Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯, ০৬ কার্তিক ১৪২৬, ২২ সফর ১৪৪১ হিজরী

চকবাজার ট্র্যাজেডি : নিহত ৮১

ইনকিলাব রিপোর্ট | প্রকাশের সময় : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:৪২ এএম

চুড়িহাট্টার চৌরাস্তায় গিয়ে বোঝার উপায় নেই একদিন আগেও এখানে মানুষ ব্যস্ত সময় কাটাতো। রাস্তায় প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেল, রিকশা ও ভ্যানের অঙ্গার। পোড়া বাড়িগুলো মানুষহীন নীরব নিস্তব্ধ। এসব বাড়ির নিচে ছিল বিভিন্ন ধরনের মার্কেট ও দোকান। রাস্তার ওপর বিল্ডিংয়ের অংশবিশেষ ভেঙে পড়ে রয়েছে। সবই এখন ধ্বংসস্ত‚প। মৃত্যু, কান্না, আহাজারি, পোড়া গন্ধ, ধোঁয়া, আর্তনাদ, আকুতি আর চিৎকার সব মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে পুরান ঢাকার চকবাজারের চুড়িহাট্টা। বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে ভয়াবহ এক অগ্নিকান্ডের পর ধ্বংসস্ত‚পে পরিণত হয়েছে নন্দকুমার দত্ত রোডের চুড়িহাট্টা এলাকার পুরো চৌরাস্তা এলাকা। এদিকে, অগ্নিকান্ডে নিহতদের সংখ্যা নিয়ে একাধিক তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ঢাকা মেডিক্যাল সূত্র নিহতের সংখ্যা ৮১ জন বলে জানায়। তবে এ সংখ্যা ফায়ার সার্ভিসের মতে ৬৭ জন। শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রাথমিক প্রতিবেদনে ৭৮, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসেবে ৭৬ জন, দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মতে ৮১ এবং পুলিশের আইজিপি ৭০ জন প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। এছাড়া আরো দু’শতাধিক মানুষ আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এদিকে, গতকাল রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ৪১ জনের লাশ শনাক্ত হয়েছে। তাদের সবার লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে হতাহতের ঘটনায় প্রেসিডেন্ট মো: আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুন্নুজান সুফিয়ানসহ বিভিন্ন দলের নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তারা নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেবে সরকার। ঘটনা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
অগ্নিকান্ডের পর ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে ছুটে যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ অন্যান্য মন্ত্রী, ঢাকা সিটি দক্ষিণের মেয়র ও আইজিপিসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছে জানতে চাইলে সঠিক কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। কেউ বলছেন, ওয়াহেদ ম্যানশনের দ্বিতীয় তলার কারখানা থেকে এর সূত্রপাত, কেউ বলছেন, আগুন লেগেছে ভবনটির পাশের হোটেল থেকে। কেউবা বলছেন, ভবনের উত্তর দিকের রাস্তার গাড়ির সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে এই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। যেখানে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে সেই চুড়িহাট্টা কয়েকটি সরু রাস্তার মিলনস্থল। আসগর লেন, নন্দকুমার দত্ত রোড ও হায়দার বক্স লেন। সবগুলোই গলিপথ। এক পাশে ওয়াহেদ ম্যানশন। অন্য পাশে বাচ্চু মিয়ার বাড়ি। বিপরীত পাশে চুড়িহাট্টা শাহী জামে মসজিদ। ওয়াহেদ ম্যানশন, বাচ্চু মিয়ার বাড়ি ও চার পাশের বাড়িগুলো পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। পুরো এলাকায় আতঙ্কিত মানুষের ভিড়। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের নিরাপত্তা কর্মীরা চার পাশের সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছেন। ফায়ার সার্ভিস কর্মী এবং স্বেচ্ছাসেবীরা ভেতরে এখনো খুঁজে দেখছে কোনো লাশ পড়ে রয়েছে কি না।
ঘটনাস্থল গিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, আমাদের লক্ষ্য যারা আহত হয়েছেন তাদের যথাযথ চিকিৎসা দেয়া। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর আমরা ঘটনার তদন্ত করব। তদন্তের পর কেন, কিভাবে আগুন লেগেছে সে সম্পর্কে জানাতে পারব।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, নন্দকুমার সড়কের চুড়িহাট্টায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে শাহী মসজিদের সামনে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটির ট্রান্সফরমার বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। এর পরই পাশের খুঁটির আরো দু’টি ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণের শব্দ তারা শুনেছেন। তারা বলেন, মুহূর্তেই আগুন লাগে জামাল কমিউনিটি সেন্টারে। আগুনের ভয়াবহতা এত বেশি ছিল যে, সে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের চারতলা হাজী ওয়াহেদ ম্যানশনে। ভবনটির প্রথম দুই তলায় প্রসাধন সামগ্রী, প্লাস্টিকের দানা ও রাসায়নিক দাহ্য পদার্থের গুদাম থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের আরো চারটি ভবনে। পাশের কয়েকটি খাবারের হোটেলের গ্যাস সিলিন্ডারেও ঘটে বিস্ফোরণ। পুড়ে যায় সড়কে থাকা প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেলে, অটোরিকশা, রিকশাসহ শতাধিক যানবাহন। প্রায় ১৪ ঘণ্টা চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিসের ৩৭টি ইউনিট নিয়ে ২০০ জন কর্মী আগুন নেভাতে সক্ষম হন। এ সময় দু’টি হেলিকপ্টার দিয়ে আকাশ থেকে পানি দিতে দেখা গেছে। তবে খুবই ঘনবসতি এবং রাস্তা সরু হওয়ায় আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয় ফায়ার সার্ভিসকে।
গতকাল সরেজমিন ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চুড়িহাট্টা এলাকাটি একটি সরু গলি, যেখানে দুইটি রিকশা কোনোমতে যাতায়াত করতে পারে। আগুনের ঘটনার সময়ে সরু এই গলির হাজী ওয়াহেদ ম্যানসন থেকে শুরু করে পাশের ওয়াটার ওয়ার্কস রোড, জেলখানা মোড়সহ আশপাশের সবখানেই ছিল যানজট।
প্রত্যক্ষদর্শী কাওসার আমিন ও মোতাহার হোসেন দৈনিক ইনকিলাবকে বলেন, আগুন এমন দানবের মতো হানা দেয় যে, হাজী ওয়াহেদ ম্যানসনের উত্তরের রাস্তায় দাঁড়ানো পিকআপ ভ্যান, রিকশা, সাইকেল, মোটরসাইকেলসহ শতাধিক যানবাহন সব নিমিষেই পুড়ে ছাই হয়ে যায়। যেগুলো এখনও বিবর্ণ হয়ে চুড়িহাট্টার ওই রাস্তায় পড়ে রয়েছে। আগুনে ভবনগুলোর দেয়াল, গাড়ি, দোকানপাটের অংশ হাজী ওয়াহেদ ম্যানসনের উত্তর ও পশ্চিম পাশের রাস্তায় লন্ডভন্ড হয়ে পড়ে থাকতে দেখা গেছে। যেন যুদ্ধবিধ্বস্ত কোনো এলাকা বা ধ্বংসস্ত‚প এটি। আগুনে আশপাশের আরো কমপক্ষে পাঁচটি ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগুনের তাপে খসে পড়েছে ভবনটির পাশের শাহী মসজিদের বাইরের দেয়ালের টাইলসও।
সরেজমিন ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে, হাজী ওয়াহেদ ম্যানসন ভবনটি চার তলা। এর আন্ডারগ্রাউন্ডে আরো একতলা রয়েছে। আন্ডারগ্রাউন্ডের পুরোটাই গোডাউন হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এটি কেমিক্যাল বোঝাই, কিন্তু গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের লোকজন আন্ডারগ্রাউন্ডের ভেতরে প্রবেশ করেনি। চারতলা ভবনটির মূল মালিক হাজী ওয়াহেদ মারা গেছেন। শীর্ষ তলায় থাকেন তার দুই ছেলে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার পুরোটাই কারখানা ও গুদাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এসব কারখানা ও গুদামে সুগন্ধি, পাউডার (কসমেটিকসসহ কলকারখানার পণ্য), খেলনা, বাতি (ড্রিমলাইট), ফ্রিজ মেরামত, গ্রিজ-মবিলসহ দাহ্য পদার্থের কারবার। আর নিচতলাতে বিভিন্ন দোকানপাট ভাড়া দেয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা হাবিবুর রহমান দৈনিক ইনকিলাবকে বলেন, হাজী ওয়াহেদ ম্যানসনের দ্বিতীয় তলা থেকেই আগুনের সূত্রপাত। ওই তলায় অনেক রাসায়নিক বা দাহ্য পদার্থ থাকায় মুহূর্তেই বিস্ফোরণ ঘটে। আগুনের বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গেই হাজী ওয়াহেদ ম্যানসনের দ্বিতীয় তলার পশ্চিম পাশের দেয়ালটি যানজটপূর্ণ ব্যস্ত রাস্তার ওপর আছড়ে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে ভবনটির পশ্চিম-উত্তর কোণে থাকা বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমারটিতেও বিস্ফোরণ ঘটে। সে ভয়াবহ দৃশ্য চোখে না দেখলে বলে বোঝানো যাবে না।
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ গতকাল সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের বলেন, আমরা এ পর্যন্ত ৭০টি লাশ পেয়েছি। লাশের মধ্যে কিছু কিছু লাশ আছে তাদের চেহারা দেখে শনাক্ত করা যাবে। কিছু কিছু লাশ আছে তাদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট লাগবে, ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে শনাক্ত করা যাবে। কিছু কিছু লাশ আছে চেহারা এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে শনাক্ত করা যাবে না, তাদের আমরা ডিএনএ প্রফাইলিংয়ের মাধ্যমে শনাক্ত করব।
শাহী মসজিদের ইমাম আবদুল হক দৈনিক ইনকিলাবকে বলেন, রাতের খাবার খেয়ে শুয়ে পড়ব ঠিক এমন সময় বিকট শব্দ পাই। মসজিদ থেকে বের হতেই আগুনের লেলিহান শিখা দেখি। আগুনের ধোঁয়ায় মুহূর্তেই চার পাশ অন্ধকার হয়ে যায়। এরপর মসজিদে যারা ছিলাম দ্রæত বের হই। রাস্তা সরু হওয়ায় এখানে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ঢুকতেও বেগ পায়। ফজরের পরও আমরা আগুন জ্বলতে দেখি।
তিনি আরো বলেন, নিহত বা নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরাই নন, পাড়া- প্রতিবেশীদের কারো মুখেই তেমন কথা নেই। শোকের ছায়া নেমেছে চকবাজার এলাকাজুড়ে। ফজরের নামাজ শেষে চুড়িহাট্টা শাহী মসজিদে বিশেষ দোয়ায় অংশ নেন মুসল্লিসহ এলাকাবাসী। নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করে মোনাজাত করা হয় সেখানে। এ সময় শত শত মানুষ কান্নায় ভেঙে পড়েন। গতকাল পাঁচ ওয়াক্তের নামাজে একই দৃশ্য দেখা গেছে।
বাচ্চু মিয়ার বাড়ির পাশের বিল্ডিংয়ের বাসিন্দা নূর মোহাম্মদ বলেন, বাচ্চুর বাড়ির নিচের দোকানটি ছিল দাহ্য পদার্থের। রাস্তায় যে পোড়া পিকআপ ভ্যানটি পড়ে আছে ওটা বিস্ফোরণ ঘটে প্রথম। এখান থেকে আগুন এসে বাচ্চুর বাড়িতে লাগে। দাহ্য পদার্থ থাকায় মুহূর্তেই পাশের বাড়িগুলোয় ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ সার্জেন্ট তৈয়েবুর রহমান জানান, ভয়াবহ এই অগ্নিকাÐের প্রত্যক্ষদর্শী তিনি। আজরাইলকে দেখলাম। তবে তিনি আমাকে নেননি। ভাগ্যগুণে আমি বেঁচে গেছি। ওদের মতো আমিও পুড়ে ছাই হয়ে যেতে পারতাম। ঘটনার বর্ণনায় তিনি বলেন, গত বুধবার রাতে সোয়ারীঘাটে দায়িত্ব পালন শেষে মোটরসাইকেলযোগে চকবাজারের চুড়িহাট্টার গলি হয়ে বাসায় ফিরছিলাম। এখানে এসেই যানজটে পড়ি। মোটরসাইকেল, রিকশা, ভ্যান, প্রাইভেট কার ও ঠেলাগাড়িতে আটকে ছিল চুড়িহাট্টা মসজিদের গলিটি। রাত সাড়ে ১০টার পর হঠাৎ বিকট শব্দ শুনতে পাই। একটু দম নিয়ে তিনি বলেন, ওই বিকট শব্দের পর ভয়ে আমি মোটরসাইকেল থেকে পড়ে যাই। তখন দেখতে পাই মাত্র ২০-২২ ফুট দূরে চোখের সামনেই রাজ্জাক ভবনে হু হু করে আগুন ধরছে। আমি এতটাই আতঙ্কিত হয়ে পড়ি যে, মসজিদের বাঁ পাশের সরু গলি দিয়ে দৌড় দিই। কিছুদূূর যাওয়ার পর পেছনে ফিরে দেখি, গলির রাস্তার সব গাড়ি আর ভবন পুড়ছে। ১২ থেকে ১৫ সেকেন্ডের মধ্যে চুড়িহাট্টার গলিতে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আলী আহাম্মেদ খান বলেন, গাড়ির সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত। তবে তদন্ত না করে এ বিষয়ে সঠিক করে বলা সম্ভব হবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বার্ন ইউনিটে ভর্তি ৯:
অগ্নিকাÐের পর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসা নিতে এসেছেন ১৮ জন। তাদের মধ্যে ৯ জন চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। বাকি ৯ জন বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন। বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীনরা হলেনÑ আনোয়ার (৫৫), মাহমুদুল (৫২), সেলিম (৪৪), হেলাল (১৮), রেজাউল (২১), জাকির (৩৫), মোজাফ্ফর (৩২), সোহাগ (২৫) ও সালাউদ্দিন (৪৫)। সোহাগের শরীরের ৬০ শতাংশ ও রেজাউলের শরীরের ৫০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। ৯ জনের মধ্যে আনোয়ার, রেজাউল, জাকির ও সোহাগের শ্বাসনালি পুড়ে গেছে। এর বাইরে ঢামেকের বিভিন্ন ওয়ার্ডে আরও অনেকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালসহ আরও বিভিন্ন হাসপাতালে আহতদের অনেকে চিকিৎসা নিয়েছেন ও অনেকে ভর্তি রয়েছেন বলে স্থানীয় ও স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে।
বার্ন অ্যান্ড প্লস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সমন্বয়কারী অধ্যাপক সামন্তলাল সেন বলেন, চিকিৎসাধীন নয়জনের কেউই ঝুকিমুক্ত নন। তাদের মধ্যে চারজন বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। একজন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) আছেন। খুব দ্রæত আরও দুজনকে আইসিইউতে নেওয়া হবে।
পরিচয় শনাক্ত
ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নিহতদের মধ্যে ৪১ জনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে গতকাল রাত পর্যন্ত শনাক্ত হওয়া সবার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শনাক্ত হওয়া লাশের মধ্যেÑ রাজু (৩০), তার ভাই মাসুদ রানা (৩৫), সিদ্দিকুল্লাহ (৪৫), আবু বকর সিদ্দিক (২৭), আলী মিয়া (৭৫), মোশাররফ হোসেন (৩৮), কামাল হোসেন (৫২), ইয়াসিন খান রনি (৩২), জুম্মন (৬৫), এনামুল হক (২৮), মজিবর হাওলাদার (৪৫), মুফতি ওমর ফারুক (৩৫), মোহাম্মদ আলী (৩২) ও তার ভাই আবু রায়হান (৩১), তার ছেলে আরাফাত (৩), ইমতিয়াজ ইমরোজ (২৪), হেলাল (৩০), ওয়াফিউল্লাহ (২৫), সোনিয়া (২৮), স্বামী মিঠু (৩৫), তাদের ছেলে শাহিদ (৩), রহিম দুলাল (৪৫), হিরা, নাসির, মঞ্জু, আনোয়ার, কাওছার, শায়লা খাতুন, আরমান হোসেন রিমন, মামুনুর রশীদ, আবু তাহের, রুবেল হোসেন, সৈয়দ সালাউদ্দিন, মুসা, ইলিয়াস মিয়া, মিজানুর, আসিফ, মো. হোসেন বাবু, খলিলুর রহমান সিরাজ, নূর ইসলাম হানিফ, নবীউল্লাহ খাঁনসহ আরও কয়েকজনের লাশের পরিচয় সনাক্ত হয়েছে
হস্তান্তর প্রক্রিয়া:
দুপুর ৩টা থেকে লাশ হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু হয়। তবে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে গিয়ে লাস হস্তান্তরে দীর্ঘ সময় লাগে। কামাল হোসেন নামে একজনের লাশ হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে প্রথম লাশ হস্তান্তর শুরু হয়।
নিহত কামালের শ্যালক মো. বাবুল বলেন, তার ভগ্নিপতি কামাল হোসেনের হসান্তরের সময় দীর্ঘ সময় লাগে। স্বাক্ষর করা নিয়ে ঝামেলা তৈরি হয়। কোন কোন স্বজন বলেন, লাশ সনাক্তের সময় যে স্বাক্ষর করেলে বুঝে নেওয়ার সময়েও তাকে স্বাক্ষর করতে হয়। যার কারণে নিহতদের স্বজনদের অনেকে শোকে অজ্ঞান ও মূর্ছা যাওয়ায় স্বাক্ষর করতে পারছে না। এতে লাশ বুঝে পেতে বেগ পেতে হয়।

 



 

Show all comments
  • Israil Isha ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৬ এএম says : 0
    গর্ভবতী স্ত্রী নামতে পারেননি, তাই নামেননি স্বামীও। দুজনই আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা গেছেন। নিজের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত জেনেও গর্ভবতী স্ত্রীকে ফেলে রেখে নিচে নেমে আসেননি হতভাগা স্বামী, দুজনই শহীদ
    Total Reply(0) Reply
  • Kamal Kamal ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৯ এএম says : 0
    Pls to save life we have to be very careful about that.
    Total Reply(0) Reply
  • Kamal Kamal ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৯ এএম says : 0
    I have a request to the prime minister to stop gas cylinders in the vehicle.
    Total Reply(0) Reply
  • Md Firoz ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:০০ এএম says : 0
    এমন ত হবেই ওদের ত রাস্তার দরকার নাই ,আজ কি হলো যদি রাস্তা প্রসস্ত থাকতো তাহলে এমন তাজা প্রান গুলো অসময়ে ঝড়ে যেত না
    Total Reply(0) Reply
  • Ismail Hossain ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:০০ এএম says : 0
    allsh sabai k jannat basi korio
    Total Reply(0) Reply
  • Rakibul Huda ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:০১ এএম says : 0
    পুরান ঢাকার চকবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি,
    Total Reply(0) Reply
  • M Osman Gani ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:০১ এএম says : 0
    · চকবাজার ট্র্যাজেডি। আমার বাসা থেকে বেশী দূরে নয়। ঘটনা ঘটার পর থেকে আজকে পর্যন্ত আমি সেখানে কয়েকবার গিয়েছিলাম। স্বচক্ষে দেখলাম। সাক্ষী হলাম একটা নির্মম ঘটনার।
    Total Reply(0) Reply
  • Imran Ahmed Babul ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:০২ এএম says : 0
    চকবাজার ট্র্যাজেডি " চ্যানেল 24 বলে ৭৮ জন নিহত হয়েছেন,৭১ টেলিভিশন বলে ৭০ জন নিহত হয়েছেন ,কার কথা বিশ্বাস করবেন!! নিহত পরিবারকে এক লক্ষ টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শ্রম মন্ত্রণালয়!!এরকম অবস্থা জদি টিভি চ্যানেলের হয়। তাহলে সাধারণ মানুষ টিভি চ্যানেলের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলবে !! "আমরা গভীরভাবে শোকাহত "
    Total Reply(0) Reply
  • Anees Javed ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:০৩ এএম says : 0
    "চকবাজার " ট্র‍্যাজেডি.. এটি একটি নিশ্চিত ভাবে সম্ভ্যাব্য ঘটনা ছিলো। সকল সরকার এই অপ্রসস্ত রাস্তা চওড়া করতে এবং এমন ঘনবসতি থেকে রাসায়নিক এর দোকান ও গুদাম সরাতে চেয়েছিলো সংশ্লিষ্ট ব্যাবসায়ীদের কারনে কিছুই করা যায় নি এবং অবশেষে ঘটনা ঘটেই গেলো।
    Total Reply(0) Reply
  • Billal Hossain Shagor ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:০৩ এএম says : 0
    চকবাজারের চুড়িহাট্টায় অগ্নিকাণ্ডের একটি মুদি দোকানের সবকিছু পুরে গেলেও কালো বর্ণের গোটা গোটা আরবি হরফগুলো ধ্বংসাবশেষের মধ্যে একমাত্র রক্ষা পাওয়া বস্তু।
    Total Reply(0) Reply
  • MD Hasanuzzaman ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৫ এএম says : 0
    ▓▓▓▓▓ চকবাজার ট্র্যাজেডি ▓▓▓▓▓ ১. গর্ভবতী স্ত্রী নামতে পারেননি; তাই স্বামীও নামেননি! ফলাফল গর্ভের সন্তানসহ স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু! ২. চার বন্ধু আড্ডা দিচ্ছিলেন প্রতিদিনের মতো। চারটি মাথার পোড়া খুলি পড়ে আছে! ৩. বাবার কাছে সন্তান বিরিয়ানি খেতে চেয়েছে! বাবা বিরিয়ানি নিয়ে ফিরে এসে এখনো পাননি সন্তানকে! ৪. জমজ সন্তানদের বয়স ১ বছরের মতো। মর্গে বাবাকে খুঁজতেছে! ৫. দুই ভাইয়ের জড়াজড়ি করা লাশ আলাদা করা যাচ্ছেনা। আলাদা করার পর তাদের বুকে জড়িয়ে ধরা শিশুর লাশ। শিশুকে বাচাঁনোর শেষ চেষ্টা করছিলেন দুই ভাই। ৬. ছেলে নর্থসাউথ এ পড়ে; সন্তানের লাশ চাচ্ছে তার মা। একটু মাংসের দলা হলেও চলবে। তিনি শেষবার বুকে জড়িয়ে ধরবেন। ৭. মৃত ভাইয়ের লাশ শনাক্ত করে বাবাকে ফোন দিয়ে বলছে ভাইয়ের লাশ পাবার কথা। কতোটা দুর্বিষহ!! কতোটা তুচ্ছ এ জীবনটা!! আদরে জিইয়ে রাখা শরীরটা এভাবে বলি হয়ে যায়!! ভাবা যায়না!! একদম ভাবা যায়না!! মনে করতেই গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠছে বারবার!! কারণ এরই নাম জীবন!!!
    Total Reply(0) Reply
  • Shumon Chowdhuri ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:০৫ এএম says : 0
    হাতিরঝিল, কয়েকটা ভুলভাল নকশার ফ্লাইওভার আর পদ্মাসেতুর নামে নদীর মঝে কিছু স্তম্ভ দেখিয়ে সারাদেশে উন্নয়নের জোয়ারে ভেসে যাওয়ার ঢাকঢোল পেটানো হচ্ছে। অথচ একটা দেশের প্রকৃত উন্নয়ন নির্ভর করে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা আর সামাজিক সুরক্ষার পরিমাপের মাধ্যমে। সস্তা জনপ্রিয়তার জন্য কিছু চাকচিক্যময় বস্তু দাঁড় করিয়ে দিলেই উন্নতি হয় না। নিমতলির মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডের পরে প্রধানমন্ত্রী ব্যস্ত হয়ে গেল এতিম তিনকন্যার দেয়ার মাধ্যমে সস্তা জনপ্রিয়তার জন্য। অথচ ঐ অগ্নিকাণ্ডের পরে হাসিনাসহ সবাই কত বড় বড় বয়ান দিলেন, হেন করেঙ্গা তেন করেঙ্গা। কিন্তু কাজের বেলায় দেখা গেল কচু করেছেন, কিছুই করেন নি। মেয়র নির্বাচনের সরকারি প্রার্থী ঘোষণা দিল ঢাকা শহর নাকি সিংগাপুর বানিয়ে ফেলবে। আরেক ছাগলমন্ত্রী বলে আকাশ থেকে নাকি ঢাকাকে লস এঞ্জেলসের মত মনে হয়। আর এসব শুনে তাদের নেত্রী নিজের দুর্গন্ধযুক্ত বগল বাজানো শুরু করে, বাকিরাও আনন্দে উলুধ্বনি দেয়া শুরু করে। কিন্তু বাস্তবতা হল চকবাজারের এই মৃত্যুর মিছিল। হায় রে অভাগা দেশ, অভাগা দেশের মানুষ।
    Total Reply(0) Reply
  • Surojit Das ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৭ এএম says : 0
    মর্মান্তিক এই ঘটনা যেন আর না ঘটে এটাই আসিরবাদ করি ভগবান এর কাছে।আমরা শোকাহত।
    Total Reply(0) Reply
  • Tahsan Shafiq ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৭ এএম says : 0
    দুর্ঘটনা ঘটলেই মন্ত্রী সাহেবরা বলে এ ঘটনা থেকে আমরা শিক্ষা নিলাম কিন্তুু দায়ভার নেয় না।আল্লাহই ভালো জানে ওনারা শিক্ষার পরিবর্তে দায়ভার কবে নিয়ে বলবে"এ ঘটনার জন্য আমি দায়ী,আমি অব্যাহতি নিলাম"
    Total Reply(0) Reply
  • Juwel Moinuddin ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:০৫ এএম says : 0
    পুরান ঢাকার নিমতলীর ঘটনার পর থেকে দায়িত্ব প্রাপ্ত মেয়র ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীগণ তাদের পরবর্তী কার্যক্রম যদি যথাযথ ভাবে করে আসতেন, তাহলে হয়তো আজকে এতবড় আরেকটি দূর্ঘটনা আমাদের দেখতে হইতো না। সব কিছুই কি প্রধানমন্ত্রী কে করতে হবে ??? তাহলে এতসব মন্ত্রীদের কাজ কি ??? অপরিকল্পিত নগরায়ণ সহ অপ্রস্তুত রাস্তা ঘাট যত দিন ঠিক করা হবে না , ততো দিন ঢাকা শহরে এইধরণের দূর্ঘটনা ঘটেই যাবে।
    Total Reply(0) Reply
  • Ruhul Amin ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:০৬ এএম says : 0
    ২০১০ থেকে শিক্ষা না নেয়ার উপযুক্ত সাজা। যে সমস্ত দু'নিতী বাজদের জন্য রসায়নিক গোডাউন সড়ানো যায় নি তাদেরকে কমে'অবহেলার জন্য গ্রেফতার করে বিচার করা হউক।ক্যামিকেলের গোডাউন না থাকলে আগুনের ভয়াবহতা এতটা হত না।
    Total Reply(0) Reply
  • Zahid Rahman ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৮ এএম says : 0
    চকবাজার ট্র্যাজেডি!যার যায় সে বোঝে কত ব্যাথা।হাসি কি ভাবে আসে দেখে ভাষা হারিয়ে যায়,
    Total Reply(0) Reply
  • BM Nurealom Al Sadi ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:৫৯ এএম says : 0
    গত পাচটি বছর ধরে যখন বিশ্ব মিডিয়া লাগাতার নক করে বলছে- "ঢাকা বসবাসের অনুপযুক্ত শহর" "ঢাকা সবচেয়ে বড় জানজটের শহর" "নিরাপত্তার সূচকে ঢাকার অবস্থান সবচেয়ে নিচে" তখন আমাদের মন্ত্রীরা বলেছেন- "নিউনিউইয়র্কের থেকে ঢাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত"- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী "আকাশ থেকে ঢাকা দেখলে লসএঞ্জেলস মনে হয়"- তথ্যমন্ত্রী। "হাতিরঝিলে গেলে মনে হয় প্যারিসে এসেছি"- তথ্যমন্ত্রী। অন্যদিকে আমাদের সংবাদমাধ্যম ব্যস্ত হল "ওয়ার্ল্ডের ৩য় সৎ রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা" "শেখ হাসিনা মাদার অব হিউমানিটি" "একবিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী নারী শেখ হাসিনা" "টাইম ম্যাগাজিনের হিসেবে ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় শেখ হাসিনা" আরও কত অদ্ভুত অপ্রয়োজনীয় আইওয়াশ নিউজের শিরোনাম নিয়ে। ওহে জনগণ!! লাশের রাজনীতি যতদিন তুমি বুঝবে না ততোদিন তুমি এভাবেই মরবে, এভাবেই পুড়বে, এভাবেই পুড়ে অঙ্গার হবে। এই মাদার অব হিউম্যানিটির হিউম্যানিটি দিয়ে রাজনীতির ফায়দা হতে পারে, মানুষের কোন ফায়দা নেই। মানুষের ফায়দা নিরাপদ জীবন, নিরাপদ শহরে। আপনি আপনার প্রতিনিধি নির্বাচন করেন না বলে, আপনার নেতা আপনার সাথে আপনার এলাকায় থাকে না। তারা থাকে আকাশে। একারনেই আকাশ থেকে দেখে আপনার শহরকে লসএঞ্জেলস মনে হয়। আপনাকে দেখে মনে হয় 'এঞ্জেলিনা জোলি অথবা ব্রাডপিট'... চলুন তালিয়া বাজাই। লাশের রাজনীতি আপনি বুঝবেন না!! বুঝতে চাইবেন না.... পুরো দেশ যেখানে শোকে স্তব্ধ। সেখানে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে ঘোষণা আসে প্রত্যেক মৃতদেহের জন্য ১ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে।।।।। জীবণটা বাঁচানোর দায়িত্ব নেন। মরা দেহের দাম দেওয়ার দরকার নেই।
    Total Reply(0) Reply
  • ash ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ৬:১৫ এএম says : 0
    CHOK BAJARER AGUNE PURE ATO DHONSHOJOGGO, ATO NIROPORADH MANUSH ER MRITUR DAY VAR SHORKAR KEI NITE HOBE !! NIMTOLIR GHOTONAR POREO AI OKORMA KUFA , DURNITI BAJ SHORKAR KISUI KORE NAI !! MONE HOCHE ORA YABA KHEA VUMMMMMMMMM HOE ASE !! AK AK TA LAW KORE TAR POR OI LAW KE KRJOKOR KORA HOCHE KINA TA DEKHAR KONO GOROJ MONE KORE NA , YEABA KHEA JIMATE THAKE
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ট্র্যাজেডি

৭ মার্চ, ২০১৯
২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ