন গড়ে আটশ মানুষ বহিবিভাগে সেবা আর অর্ধশতাধিক মানুষ আন্তবিভাগে সেবা নিয়ে থাকেন। আর একশ’ শয্যার হাসপাতালটিতে প্রতিদিন গড়ে ভর্তি থাকেন ১৩০ থেকে ১৫০জন।
চিকিৎসকদের দাবি, চিকিৎসক সঙ্কট থাকা সত্তে¡ও যে ক’জন চিকিৎসক রয়েছেন তারা সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার চেষ্টা করছেন।
ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার গনেশ চন্দ্র আগরওয়ালা জানান, মঞ্জুরিকৃত ৩৬ চিকিতসকের মধ্যে ১৭ চিকিৎসক উপস্থিত থাকলেও তাদের মধ্যে এক চতুর্থাংশ চিকিৎসককে ব্যাস্ত থাকতে হয় জেলার সিভিল সার্জন অফিসের মাধ্যমে অন্যান্য দ্বায়িত্বে। এতে ব্যাহত হয় স্বাভাবিক সেবা।
জেলার সিভিল সার্জন ডাক্তার আবু জাহের জানান, ভালো সেবা প্রদান ও শহরের প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থান হওয়ায় হাসপাতালটিতে সবসময়ই রোগীর চাপ বেশী থাকে এ হাসপাতালটিতে। স্বল্প সংখ্যক চিকিৎসক দিয়ে জেলার ২১ লাখ মানুষের একটি বড় অংশের সেবা নিশ্চিত করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তিনি জানান, এ হাসপাতালটির কোন চিকিৎসকই অননুমোদিত ছুটিতে নেই।
শুধু চিকিৎসক পদেই নয় হাসপাতালটির ২য়, ৩য় ও ৪র্থ শ্রেনির কর্মচারীদের মঞ্জুরিকৃত ১৩৭ পদের বিপরীতে রয়েছে ১০৪ জন, শুন্য রয়েছে ৩৩টি পদ।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: সঙ্কট


আরও
আরও পড়ুন