Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার ২১ মে ২০১৯, ০৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১৫ রমজান ১৪৪০ হিজরী।

হুসনে আরার মৃত্যুতে শোকাচ্ছন্ন সিলেট

সিলেট ব্যুরো | প্রকাশের সময় : ১৬ মার্চ, ২০১৯, ৩:৩৮ পিএম

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে দুটি মসজিদে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় অর্ধশত মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। বর্বোরোচিত এই হামলায় খুন হয়েছেন সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপাশা ইউনিয়নের জাঙ্গালহাটা গ্রামের মৃত নুর উদ্দিনের মেয়ে হুসনে আরা পারভীন। তার এমন বেদনাদায়ক মৃত্যুতে শোকাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে সিলেট।
হুসনে আরা পারভীনের স্বামী ফরিদ উদ্দিন আহমদের বাড়ি সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার উত্তর মিরেরচক গ্রামে।
পারভীন খুনের ঘটনায় বিশেষ করে তার বাবার বাড়ি গোলাপগঞ্জ উপজেলা এবং বিশ্বনাথ উপজেলায় শোকের আবহ বেশি।
জানা গেছে, ১৯৯৪ সালে ফরিদ উদ্দিন আহমদের সাথে হুসনে আরা পারভীন বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের কয়েক বছর পরই তারা নিউজিল্যান্ডে যান। সর্বশেষ ২০০৯ সালে দেশে বেড়াতে এসেছিলেন এই দম্পতি। স্বামী, একমাত্র মেয়ে ও দুই ভাইবোনের সাথেই ক্রাইস্টচার্চে বসবাস করছিলেন হুসনে আরা পারভীন। শুক্রবার স্বামীর সাথে জুম্মার নামাজ আদায় করতে ক্রাইস্টচার্চের একটি মসজিদে গিয়েছিলেন পারভীন। মসজিদের পুরুষ অংশে স্বামীকে রেখে নিজে মহিলা অংশে নামাজ আদায় করতে গিয়েছিলেন তিনি। এর মধ্যেই গোলাগুলির শব্দ শুনে স্বামীর খোঁজ করতে যান তিনি। ওই সন্ত্রাসীরা তাকে গুলি করে হত্যা করে।
হুসনে আরা পারভীনের চাচাতো ভাই সিলেট মহানগর কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এইচ আর শাকিল জানান, ঘটনাস্থলেই নিহত হন পারভীন। পরে নিউজিল্যান্ড পুলিশ তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে।
নৃশংস হামলায় অর্ধশত মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় গোটা বিশ্বই শোকাহত। বিশেষ করে মুসলিম বিশ্বকে বেশি আঘাত করেছে এই জঙ্গি হামলা। সিলেটের পারভীনের মৃত্যুতে শোকাচ্ছন্ন এ এলাকাও। বিশেষ করে তার বাবার বাড়ি ও স্বামীর বাড়ির মানুষদের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের কালো ছায়া।
গোলাপগঞ্জের খবির মিয়া ও বিশ্বনাথের আবদাল খান নামের দুই ব্যক্তি বলেন, ‘হুসনে আরা পারভীনের এমন মৃত্যু কখনোই কাম্য ছিল না। এমন নৃশংসতার তীব্র নিন্দা জানাই আমরা।’



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন