Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার ১৭ জুন ২০১৯, ৩ আষাঢ় ১৪২৬, ১৩ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরী।

ইরিগেশন পাম্পে কৃষকদের ভাগ্য বদল

| প্রকাশের সময় : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:০৪ এএম

চুয়াডাঙ্গা থেকে কামাল উদ্দীন জোয়ার্দ্দার
কৃৃষকদের ভাগ্য পরিবর্তনে চুয়াডাঙ্গায় সৌর চালিত সোলার ডিপ ইরিগ্রেশন পাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এতে যেমন সময় অপচয় কম হবে, তেমনি গভির নলকুপের তুলনায় সেচ খরচও কম হবে।
চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলা সদর ইউনিয়নের কেশবপুর, জুড়ানপুর ইউনিয়নের বিষ্ণপুর ও হাউলি ইউনিয়নের কাদিপুর গ্রামের মাঠে তিনটি সৌর চালিত ডিপ ইরিগ্রেশন পাম্প স্থাপন করা হয়েছে।

দামুড়হুদা উপজেলার কাদিপুর ও কেশবপুর গ্রামের মাঠে ইত্যেমধ্যে সেচ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
এছাড়াও বিষ্ণপুর মাঠের পাম্প বসানোর কার্যক্রম প্রায় শেষের দিকে। আগামি কয়েক দিনের মধ্যে এটির সেচ কার্যক্রম শুরু করা হবে। বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তায় ইডকলের অর্থায়নে ওয়েভ ফাউন্ডেশনের বাস্তবায়ন করছে।

ওয়েভ ফাউন্ডে সোলার ডিপ ইমিগ্রেশনের সমন্বয়কারী কিতাব আলি জানান, বিদ্যুৎ বিহীন মাঠে এই পাম্প বসানো হচ্ছে। প্রথমে মাঠে পানি পরীক্ষা করে আর্সেনিক মুক্ত এলাকায় কৃষকদের মতামতে ভিতিত্বে ১০ কাঠা জমি প্রতি বছরে ৫/৬ হাজার টাকা চুক্তিতে লিজ নেওয়া হয়। পরে ওই জমিতে ৬৩ লক্ষ টাকা ব্যায়ে মেসিনের ঘর, দুই সারিতে ১৩৬ টি সৌর প্যানেল, মাটির নিচ দিয়ে পাইপ বসানোর হয়েছে। জমির ৪ ফুট মাটির নিচ থেকে পাইপ বসানো হয়েছে। যাতে করে চাষিদের চাষ কাজের কোন অসুবিধা বা জমি অপচয় না হয়। এই ডিপ ইরিগ্রেশন পাম্প থেকে ২০০ বিঘা জমিতে অনাএসে সেচ সুবিধা দেওয়া সম্ভব হবে। সৌর প্যানেলে সংযোগ দেওয়ার কাজসহ সকল কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এখান থেকে প্রতি ঘন্টায় আড়াই লক্ষ লিটার পানি উত্তোলিত হবে। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এই পাম্প চালানো যাবে। রাতে কখোনোই এই পাম্প চালানো যাবে না।

জানা গেছে, সম্পতি দামুড়হুদার কাদিপুর গ্রামের মাঠ ও কেশবপুর মাঠে সেচ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বিষ্ণপুর মাঠে সেচ কার্য়ক্রম শুরু করা হবে। সোলার ডিপ ইরিগ্রেশনের আওতায় চাষীরা চাষ করে অনেক সুবিধা পাবেন। যেখানে গভির নলকুপে বছরে সেচ খরচ হয় ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা। অগভির নলকুপে স্যালো ইজ্ঞিনে প্রতি বছর খরচ হয় ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা। সেখানে সোলার ডিপ ইরিগ্রেশন পাম্পের আওতায় প্রতি বছর এক বিঘা জমিতে সেচ খরচ ধরা হয়েছে মাত্র ৪ হাজার ৫ শত টাকা।
ওয়েভ ফাউন্ডেশন জানান, ২০ বছর এই ডিপ ইরিগ্রেশন পাম্প পরিচালনার করবেন। এখানে একজন মাসিক চুক্তিতে চালক নিয়োগ দেওয়া হবে। চাষিরা চালককে তার জমিতে পানির প্রয়োজন জানালেই সে জমিতে পানি দেওয়া হবে।
আরো জানান, চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদহ জেলায় বিদ্যুৎ বিহীন আর্সেনিক মুক্ত এলাকায় পর্যায় ক্রমে চলতি সেচ মৌসুমে ৩০টি সোলার ডিপ ইরিগ্রেশন পাম্প স্থাপন করা হবে। বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদহ জেলাই ১৪টি সোলার ডিপ ইরিগ্রেশন পাম্প চালুকরা হয়েছে।

 

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: কৃষক

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ