Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৫ আশ্বিন ১৪২৫, ৯ মুহাররাম ১৪৪০ হিজরী‌

পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষানীতি ঈমান আক্বিদা পরিপন্থী -আল্লামা শফী

প্রধানমন্ত্রী বরাবর সারাদেশে হেফাজতের স্মারকলিপি

প্রকাশের সময় : ১৭ মে, ২০১৬, ১২:০০ এএম

ইনকিলাব ডেস্ক : বিতর্কিত ধর্মহীন শিক্ষানীতি ও প্রস্তাবিত শিক্ষা আইন-২০১৬ বাতিল এবং ইসলামবিরোধী সকল পাঠ্যবই সংশোধনের দাবিতে গতকাল সোমবার হেফাজতে ইসলাম দেশব্যাপী জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি পেশ কর্মসূচি পালন করেছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে শান্তিপূর্ণভাবে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। স্মারকলিপিতে পাঠ্যপুস্তকে ইসলামবিরোধী বক্তব্য ও চিন্তা-চেতনা বাতিল এবং সরকারের প্রস্তাবিত শিক্ষা আইন-২০১৬ পাস না করার আহ্বান জানানো হয়।
চট্টগ্রাম ব্যুরো জানায়, গতকাল স্মারকলিপি পেশ কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের নিকট হেফাজতের আমীর শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফীর পক্ষ থেকে স্মারকলিপি পেশ করা হয়। ডিসি উপস্থিত না থাকায় তার পক্ষে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন এডিসি দৌলতুজ্জামান। এ সময় কেন্দ্রীয় ও চট্টগ্রাম মহানগর নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেনÑযুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মঈনুদ্দিন রুহী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, অর্থসম্পাদক মাওলানা ইলিয়াস ওসমানী, অ্যাডভোকেট নিজামুদ্দিন, মাওলানা জালাল উদ্দিন, মাওলানা জয়নুল আবেদীন কুতুবী, মাওলানা আনম আহমদুল্লাহ, মওলানা ইউনুস, মাওলানা ইকবাল খলিল, মাওলানা জুনাইদ জওহার, মাওলানা সায়েমুল্লাহ, মাওলানা ওসমান কাসেমী, মাওলানা আবু রায়হান, আতিক মোহাম্মদ প্রমুখ।
স্মারকলিপিতে হেফাজতের আমীর বর্তমান পাঠ্যপুস্তক, শিক্ষানীতি ও শিক্ষা আইনকে মুসলমানদের ঈমান-আক্বিদাবিরোধী ও নৈতিক আদর্শবিরোধী উল্লেখ করে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। দীর্ঘ স্মারকলিপিতে হেফাজত আমীর প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, হেফাজতে ইসলাম কোনো ধরনের রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষ পোষণ করে না। সুতরাং এদেশের কোনো রাজনৈতিক দলের সাথেই তার শত্রুতা নেই। আমরা চাই, আপনার সরকার এদেশের বৃহত্তর তৌহিদি জনতার প্রতিনিধিত্বকারী আলেমসমাজের পেশকৃত ধর্মীয় ন্যায্য দাবিগুলো বিবেচনাপূর্বক মেনে নিন। দেশে কোনো ধরনের ইসলামবিরোধী ও ইসলামবিদ্বেষী কর্মকা- না হোক এবং আপনার সরকার কর্তৃক কোরআন-সুন্নাহবিরোধী কোনো আইন পাস না করুক, শুধু এটুকুই আমাদের মূল দাবি-দাওয়া।
কিন্তু আজ অত্যন্ত ক্ষোভ ও দুঃখের সাথে হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকে আপনার কাছে এই স্মারকলিপি পেশ করছি। কারণ বিতর্কিত ইসলামবিমুখ শিক্ষানীতি-২০১০ অনুসারে দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তকগুলোতে ক্রমান্বয়ে ইসলাম ভাবাপন্ন পাঠসমূহ বাতিল করে তদস্থলে উদ্দেশ্যমূলকভাবে হিন্দুত্ববাদ ও নাস্তিক্যবাদমূলক টেক্সট প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। আপনার সদয় জ্ঞাতার্থে আমরা সেসবের যাবতীয় তথ্যপ্রমাণ নি¤েœ সন্নিবেশিত করেছি।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলা হয়, আপনার কাছে বিনয়ের সাথে আমরা অভিযোগ জানাচ্ছি যে, বর্তমানে স্কুল পর্যায়ের পাঠ্যপুস্তকে ইসলামী ভাবধারার লেখা বাদ দিয়ে মুসলিম ছাত্র-ছাত্রীদেরকে গরুকে মায়ের সম্মান, পাঁঠাবলির নিয়ম, হিন্দুদের তীর্থস্থানের ভ্রমণকাহিনী এবং হিন্দু রীতিনীতি ও দেবদেবীর নামে প্রার্থনা করার বিষয়ে পড়ানো হচ্ছে। সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যমূলকভাবে চলতি উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ইসলামী আকিদা-বিশ্বাস এবং দাড়ি-টুপি ও পীর-মাশায়েখবিরোধী কাল্পনিক কাহিনীর প্রশ্ন জুড়ে দিয়ে লাখ লাখ মুসলিম ছাত্র-ছাত্রীকে ইসলামবিরোধী ও হিন্দুত্ববাদের মহানুভবতা প্রকাশ পায় এমন উত্তর লিখতে বাধ্য করা হয়েছে। পাশাপাশি আমরা মনে করি, স্কুল-কলেজের বর্তমান ইসলামবিচ্ছিন্ন শিক্ষাব্যবস্থাকে আইনি ভিত্তিদান এবং কওমি মাদ্রাসাসমূহকে নিয়ন্ত্রণে নেয়ার অসৎ উদ্দেশ্যে আপনার সরকারের প্রস্তাবিত শিক্ষা আইন-২০১৬ নামে একটি বিতর্কিত খসড়া আইন প্রকাশ করে তড়িঘড়ি পাস করার উদ্যোগ নিয়েছে। আপনার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এসব কর্মকা-কে বৃহৎ সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম নাগরিকদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও নৈতিক আদর্শের বিরোধী বলে আমরা মনে করি।
দেশ ও জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় শিক্ষাব্যবস্থায় আপনার সরকার কর্তৃক পরিচালিত শিক্ষা মন্ত্রণালয় ধর্মীয় শিক্ষাকে শুধু সংকোচনই করেনি, বরং ইসলামধর্ম বিষয়ক এবং মুসলিম সংস্কৃতির প্রতি উদ্দীপনামূলক গল্প-রচনা ও কবিতাসমূহ বাদ দিয়ে তদস্থলে নাস্তিক্যবাদ ও হিন্দুত্ববাদের প্রতি উদ্দীপনামূলক বিভিন্ন রচনা, গল্প ও কবিতা একতরফা প্রতিস্থাপিত করেছে। বর্তমানে মুসলিম ছাত্র-ছাত্রীদেরকে স্কুলের পাঠ্যপুস্তকে নতুন সংযোজিত বিতর্কিত পাঠসমূহের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে নাস্তিক্যবাদ ও হিন্দুত্ববাদেরই পাঠ দেওয়া হয়ে থাকে।
এর মাধ্যমে কোমলমতি কোটি কোটি মুসলমানের সন্তানদের ইসলামবিমুখ করার পাশাপাশি নাস্তিক্যবাদ ও হিন্দুত্ববাদের শিক্ষা দিয়ে ঈমানহারা করার পাঁয়তারা চলছে অভিযোগ করে বলা হয়, দেশের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জাতিসত্ত্বার বিরুদ্ধে এটা ভয়াবহ ষড়যন্ত্র বলে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ তৌহিদি জনতা ও আলেমসমাজ মনে করে। সন্দেহ নেই, আপনার সরকারের ভেতর লুকিয়ে থাকা একটি ইসলামবিদ্বেষী বাম নাস্তিক চক্রই এসবের সাথে জড়িত। বলা বাহুল্য, বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা চালু থাকলে কোটি কোটি মুসলমানের সন্তান ঈমানহারা হতে বেশি দেরি নেই। দেশব্যাপী অভিভাবক মহলে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে এ কারণে যে, স্কুল-কলেজে বর্তমানে যা পড়ানো হচ্ছে, তাতে করে তাদের সন্তানরা শেষ পর্যন্ত প্রকৃত মুসলিম থাকতে পারবে তো!
তাছাড়া চলতি উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষায় ইসলামের প্রতি অবজ্ঞা এবং সুচতুরভাবে ইসলামী আকিদা-বিশ্বাসের বিরোধী ও পীর মাশায়েখদের চরিত্রহননমূলক কয়েকটি প্রশ্নের খবর পত্রপত্রিকায় ও স্যোশাল মিডিয়ায় প্রকাশ হয়ে পড়লে এই উদ্বেগ আরো বেড়েছে। বিশাল মুসলিম জনসংখ্যা অধ্যুষিত এই দেশের পাবলিক পরীক্ষায় এ ধরনের প্রশ্নপত্র প্রণয়ন কোনো স্বাভাবিক বিষয় নয়। দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং সাম্প্রদায়িকতা ও উগ্র নাস্তিক্যবাদ উস্কে দিতেই উদ্দেশ্যমূলকভাবে আপনার সরকারের ভিতরেই ঘাপটি মেরে থাকা একটি কুচক্রী মহল এই কাজ করেছে বলে আমাদের ধারণা।
এতে বলা হয়, দেশের স্কুল-কলেজগুলোতে পড়–য়া কোটি কোটি মুসলমানের সন্তানদের ঈমান-আকিদা নিয়ে অভিভাবকরা আশঙ্কায় ভুগছেন; কেননা ইসলামবিদ্বেষী ও মুসলমানদের প্রতি বর্ণবাদী মনোভাব পোষণকারী তথাকথিত সেকুলার লেখকদের লেখা প্রায় প্রত্যেক শ্রেণীর পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রথম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত গল্প ও কবিতার সংখ্যা সর্বমোট ১৯৩টি। এর মধ্যে হিন্দু এবং উগ্র ইসলামবিদ্বেষী নাস্তিকদের লেখার সংখ্যা হলো ১৩৭টি। এমনকি অবশিষ্ট লেখাগুলোর মধ্যেও ইসলামী ভাবধারার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ কোনো লেখা নেই। জাতীয় শিক্ষাবোর্ডসহ অন্যান্য সকল বোর্ডের নিয়ন্ত্রণমূলক গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ পদগুলোতে যোগ্য মুসলমানদের প্রতি বৈষম্য করে উদ্দেশ্য বিবেচনায় সংখ্যালঘুদের নির্বিচারে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান হচ্ছেন নারায়ণ চন্দ্র পাল; পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সচিব হচ্ছেন বজ্রগোপাল ভৌমিক; ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা-নিয়ন্ত্রক হলেন ড. শ্রীকান্ত কুমার চন্দ্র; একই বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হচ্ছের তপন কুমার সরকার; কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান হলেন প্রফেসর ইন্দোভূষণ ভৌমিক; বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান হচ্ছেন ডা. দিলীপ কুমার রায়; প্রথম শ্রেণী, দ্বিতীয় শ্রেণী, তৃতীয় শ্রেণীর ‘আমার বাংলা বই’য়ের সমন্বয়ক হলেন উত্তম কুমার ধর; ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণীর ‘আমার বাংলা বই’য়ের সমন্বয়ক হলেন শুভাশিষ চক্রবর্তী; ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ‘বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি’র প্রধান সমন্বয়ক হলেন গৌরাঙ্গ লাল সরকার এবং পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের অধিকাংশ বইয়ের ছবি অঙ্কনকারী হচ্ছেন সুদর্শন বাছার। এছাড়াও গত বছরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের দীর্ঘদিনের একান্ত সচিব ছিলেন মন্মথ রঞ্জন বাড়ৈ। ৯২ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত একটি দেশে এটা ষড়যন্ত্রের আলামত বলেই আমরা আশঙ্কা করছি।
এতে বলা হয়, আবারও নিশ্চিত করে বলতে চাই, আমরা অবশ্যই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পক্ষে। সংখ্যালঘুদের সার্বিক নিরাপত্তা, সুযোগ-সুবিধা ও নাগরিক অধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত করা ইসলামের শিক্ষা। প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলার বিভিন্ন পদে আনুপাতিক হারে সংখ্যালঘুদের উপস্থিতি থাকার বিরোধী নই আমরা। কিন্তু রহস্যজনকভাবে জাতীয় শিক্ষাকার্যক্রমসহ সরকারের বিভিন্ন শীর্ষ ও অতি গুরুত্বপূর্ণ পদে উচ্চহারে সংখ্যালঘুদের নিয়োগ ও পদায়ন অবশ্যই উদ্বেগ তৈরি হওয়ার মতো বিষয়। স্মারকলিপিতে স্কুল পাঠ্য বইয়ে কী কী বিষয়ের লেখা বাদ দেওয়া হয়েছে এবং কী কী বিষয়ের লেখা প্রতিস্থাপিত করা হয়েছে, তার একটি তালিকা দেয়া হয়।
হেফাজত আমীর অবিলম্বে স্কুল-কলেজের পাঠ্যপুস্তক থেকে ইসলামবিদ্বেষী নাস্তিক্যবাদ ও উগ্র হিন্দুত্ববাদের বিষয়গুলো বাদ দিয়ে তদস্থলে বৃহৎ মুসলিম জনগোষ্ঠির ধর্মীয় চিন্তা ও আদর্শের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ ইসলামী ভাবধারা এবং মুসলিম ইতিহাস-ঐতিহ্যের প্রতি উদ্দীপনামূলক রচনা, গল্প ও কবিতা পুনরায় বহাল রাখার দাবি জানান। পাশাপাশি প্রতিটি ক্লাসে বাধ্যতামূলকভাবে মুসলিম ছাত্র-ছাত্রীদের জন্যে হক্কানী ওলামায়ে কেরামের তত্ত্বাবধানে ইসলাম শিক্ষার বই রচনা করে পাঠ্যসূচিভুক্ত করারও জোর দাবি জানান তিনি।
হেফাজতে ইসলাম, ঢাকা মহানগর
ইসলামবিদ্বেষী শিক্ষানীতি-২০১০, মুসলিম সভ্যতা বিনাশকারী শিক্ষা আইন-২০১৬ ও হিন্দুত্ববাদের পাঠ্যসূচি বাতিলের দাবীতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে হেফাজতে ইসলাম ঢাকা মহানগরীর যুগ্ম সদস্য সচিব মাওলানা ফজলুল করীম কাসেমীর নেতৃত্বে মহানগর কমিটির দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ ঢাকা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন। হেফাজতে ইসলাম ঢাকা মহানগরীর আহ্বায়ক আল্লামা নূর হোছাইন কাসেমী স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেন ডেপুটি কমিশনার মো. আল মামুন। স্মারকলিপি প্রদানকালে প্রতিনিধি দলের প্রধান মাওলানা ফজলুল করীম কাসেমী বলেন, ইসলামবিদ্বেষী শিক্ষানীতি, ধর্মহীন শিক্ষা আইন বাতিল করতে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি। প্রতিনিদলে অন্যান্যের মধ্যে ছিলেনÑমাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, মাওলানা ফখরুল ইসলাম, মাওলানা ফখরুল ইসলাম, মাওলানা শরীফুল্লাহ, মাওলানা রবিউল ইসলাম, মাওলানা মাহমুদুল হাসান, মাওলানা ফয়সাল আহমদ, মাওলানা নূর মোহাম্মদ ও মাওলানা রবিউল ইসলাম প্রমুখ।
ফেনী হেফাজতের স্মারকলিপি
ফেনী জেলা সংবাদদাতা জানান, সামগ্রিক বিষয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়ে প্রস্তাবিত শিক্ষা আইন-২০১৬-এর বাস্তবায়নের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন ফেনী জেলা হেফাজত নেতৃবৃন্দ। এ শিক্ষা আইন বাতিল করে পার্থিব এবং ধর্মীয় শিক্ষার সমন্বয়ে নতুন শিক্ষানীতি প্রণয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আহ্বান জানান হেফাজত নেতারা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা হেফাজতের সাধারণ সম্পাধক, মুফতি রহিম উল্ল্যা কাসেমী, সহ-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আবুল কাশেম, মাওলানা জাফর আহাম্মদ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল উদ্দিন ফারুক, মাওলানা আবুল খায়ের মাছুমসহ হেফাজত নেতৃবৃন্দ।
খুলনায় হেফাজতে ইসলামের স্মারকলিপি
বিশেষ সংবাদদাতা, খুলনা জানান, ধর্মীয় শিক্ষাকে সংকোচন করে মুসলমানদের ধর্মহীন করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে হেফাজতে ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর বরাবর স্মারক লিপি দিয়েছে। সোমবার সকালে খুলনা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এ স্মারক দেয়া হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন হেফাজত ইসলামের খুলনা জেলা সভাপতি মাওলানা মুস্তাক আহমাদ, সাধারণ সম্পাদক মুফতি গোলাম রহমান, মাওলানা গোলাম কিবরিয়া, মাওলানা নাসির উদ্দিন, হাফেজ মাওলানা আলী আহমেদ, মাওলানা মুশাররফ হোসেন, ম্ওালানা আব্দুলাহ জুবায়ের, মাওলানা আব্দুস শাকুর, মাওলানা আব্দুর রহিম ও ইঞ্জিনিয়ার সামসুর রহমান প্রমুখ।
ফরিদপুরে স্মারকলিপি প্রদান
ফরিদপুর জেলা সংবাদদাতা জানান, দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। জেলা প্রশাসকের পক্ষে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ড. কামরুজ্জামান সেলিম। এসময় হেফাজতে ইসলামের ফরিদপুরের দ্বায়িত্বশীল মুফতি কামরুজ্জামান, মুফতি ইসমতউল্লাহ, মওলানা ইসমাঈল হোসেন, মুফতি মাহমুদুল হাসান, মুফতি বেলায়েত হোসেন, মুফতি হাফিজুর রহমান, মুফতি জাফর আহাম্মাদ, মুফতি জুবায়ের আহাম্মাদ, মুফতি আব্দুল মতিন, মওলানা আবুল কাশেম, মওলানা নেয়ামতউল্লাহ, মওলানা মাহফুজুর রহমান, মওলানা আশরাফ আলী, মওলানা সামসুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।



 

Show all comments
  • AL Mamun ১৭ মে, ২০১৬, ১০:৩৬ এএম says : 0
    যেই ............. আলেমদের হত্যা করে তার কাছে এই আবেদোন করে কোনো লাভ হবে না
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ