Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৯, ০৩ কার্তিক ১৪২৬, ১৯ সফর ১৪৪১ হিজরী

ইসলামী শিক্ষাই কেবল আল্লাহর পথে চলার নির্দেশনা দেয়

ছারছীনা দরবার শরীফের বার্ষিক মাহফিলে এ এম এম বাহাউদ্দীন

বরিশাল ব্যুরো | প্রকাশের সময় : ১৩ মার্চ, ২০১৯, ১২:০৪ এএম | আপডেট : ১২:১২ এএম, ১৩ মার্চ, ২০১৯

ঐতিহ্যবাহী ছারছীনা দরবার শরীফের বার্ষিক ইসালে ছাওয়াব মাহফিলে সমবেত মুসল্লিগণের উদ্দেশে বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীন বলেছেন, এদেশে দ্বীনি অলেমগণ শত শত বছর ধরে মানুষকে আল্লাহ ও রাসূলের পথে দাওয়াত দিয়ে আসছেন। মানুষকে হেদায়াত করার জন্যই আল্লাহ পাকের তরফ থেকে ওলীয়ে কামেলগণ এ দুনিয়ায় আসেন। তারা জীবনের সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে মহান আল্লাহর পথে মানুষকে দাওয়াত দিয়ে যান। ছারছীনা এমনই এক দরবার যেখানে আল্লাহর ওলীগণ শুয়ে আছেন। এ জমীনেও আছেন। এখান থেকে একমাত্র আল্লাহর রাস্তায় চলার জন্যই তাগিদ ও নির্দেশনা দেয়া হয়। ছারছীনা কামেল পীরের দরবার। এখানে দুনিয়াবী বাহাদুরীর কোনো স্থান নেই।
ছারছীনা দরবার শরীফের তিন দিনের বার্ষিক ঈসালে ছাওয়াব মাহফিলের দ্বিতীয় দিন গতকাল বাদ মাগরিব পীর ছাহেব হযরত মাওলানা শাহ্্ মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ ছাহেব-এর বয়ানের পর আলহাজ এ এম এম বাহাউদ্দীন বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি অনেক এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ব ব্যাংক ও আইএমএফ-এর মত প্রতিষ্ঠান দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রশংসা করছে। কিন্তু দেশ আজ ভয়াবহ মাদকের ছোবলে। সমাজের সর্বত্র মাদক গ্রাস করছে। দুর্নীতিও সমাজে শক্ত অবস্থান নিচ্ছে।
আর সমাজ সংস্কারে দেশের মাদরাসা শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে জানিয়ে এ এম এম বাহাউদ্দীন বলেন, এক্ষেত্রে ছারছীনা দরবারের ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ দরবারে আলীয়া, কওমিয়া, দ্বীনিয়া মাদরাসা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছারছীনার মরহুম পীর ছাহেবও এ সমাজ ও দেশে ইসলামী শিক্ষা ছড়িয়ে দিয়ে গেছেন। ইসলাম ও ইসলামী শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। ইসলামী শিক্ষাই কেবল আল্লাহর নির্দেশিত পথে চলার নির্দেশনা দিয়ে থাকে উল্লেখ করে এ এম এম বাহাউদ্দীন বলেন, ইসলামী শিক্ষাই আমাদেরকে সমাজের অন্ধকার থেকে আলোর পথ নিয়ে যেতে পারে, আল্লাহর নির্দেশিত পথে চালাতে পারে। ইনকিলাব সম্পাদক-এর বক্তব্য প্রদানের পর পীরজাদা শাহ মো. হোসাইন ছারছীনা দরবার শরীফে বয়ান করেন।
এর আগে আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের হযরত পীর ছাহেব আলহাজ মাওলানা শাহ্ মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ তার বক্তৃতায় বলেন, আমরা নামাজ পড়ি, রোজা রাখি, হজ্বসহ অন্যান্য ইবাদত-বন্দেগি করি। এসব ইবাদতে শয়তান আমাদের ওয়াসওয়াসা দেয় যা আমাদের ইবাদতকে বিনষ্ট করে, মনোযোগ অন্যদিকে ধাবিত করে। শয়তানের ওয়াসওয়াসামুক্ত ইবাদত করার জন্য প্রত্যেক মুসলমানের উচিত তরিকা-তাসাওউফের চর্চা করা। যিক, তাসবীহ-তাহলীল, কোরআন তেলাওয়াত, দরুদ শরীফ ও নফল ইবাদতে মশগুল থাকাই হলো তরীকায়ে তাসাওউফ। পাশাপাশি হালাল ভক্ষণ ও হারাম বর্জন, পর্দা পালন ইত্যাদি শিক্ষা দেয় তরীকা। আর এই তরীকা তাসাওউফ শিক্ষার জন্যই হক্কানী পীরের সোহবতে যেতে হয়। যারা পীর মুরীদকে শিরক বলে গলা ফাটাচ্ছে তাদের উদ্দেশে পীর ছাহেব বলেন, তাহলে বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানী, খাজা মুঈনুদ্দীন চিশতী, হযরত শাহ্্জালাল, হযরত শাহ পরান (রহঃ)সহ অন্যান্য আওলিয়ায়ে কেরামও কি মুশরিক ছিলেন? এসব কথা বলে সরলমনা মানুষের ঈমান নিয়ে ছিনিমিনি খেলে যারা, তারাই ইসলাম ও মুসলমানের দুশমন। এদের থেকে আমাদের সর্বদা সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।
পীর ছাহেব আরও বলেন, ঈমান-আকীদা মজবুত রাখার জন্য দ্বীনিয়া মাদরাসা প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই। এ কথা শুধু মুখে বললেই হবে না, বরং সন্তানকে দ্বীনিয়া মাদরাসায় ভর্তি করে, অর্থ দিয়ে ও জায়গা দিয়ে দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের খেদমতে পীরভাই, মুহিব্বীনকে এগিয়ে আসতে হবে।
পীর ছাহেব আরও বলেন, সকল ক্ষমতার একমাত্র মালিক আল্লাহ। এই ক্ষমতা দ্বীনের খেদমতে ব্যবহার করা মুসলমানদের কর্তব্য। ছারছীনা দরবার দলীয় রাজনীতি করে না। কিন্তু যারা ইসলামকে ভালোবাসে, দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করে এ দরবার তাদের সফলতার জন্য আল্লাহর কাছে সর্বদা দোয়া করে।
মাহফিলের দ্বিতীয় দিন বিশেষ মেহমান ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী এডভোকেট শ. ম. রেজাউল করিম এমপি। এদিন আরো বক্তৃতা করেন মাওলানা মাহমুদুম মুনীর হামীম, মাওলানা সিরাজুম মুনীর তাওহীদ, মাওলানা আবদুল গফ্ফার কাসেমী, মাওলানা কাজী মফিজ উদ্দিন, মাওলানা মো. বদরুজ্জামান রিয়াদ, মাওলানা মোহেব্বুল্লাহ আল মাহমুদ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ এম. এম. এনামুল হক, বাংলাদেশ জমইয়তে হিযবুল্লাহর নায়েবে আমীর আলহাজ মাওলানা মির্জা নূরুর রহমান বেগ, পিরোজপুরের সার্কেল এস. পি. শাহনেওয়াজ, নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন, ব্যরিস্টার এ. বি. এম সিদ্দিকুর রহমান, নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কে. এম তারিকুল ইসলাম, স্বরূপকাঠী পৌরসভার মেয়র জি. এম কবির প্রমুখ। আজ বাদ জোহর আখেরী মুনাজাত। দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে হযরত পীর ছাহেব আখেরী মুনাজাত পরিচালনা করবেন।



 

Show all comments
  • Tawhid ১৩ মার্চ, ২০১৯, ১:০১ এএম says : 0
    আমাদের সমাজে অপরাধ প্রবণতা বেড়ে গেছে, মাদকের ব্যবহার বেড়ে গেছে। মাদকাসক্ত সমাজ দিয়ে যে কোনো খারাপ কাজ করানো যেতে পারে। খুন-খারাবি থেকে ধর্ষণ। এর আলামতও শুরু হয়ে গেছে। এটি নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাঠামোতে নেই। এ থেকে উত্তোরণের একমাত্র সঠিক পথ হচ্ছে কুরআন ও হাদীসের আলোকে আলেম সমাজের নির্দেশিত পথে চলা।
    Total Reply(0) Reply
  • রবিউল ইসলাম ১৩ মার্চ, ২০১৯, ১২:৫২ এএম says : 0
    অতীতে গ্রামগঞ্জ থেকে শুরু করে শহরগুলোতে এরকম প্রচুর মাহফিল হতো। এখন সেটা অনেকটাই কমে গেছে। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সব সময়ই এসব মাহফিলে যেতে পারলে নিজেদেরকে ধন্য মনে করে।
    Total Reply(0) Reply
  • ইমরান ১৩ মার্চ, ২০১৯, ১২:৫৭ এএম says : 0
    পিতা-মাতার উচিত ছোটবেলা থেকেই সন্তানদেরকে ধর্মীয় শিক্ষা দেয়া, নৈতিকতা শিক্ষা দেয়া।
    Total Reply(0) Reply
  • ফজলুল হক ১৩ মার্চ, ২০১৯, ১২:৫৮ এএম says : 0
    আসুন আমরা সবাই নিজেদের সন্তানদেরকে আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি ইসলামী শিক্ষা দেই। যাতে তারা দুনিয়াবি শিক্ষার পাশাপাশি পরকালীন শিক্ষাও লাভ করতে পারে। তাহলেই যুব সমাজকে সঠিক পথে রাখা সম্ভব হবে।
    Total Reply(0) Reply
  • শাহে আলম ১৩ মার্চ, ২০১৯, ১২:৫৯ এএম says : 0
    দৈনিক ইনকিলাবের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ হজরত মাওলানা এম. এ. মান্নান (রহঃ) যেভাবে এ দেশের ইসলাম, মুসলমান ও মাদ্রাসা শিক্ষার জন্য কাজ করে গেছেন ঠিক একইভাবে তার সুযোগ্য সন্তান এ এম এম বাহাউদ্দীন সাহেবেও কাজ করছেন। এজন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করি, এই পরিবার ও তাদের সকল কর্মকাণ্ডের প্রতি তিনি যেন রহমত ও বরকত দান করেন।
    Total Reply(0) Reply
  • এমদাদুল হক ১৩ মার্চ, ২০১৯, ১:০৩ এএম says : 0
    মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনে কাছে এই দোয়া করি যে, আল্লাহ যেন এ এম এম বাহাউদ্দীন সাহেবকে দীর্ঘ হায়াত দান করেন। যাতে তিনি তার বাবার মত দেশ, ইসলাম ও মাদ্রাসার জন্য কাজ করতে পারেন।
    Total Reply(0) Reply
  • Mokitur Rahman ১৩ মার্চ, ২০১৯, ১:০৭ এএম says : 0
    হক্কানী আলেমদের সংস্পর্শে থাকতে পারলে দীন সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান লাভ করা যায়। তাই প্রতি বছর ঐতিহ্যবাহী ছারছীনা দরবার শরীফের বার্ষিক ইসালে ছাওয়াব মাহফিলে যাওয়ার চেষ্টা করি।
    Total Reply(0) Reply
  • ফজলুল হক ১৩ মার্চ, ২০১৯, ৩:৩৪ পিএম says : 0
    মাওলানা এম. এ. মান্নান (রহঃ) যেভাবে এ দেশের ইসলাম, মুসলমান ও মাদ্রাসা শিক্ষার জন্য কাজ করে গেছেন ঠিক একইভাবে তার সুযোগ্য সন্তান এ এম এম বাহাউদ্দীন সাহেবেও কাজ করছেন। এজন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করি, এই পরিবার ও তাদের সকল কর্মকাণ্ডের প্রতি তিনি যেন রহমত ও বরকত দান করেন।
    Total Reply(0) Reply
  • মুক্তিকামী জনতা ১৩ মার্চ, ২০১৯, ৩:১৩ পিএম says : 0
    দৈনিক ইনকিলাবসহ অসংখ্য সৃষ্টির কারণে মাওলানা এমএ মান্নান (রহ) সাহেবকে যুগ যুগ ধরে এদেশের মানুষ স্বরণ রাখবে।
    Total Reply(0) Reply
  • মিরাজ আলী ১৩ মার্চ, ২০১৯, ১১:১৭ এএম says : 0
    শতভাগ একমত। আজ শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে ইসলাম তুলে দেওয়ায় মানুষ আল্লাহর পথ ছেড়ে তাগুতের পথে চলছে।
    Total Reply(0) Reply
  • তরিক আব্দুল্লাহ ১৩ মার্চ, ২০১৯, ১১:১৯ এএম says : 0
    দেশের সকল শিক্ষা বোর্ডের পাঠ্যপুম্তকে ইসলামি শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করতে হবে। নতুবা এদেশের মানুষ ধর্মহীন হতে বেশি সময় নেবে বলে মনে করি না।
    Total Reply(0) Reply
  • Anwarul Hpque Anwar ১৩ মার্চ, ২০১৯, ৩:৪৯ পিএম says : 0
    বাস্তব কথা বলেছেন। মাননীয় সম্পাদক সাহেবকে অসংখ্য ধন্যবাদ আজকের অনুষ্ঠানে তাঁর সূ-চিন্তিত ও বাস্তবমুখী বক্তব্য রাখার জন্য।
    Total Reply(0) Reply
  • MAHMUD ১৩ মার্চ, ২০১৯, ৫:৪১ পিএম says : 0
    Dear HONOURABLE EDITOR SIR (DAILY INQILAB), many thanks for your good lecture. May ALLAH bless you.
    Total Reply(0) Reply
  • Nur Islam ১৩ মার্চ, ২০১৯, ৫:৪৫ পিএম says : 0
    Great Statement!!!
    Total Reply(0) Reply
  • আবদুল্লাহ হাসান ১৩ মার্চ, ২০১৯, ৪:২৩ পিএম says : 0
    খুব সুন্দর কথা। আজ মানুষ আল্লাহর পথে না চলার প্রধান কারণই হলো ইসলামি শিক্ষার অনুপস্থিতি। প্লে থেকে ডিগ্রি সকল স্তরে ইসলামি শিক্ষা অন্তর্ভূক্ত করতে হবে। তবেই ইসলামি মূল্যরবাধ সম্পন্ন একটি শিক্ষিত গোষ্ঠী পাওয়া যাবে।
    Total Reply(0) Reply
  • মেহেদী হাসান ১৩ মার্চ, ২০১৯, ৫:৪১ পিএম says : 0
    শ্রদ্ধেয় সম্পাদক ও বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি এ এম এম বাহাউদ্দীন অত্যন্ত মূল্যবান ও বাস্তবসম্মত কথা বলেছেন।
    Total Reply(0) Reply
  • নাইম ১৩ মার্চ, ২০১৯, ৫:৪২ পিএম says : 0
    Akdom thik kotha bolesen
    Total Reply(0) Reply
  • তইমুর খন্দকার ১৩ মার্চ, ২০১৯, ৫:৪৩ পিএম says : 0
    বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন আপনার নেতৃত্বে মাদ্রাসা শিক্ষা ও শিক্ষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। ভবিষ্যতেও ভূমিকা রাখবে। আপনাদের সফলতা কামনা করছি।
    Total Reply(0) Reply
  • বছির আহমেদ ১৩ মার্চ, ২০১৯, ৫:৪৪ পিএম says : 0
    শ্রদ্ধেয় সম্পাদক, প্রথমেই আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আপনার পত্রিকা প্রতিকূল অবস্থায়ও সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচার করে যাচ্ছে। আমরা এতে উপকৃত হচ্ছি। এছাড়া ইসলাম ও মুসলিমদের প্রতিনিধিত্ব করায় আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রতি আমাদের ইমানি ভালোবাসা তৈরি হয়েছে। ইনশায়াল্লাহ আপনি সফল হবেন।
    Total Reply(0) Reply
  • মামুন ১৩ মার্চ, ২০১৯, ৫:৪৪ পিএম says : 0
    Absolutely right
    Total Reply(0) Reply
  • শিমুল খান ১৩ মার্চ, ২০১৯, ৫:৪৫ পিএম says : 0
    নীতি, নৈতিকতা, ধর্মীয় শিক্ষা, ইসলামী মূল্যবোধের অভাবেই দেশে অপরাধ হচ্ছে। তাই ইসলামী মূল্যবোধ, ইসলামী আদর্শের প্রভাব সমাজের সর্বস্তরে কাজে লাগাতে হবে। এ বিষয়ে আপনার সাথে একমত।
    Total Reply(0) Reply
  • Bashir Ahmed ১৩ মার্চ, ২০১৯, ১২:৫৭ এএম says : 0
    একমাত্র ইসলামী শিক্ষাই পারে সব ধরনের হানাহানি ও হিংসা-বিদ্বেষ ও সব ধরনের অনৈতিকতা থেকে দেশের যুব সমাজকে রক্ষা করতে।
    Total Reply(0) Reply
  • তামিম ১৩ মার্চ, ২০১৯, ১২:৫৬ এএম says : 0
    দেশের মাদ্রাসাগুলোই আলোকিত মানুষ সৃষ্টি করে।
    Total Reply(0) Reply
  • ইমরান ১৩ মার্চ, ২০১৯, ১২:৫৬ এএম says : 0
    মাদ্রাসা শিক্ষিতদের হাতেই দেশে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো নিরাপদ। তারা অন্যান্য সকলের তুলনায় সৎ, নিষ্ঠাবান ও দায়িত্বশীল। কারণ তাদের মধ্যে ইসলামের জ্ঞান আছে, সর্বোপরি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ভয় আছে।
    Total Reply(0) Reply
  • মীর মোর্শেদ ১৩ মার্চ, ২০১৯, ১২:৫৪ এএম says : 0
    এই ধরনের মাহফিলের খবরগুলো সাধারণত পত্রিকাগুলোতে দেখা যায় না শুধুমাত্র দৈনিক ইনকিলাব ছাড়া। তাই এই পত্রিকা সংশ্লিষ্ট সকলকে আমার অন্তরের অন্ত:স্থল থেকে অনেক অনেক দোয়া করছি
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: এ এম এম বাহাউদ্দীন

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন