Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার ২৩ এপ্রিল ২০১৯, ১০ বৈশাখ ১৪২৬, ১৬ শাবান ১৪৪০ হিজরী।

সংসদে প্রশ্নোত্তর: আন্তর্জাতিক কোম্পানীগুলোকে বিনিয়োগে আকৃষ্ট করতে পিএসসি আধুনিকায়ন হচ্ছে

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ৯:১৫ পিএম

সমুদ্র অঞ্চলে তেল গ্যাস অনুসন্ধ্যানে আন্তর্জাতিক কোস্পানীগুলোকে বিনিয়োগে আকৃষ্ট করতে বিদ্যমান বন্টন চুক্তি (পিএসসি) যুগোপযোগি ও আধুনিকায়নের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি আরো জানান, পাঁচটি আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানী অগভীর ও গভীর সমূদ্রের ৪টি ব্লকে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের কাজে নিয়োজিত রয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এতথ্য জানান। সরকারী দলের সদস্য মোহাম্মদ শহীদুল ইসলামের লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, বাংলাদেশ-ভারত ও বাংলাদেশ-মিয়ানমার এর মধ্যে সমূদ্র সীমানার বিরোধ নিস্পত্তির পর তেল- গ্যাস অনুসন্ধ্যানের লক্ষ্যে গভীর ১৫টি ও অগভীর ১১টি মোট ২৬টি ব্লকে ভাগ করা হয়েছে। অগভীর সমূদ্রের ৩টি এবং গভীর সমূদ্রের একটিসহ মোট ৪টি ব্লকে ৪টি উৎপাদন বন্টন চুক্তি (পিএসসি)’র আওতায় ৫টি আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানী (আইওসি) তেল-গ্যাস কাজে নিয়োজিত রয়েছে।
আওয়ামী লীগের সদস্য দিদারুল আলমের প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ জানান, বাংলাদেশ-ভারত ও বাংলাদেশ-মিয়ানমারের মধ্যে সমূদ্র সীমানার বিরোধ নিস্পত্তির পর গভীর ও অগভীর সমূদ্রে ৫টি কোম্পানীর সাথে ৪টি ব্লকে ৪টি উৎপাদন চুক্তির (পিএসসি) মাধ্যমে তেল গ্যাস অনুসন্ধ্যান কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। ইতোমধ্যে দু’টি এবং তিনটি সাইসমিক সার্ভে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে ডাটা এনালাইসিসের কার্যক্রম চলছে।
সরকারী দলের ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুনের প্রশ্নের লিখিত জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের আওতাধীন সাড়ে ১২ কেজি এলপিজি প্রতিটি সিলিন্ডারের ভোক্তা পর্যায়ের মূল্য ৭০০ টাকা। অপরদিকে বেসরকারি পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার প্রায় এক হাজার থেকে এক হাজার ২০০টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে বেসরকারি এলপিজি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজির মূল্য সহনীয় রাখার জন্য আমদানি মূল্যের ওপর ভিত্তি করে আমদানিকারক ও ভোক্তা উভয়ের স্বার্থ সংরক্ষণ করে একটি মূল্য নির্ধারণী ফর্মূলা প্রণয়নের প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হচ্ছে।
বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ জানান, সারাদেশে ব্যাটারী চালিত অটোরিক্সা ও ইজিবাইকের ব্যাটারি চার্জ করতে সোলার চার্জের মাধ্যম বিদ্যূৎ অপচয় রোধ করার জন্য সোলার চার্জিং স্টেশন স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে প্রথমে ৬টি বিভাগীয় শহরে সোলার চার্জিং স্টেশন স্থাপন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ২০টি সোলার চার্জিং স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: জাতীয় সংসদ

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ