Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৫ এপ্রিল ২০১৯, ১২ বৈশাখ ১৪২৬, ১৮ শাবান ১৪৪০ হিজরী।
শিরোনাম

২০ হাজার হজ কোটা বরাদ্দ দিন : সউদী হজ মন্ত্রীর সাথে বৈঠকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১২:০৪ এএম

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ অ্যাডভোকেট শেখ মো. আব্দুল্লাহ সউদী সরকারের কাছে আরো অতিরিক্ত ২০ হাজার হজ কোটা বরাদ্দের জোর দাবি জানিয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভ্রাতৃ-প্রতীম সউদী আরবের সাথে বাংলাদেশ ক‚টনৈতিক সর্ম্পক অত্যন্ত চমৎকার। সউদী সরকার বাংলাদেশকে অতিরিক্ত হজ কোটা বরাদ্দ দিলে উভয় দেশের মধ্যে সর্ম্পক আরো সুদৃঢ় হবে ইনশাআল্লাহ।
সউদী হজ ও ওমরাহ মন্ত্রী ড. মো. সালেহ বিন তাহের বেনতেন অতিরিক্ত কোটা বরাদ্দের প্রস্তাব বিবেচনার জন্য সউদী বাদশার কাছে উত্থাপন করার আশ্বাস দেন। সউদী হজমন্ত্রী বাংলাদেশের হাজীদের সুবিধার্থে অন্যান্য দাবীসমূহ মেনে নেয়ার প্রতিশ্রæতি দেন।
গতকাল রোববার বিকেলে পবিত্র মক্কায় সউদী হজ মন্ত্রণালয়ে সফররত ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ শেখ মো. আব্দুল্লাহ সউদী হজ ও ওমরাহ মন্ত্রী ড. মো.সালেহ বিন তাহের বেনতেনের সাথে অনুষ্ঠিত দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে এ দাবি উত্থাপন করেন। বৈঠকে সউদী হজ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মুয়াসসাসার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, ধর্ম সচিব মো. আনিছুর রহমান, সউদী আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসীহ, হাব মহাসচিব এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম, জেদ্দাস্থ মিশনের সিজি এস এম বোরহান উদ্দিন, মক্কাস্থ বাংলাদেশ হজ মিশনের কাউন্সেলর হজ মাকসুদুর রহমান, ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর এপি এস শেখ নাজমূল হক সৈকত ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসাইন। রাতে মক্কা থেকে জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসাইন এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বৈঠকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ শেখ মো. আব্দুল্লাহ সউদী-বাংলাদেশ দ্বি-পাক্ষিক হজ চুক্তির চেয়ে অতিরিক্ত আরো ২০ হাজার হজযাত্রী জন্য কোটা বরাদ্দ দেয়াসহ পাঁচটি দাবি উত্থাপন করেন। অন্যান্য দাবিসমূহ হচ্ছে, হজ মৌসুমে হজযাত্রীদের ইমিগ্রেশন কার্যক্রম জেদ্দার পরিবর্তে ঢাকায় সম্পন্ন করা, হজ এজেন্সির কোটা দেড়শ’ থেকে ১শ কোটায় নামিয়ে আনা, মিনা-আরাফায় বাংলাদেশি হাজীদের পরিবহন সুবিধা নিশ্চত করতে হবে এবং মিনায় দ্বি-তল খাটের প্রস্তাব বাতিল করতে হবে। সউদী হজমন্ত্রী অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠকে এসব দাবি মেনে নিতে সম্মতি প্রদান করেন। শুধু অতিরিক্ত ২০ হাজার হজ কোটার প্রস্তাব সউদী বাদশার কাছে বিবেচনার জন্য যথাযথ প্রক্রিয়ায় পেশ করার আশ্বাস দেন সউদী হজ ও ওমরাহ মন্ত্রী ড. মো. সালেহ বিন তাহের বেনতেন।



 

Show all comments
  • Sohel ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:৪৮ এএম says : 0
    হাজিদের পরিবহন ব্যাবস্থা সব এয়ারলাইনস কে করতে দিন এটা আপনার কাছে আকুল আবেদন।
    Total Reply(0) Reply
  • Aslam Sarker ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:৪৯ এএম says : 0
    Right ase,
    Total Reply(0) Reply
  • রাসেল পাঠান ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:৫২ এএম says : 0
    আমি তো মনে করি আমাদের দেশের জন্য আরও কোটা প্রয়োজন। অনেক ধর্মপ্রাণ মুসলমান ইচ্ছা থাকা সত্বেও প্রতি বছর হজ করতে পারছে না।
    Total Reply(0) Reply
  • মোঃ নাজীব ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:৫২ এএম says : 0
    সৌদি আরবের উচিত বিশ্বের অন্যতম মুসলিম প্রধান দেশ বাংলাদেশের জন্য বেশি সংখ্যাক হজ কোটা বরাদ্দ দেওয়া।
    Total Reply(0) Reply
  • সাদ বিন জাফর ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১:৫১ এএম says : 0
    যৌক্তি দাবি মেনে নেওয়া হোক। ইচ্ছুক সবাই যাতে পবিত্র হজ পালন করতে পারে।
    Total Reply(0) Reply
  • Md. Sultan Uddin Bhuiyan ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১০:১৬ এএম says : 0
    বাংলাদেশী ধর্মপ্রাণ সকল মানুষ যে ইচ্ছা করবে তিনিই যেন হজ্জ মৌসুমে হজ্জ করতে পারেন সে ব্যবস্থা করণের জন্য জোর দাবী জানাই।
    Total Reply(0) Reply
  • আলহাজ্ব এম এ হাসেম ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ৮:০৪ এএম says : 0
    আমি মনে করি বাংলাদেশী হাজী বেশী কষ্ট পায়।কারন মিনা ও আরাফাত যাওয়া সময়ে পরিবহনের যে সনকট তাহা মন্রিমহাদয় যেন জোড়দাবী জানা সৌদি মন্রীকে। একটা বাসে একশত হাজী উঠা যাহা বলতে কষ্ট লাগে।অন্য কোন দেশের হাজীদের এই নিয়ম নাই।তাই মন্রী কাছে অনুরোধ আপনী এই গুলোপ্রতি একটু নজর দিবেন।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: হজ


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ