Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ২০ মার্চ ২০১৯, ০৬ চৈত্র ১৪২৫, ১২ রজব ১৪৪০ হিজরী।

হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ খেলা

| প্রকাশের সময় : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:০৪ এএম

কুষ্টিয়া থেকে এস এম আলী আহসান পান্না
হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলা। গ্রামীন খেলার পরিবর্তে শিশুরাও জমিয়ে তুলেছে ক্রিক্রেট খেলা। গ্রামীন খেলাধূলা পরিবর্তে অন্য খেলা ধূলার প্রতি আকৃষ্ট হওয়ায় বিলুপ্ত হতে চলেছে গ্রামীন খেলা।

জানা যায়, হৈচৈ আর রৈ রৈ রবে মুখরিত হতো গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলা। কুষ্টিয়ার গ্রাম অঞ্চলে পড়ন্ত বিকালে চোখে পড়তো পল্লী গাঁয়ের এ খেলা। কৃষকরা সারাদিন মাঠে কাজ করে ক্লান্তিবোধ করলেও সব বয়সের মানুষ খেলার মাঠে জড়ো হতো। মাঠে এসে তারা হৈহৈ রৈরৈ রবে করতালী আর শোরগোলে হাডুডু, কাবাডি, দাড়িয়াবান্ধা, গোল্লাছুট খেলা শুরু করতো। কি ছেলে, কি বুড়ো সকলের মন ছিলো খেলার জন্য পাগলপারা। খেলাধূলায় কুষ্টিয়ার ছিল দেশ ব্যাপী সুনাম। কালের আবর্তে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীন খেলা। এখন আর হাডুডু, লাঠিখেলা, কাবাডি, দাড়িয়াবাঁধা, গোল্লাছুট, পলানটুক খেলা চোখে পড়েনা। ওয়াটার ফুটবল খেলাও দেখা যায় না। এ সব খেলার পরিবর্তে আয়োজন করা হচ্ছে ক্রিকেট খেলার। ক্রিকেটের জন্য উপযুক্ত মাঠ না হওয়া সত্তে¡ও সেখানে ক্রিকেট খেলা হচ্ছে। ছোট ছোট ছেলেরা ব্যাট বল হাতে নিয়ে অনুশীলন করছে এ মাঠে।

জেলার পল্লী অঞ্চল থেকে এ খেলা হারিয়ে গেলেও কুষ্টিয়ার হরিপুরবাসী এ খেলাকে ধরে রেখেছে। প্রতি বছরই তারা আয়োজন করে এ খেলার।
গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য খেলাধূলার আয়োজন না থাকায় হারিয়ে যাচ্ছে এসব খেলা। ক্রীড়াঙ্গনকে উজ্জীবিত করতে ও এ খেলাকে ধরে রাখতে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি খেলোয়ারদের।

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ