Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৫ এপ্রিল ২০১৯, ১২ বৈশাখ ১৪২৬, ১৮ শাবান ১৪৪০ হিজরী।

প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে ’৭৫ জড়িতরা

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:০৬ এএম

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের গণশুনানির প্রতি ইঙ্গিত করে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ষড়যন্ত্র কিন্তু শেষ হয়নি। এই যে ঘুমানো চক্র (জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট) দেখছেন তারা কিন্তু একটি জিনিসই পারেন, তা হলো ষড়যন্ত্র। ষড়যন্ত্র করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধেও তারা একইভাবে ষড়যন্ত্র করছে। যারা আজকে প্রধানমন্ত্রী বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে তারা কিন্তু বঙ্গবন্ধুর পাশে থেকেও তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। গতকাল সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির অডিটরিয়ামে বাংলাদেশ আইনজীবী সহকারী সমিতি আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের নেপথ্যে কারা ছিলেন তাদের চিহ্নিত করার জন্য একটি কমিশন দরকার। আজকে তাদের চেহারা ধীরে ধীরে উন্মোচিত হচ্ছে। আমরা সেই কমিশনও জনগণকে উপহার দেব যাতে ইতিহাস ঠিকভাবে লিখিত হয়। বিকৃত ইতিহাস যেন আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আর পড়তে না হয়।
আইনমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া ভোটারবিহীন একটি নির্বাচন করেছিলেন। ভোটারবিহীন নির্বাচন হয়েছিল বলেই দেড় মাসের মধ্যে খালেদা জিয়াকে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হয়েছিল। ২০১৪ সালে খালেদা জিয়া আন্দোলনের চেষ্টা করে অগ্নিসন্ত্রাস করেছেন। জনগণ কিন্তু তাতে সায় দেয়নি। আবার তারা ২০১৮ সালে নির্বাচন করে পরাজিত হয়েছেন।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অনুষ্ঠিত গণশুনানির প্রতি ইঙ্গিত করে আইনমন্ত্রী বলেন, জাতীয় নির্বাচনে পরাজিত হয়ে তারা এখন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির অডিটরিয়ামে ‘অডিটরিয়াম শুনানি’ করছেন। তারা বলছেন, গত ৩০ ডিসেম্বর নাকি নির্বাচন হয়নি। তাদের ওই অনুষ্ঠানে একজনও জনগণ নেই। তারা ঘুমিয়েছেন এখানে বসে। তারপরও বলছেন, উনারা নাকি অডিটরিয়ামে গণশুনানি করেছেন। জনগণ তো শেখ হাসিনার সঙ্গে, উনাদের সঙ্গে নেই। উনাদের সঙ্গে জনগণ নেই বলেই তাদের অডিটরিয়ামে বসে শুনানি করতে হয়, সেক্ষেত্রে শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে গণশুনানি করেছিলেন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। আর এখানেই হলো শেখ হাসিনার সঙ্গে তাদের পার্থক্য।
বাংলাদেশ আইনজীবী সহকারী সমিতির সভাপতি মো. মোহাম্মদ নূর মিয়ার সভাপতিত্বে এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন রেলমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন, বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী, ঢাকা কোর্ট আইনজীবী সহকারী সমিতির সভাপতি মো. আবদুল হান্নান, সাধারণ সম্পাদক মো. খোরশেদ আলম প্রমূখ।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন