Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার ২৩ এপ্রিল ২০১৯, ১০ বৈশাখ ১৪২৬, ১৬ শাবান ১৪৪০ হিজরী।

শিক্ষার সুযোগ অবারিত হোক

| প্রকাশের সময় : ৮ মার্চ, ২০১৯, ১২:১০ এএম

সবার জন্য শিক্ষার সমান সুযোগ বা সবার জন্য শিক্ষা’ কথাটি বহুল প্রচলিত হলেও এখনও সবার জন্য এ সুযোগ সীমিত। পাবলিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় ভর্তি প্রক্রিয়া। উন্নত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বল্পতা এবং সীমিত আসন সংখ্যার কারণে ভর্তি পরীক্ষার নামে অভিনব কৌশলে প্রভাবশালী মহল ও সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সন্তানরা অনায়াসে উন্নত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পায়। অথচ মেধা থাকা সত্তে¡ও সাধারণ মানুষের ছেলেমেয়েরা ভর্তি হতে পারছে না মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। শিক্ষার্থীদের মেধা ও অর্জিত জিপিএ; যা-ই থাকুক না কেন, পরবর্তী ধাপে যাওয়ার জন্য ভর্তি পরীক্ষা যেন আসল পরীক্ষা হয়ে দাঁড়ায়। পাবলিক পরীক্ষায় অর্জিত জিপিএর যেন কোনো মূল্যই নেই। ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে মেধা যাচাইয়ের যে পদ্ধতি উদ্ভাবন করা হয়েছে, এতে মূলত সমস্যা সমাধান না হয়ে বরং তা ক্রমেই প্রকট হয়ে উঠছে। ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার শতভাগ নিশ্চয়তা দিয়ে শহর কিংবা গ্রামের অলিগলিতে ভর্তি কোচিং সেন্টার গড়ে উঠছে। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরাও হন্যে হয়ে ছুটছে কোচিং সেন্টারের দিকে। এতে যেমন কোচিং সেন্টার ব্যবসা কেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে, তেমনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রেণি-পাঠ নিরর্থক বলে বিবেচিত হচ্ছে। ভর্তি পরীক্ষার ফলই যদি ওপরের ধাপে ভর্তির মানদণ্ড হবে, তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকারের বিপুল অর্থ ব্যয় কি শুধুই অপচয়?
আবুল কালাম আজাদ
শ্রীপুর, গাজীপুর ।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: শিক্ষা

৪ এপ্রিল, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ