Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার ১৬ জুন ২০১৯, ২ আষাঢ় ১৪২৬, ১২ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরী।

চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী ঘোষণার পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন চাই

চট্টগ্রাম ব্যুরো : | প্রকাশের সময় : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:০৬ এএম

বৃহত্তর চট্টগ্রাম উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটি কার্যকরি পরিষদের চেয়ারম্যান ডা. শেখ শফিউল আজম আজ রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চট্টগ্রামে আগমনকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, চট্টগ্রামকে সত্যিকার অর্থে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার ব্যাপারে ঘোষণার পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন চাই। প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের উন্নয়নের দায়িত্ব নিজ কাঁধে নিয়ে চট্টগ্রামবাসীর প্রাণের দাবীগুলো বাস্তবায়নে এ প্রর্যন্ত অনেক মেগা প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করছেন। এতে চট্টগ্রামবাসী কৃতার্থ। তবে কিছু কিছু প্রকল্প অপরিকল্পিতভাবে বাস্তবায়ন হওয়ায় জনমনে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। ইতোমধ্যে নগরীতে ফ্লাইওভারগুলো বাস্তবায়ন নিয়ে এক মন্ত্রী আরেক মন্ত্রীর সাথে ঝগড়া-বিবাদ হতেও দেখা গেছে।
বর্তমানে লালখান বাজার থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নিয়েও নানা কথা ও পরিবেশবাদীদের আন্দোলন শুরু হয়েছে। আখতারুজ্জামান চৌধুরী ফ্লাইওভারের নিচে দোকান-পাট নির্মাণের ঘোষণা দেয়ায় সিডিএর এ অযোক্তিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। তিনি বলেন, চট্টগ্রামের পরিকল্পিত উন্নয়নে রাজনৈতিক ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা ও নগর পরিকল্পনাবিদ উন্নয়ন সংগঠকদের মতামত নিয়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা উচিত। চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী ঘোষণা করা হলেও অদ্যাবধি তা বাস্তবায়নে কার্যক্রম কোন উদ্যোগ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। বাস্তবে এখান থেকে ব্যবসা-বাণিজ্য সংক্রান্ত যাবতীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নযোগ্য কোন অরগানোগ্রাম এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তাই এখনই জরুরী ভিত্তিতে আমদানি-রফতানি নিয়ন্ত্রকের প্রধান কার্যালয়, বাণিজ্য ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রাণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম এমন উচ্চস্তরের দপ্তর, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের একই রকমের দপ্তর, ইপিজেড-এর প্রধান কার্যালায়, কতিপয় বাণিজ্যিক ব্যাংক-বীমার সদর দপ্তর চট্টগ্রামে স্থানন্তরসহ নতুন অনুমোদিত ব্যাংক-বীমার প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে স্থাপন করা প্রয়োজন। বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ডেপুটি গভর্নর নিয়োগ দিয়ে বাণিজ্যিক রাজধানীর বাস্তবায়নে সম্ভাব্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়নে উদ্যেগ গ্রহণ করে সংসদে জাতীয় বাণিজ্যিক রাজধানীর বিল পাস করতে হবে। সভায় মহাসচিব এইচ এম মুজিবুল হক শুক্কুর বলেন, নির্মাণাধীন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে লালখান বাজার থেকে নির্মাণ না করে বরং লালখান বাজারের নয়নাভিরাম সৌন্দর্য্য অক্ষুন্ন রেখে টাইগারপাস থেকে দেওয়ান হাট সিটি কর্পোরেশন কলেজের সামনে দিয়ে বিকল্প সড়কে শেখ মুুজিব রোড হয়ে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে করা প্রয়োজন।
আন্দরকিল্লা রেড ক্রিসেন্ট মিলানায়তনে অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ভাইস চেয়ারম্যান লায়লা ইব্রাহিম বানু, মোহাম্মদ উল্লাহ, অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম সিদ্দিকি, যুগ্ম মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ইব্রাহিম, কাজী গোলাপ রহমান, এসএম সিরাজউদ্দৌলা, আব্দুর রহমান মান্না প্রমুখ।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন