Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ০৫ ভাদ্র ১৪২৬, ১৮ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

যৌথভাবে যুদ্ধবিমান তৈরি করবে চীন–পাকিস্তান

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৩ মার্চ, ২০১৯, ৬:৪৬ পিএম

যুদ্ধবিমান তৈরিতে চীন ও পাকিস্তানের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। চীনের পক্ষ থেকে জানানো হল, অত্যাধুনিক জে এফ–১৭ যুদ্ধবিমান বানাতে পাকিস্তানকে সাহায্য করছে চীন। সেই সঙ্গে সামরিক যন্ত্রাংশ তৈরিতেও হাত মিলিয়েছে দুই বন্ধু দেশ। ভারতের আধুনিক যুদ্ধবিমানগুলির সঙ্গে জোরদার পাল্লা দিতে এই ফাইটার জেট ব্যবহার করবে পাকিস্তান। তাই এই যৌথ উদ্যোগ বলে মনে করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ভারতের ১২টি মিরাজ ২০০০ ফাইটার জেট হামলা করেছিল বালাকোটে। শক্তি ও পরিকাঠামোর দিক দিয়ে ভারতীয় বিমানবাহিনী রয়েছে বিশ্বের প্রথম দশটি শক্তিশালী বিমানবাহিনীর তালিকায়। ভারতের আগে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ইজরায়েল, ব্রিটেন, চীন, ফ্রান্স। ভারতের থেকে পিছিয়ে রয়েছে পাকিস্তান। তাই চীনকে ধরে পাকিস্তান শক্তিবৃদ্ধি করতে চাইছে।
চীন–পাকিস্তান সামরিক প্রকল্পের চিফ ডিজাইনার ওয়াং ওয়েই বলেন, ‘জে এফ–১৭ যুদ্ধবিমান বানানোর কাজ চলছে। পাকিস্তানের ফাইটার জেটগুলোকে আরও অত্যাধুনিক করে গড়ে তোলা হবে।’
এই মুহূর্তে অত্যাধুনিক জে-২০ এবং জে-৩১ যুদ্ধবিমান বানাতে গবেষণা চালাচ্ছে চীন। চীনের অ্যাভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রির ওয়েবসাইট সূত্রে খবর, জে এফ–১৭ যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি এফ সি–১ ফাইটার জেট তৈরিতেও হাত লাগিয়েছে দুই দেশ। যুদ্ধবিমান বানানোর এই চলতি প্রকল্পকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যেতেই মাল্টিরোল সিঙ্গল ইঞ্জিন লাইট ফাইটার জেট এফসি–১ বানানোর কথা ভাবছে চীন। তাই চীনের পরিকল্পনা, পাকিস্তানকেই যুদ্ধবিমান বানানোর ঘাঁটি বানানো, যাতে পৃথিবীর বিভিন্ন মুসলিম দেশগুলি থেকে সহজে বিমান ক্রয়ের অর্ডার পাওয়া যায়।
পাকিস্তান–চীন অর্থনৈতিক করিডরের পাশাপাশি দু’দেশের মধ্যে যে সামরিক বোঝাপড়া চলছে সেটা আগেই দাবি করেছিল এক মার্কিন দৈনিক। পাকিস্তানের হাতে এখন রয়েছে সিঙ্গল সুপারসনিক এফ–১৬। যা পাকিস্তানকে বিক্রি করেছিল আমেরিকা। যে কোনও আবহাওয়ায় এটি উড়তে এবং আঘাত হানতে সক্ষম।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ