Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০১৯, ০৮ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৯ যিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী।

জোয়ার-ভাটায় পানিবদ্ধ, বিপাকে কৃষক

পটিয়া (চট্টগ্রাম) থেকে এস কে এম নুর হোসেন | প্রকাশের সময় : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:০৬ এএম

পটিয়া উপজেলার বড়লিয়া ইউনিয়নে জোয়ারা-ভাটার একটি খালের পানি আটকে রাখার চেষ্টায় শতাধিক একর জমিতে চলতি বোরো মৌসুমে চাষ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ফলে এবার বোরো মওসুমে উপজেলার বড়লিয়া, কর্ত্তালা, পূর্ব বাড়ৈকারা, পশ্চিম বাড়ৈকারা, বেলখাইন, ওকন্যানারাসহ আশপাশের এলাকায় বোরো চাষ নিয়ে কৃষেককরা বিপাকে পড়েছে। মূলত উপজেলার বড়লিয়া ইউনিয়নের ওকন্ন্যারা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা বদিউজ্জামানের বাড়ির পাশে কাটাখালী খালে একটি ব্রিজ নির্মাণ করা নিয়ে খালের পানি প্রবাহ বন্ধ করার চেষ্টায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে বিষয়টি পটিয়া উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি অফিসের মাঠ সহকারী কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে। খালের পানি প্রবাহ বন্ধ করা হলে কৃষকের বোরো চাষ বিনষ্ট হবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বড়লিয়া ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা বদিউজ্জামানের বাড়ির পাশে কাটাখালী খালের উপর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) অফিসের আওতায় একটি ব্রিজ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। ঠিকাদার স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কোন ধরনের আলাপ আলোচনা না করে খালের পানি প্রবাহ বন্ধ করে ব্রিজ নির্মাণ কাজ শুরু করছে। নির্মাণাধীন ব্রিজের দক্ষিণ ও উত্তর দিকে রয়েছে কৃষকের শত শত একর ফসলি জমি। কাটাখালী খালের পানি প্রবাহ বন্ধ করে দেয়া হলে ওই এলাকার প্রায় ১২টি স্কীম বন্ধ হয়ে বোরো চাষাবাদ বিঘ্ন ঘটবে। বড়লিয়া ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা কামাল আহমদ জানিয়েছেন, কাটাখালী খালটি চানখালী কেরিঞ্জা খালের সঙ্গে যুক্ত। জোয়ার-ভাটার এই খালের পানি দিয়ে এলাকার কৃষকরা ইরি, বোরো মওসুমে চাষাবাদ করে থাকেন। ব্রিজ নির্মাণের ঠিকাদার খালের পানি প্রবাহ বন্ধ করে কৃষকের বোরো চাষাবাদে ক্ষতি করার চেষ্টা করছে। কৃষক মো. আবু হাজী, জাহাঙ্গীর আলম, আবদুস ছত্তার ও স্কীম ম্যানেজার মো. রফিক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের অভিযোগ, ব্রিজ নির্মানের ঠিকাদার খালের পানি সম্পূর্ণ রূপে বন্ধ করে নিজের ইচ্ছেমত কাজ করার চেষ্টা করছে। খালের পানি প্রবাহ বন্ধ করে দিলে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ ব্যাপারে পটিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আবুল হোসেন বলেন, কৃষকের ক্ষতি হয় এমন কোন কাজ ঠিকাদারকে দিয়ে করতে দেয়া হবে না।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ