Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৬ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী

দ্বিপক্ষীয়ভাবে পুলওয়ামা-পরবর্তী সমস্যা সমাধান করুন : এসসিও

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৩ মার্চ, ২০১৯, ১২:০৫ এএম

চীনা নেতৃত্বাধীন নিরাপত্তা গ্রুপ সাংহাই কোঅপারেশান অর্গানাইজেশান (এসসিও) ভারত ও পাকিস্তানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যাতে তারা পুলওয়ামা সন্ত্রাসী হামলার পরবর্তী সমস্যার বিষয়টি দ্বিপক্ষীয় প্রচেষ্টার মাধ্যমে সমাধান করে ফেলে। এই শত্রুতা যেন গ্রুপের উপর প্রভাব না ফেলে, সে ব্যাপারে দেশ দুটিকে সতর্কও করা হয়েছে। সদ্য নিযুক্ত এসসিও মহাসচিব ভ্লাদিমির নোরোভ আরও বলেন, ভারত ও পাকিস্তানকে সন্ত্রাস দমনের নীতিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, “তা না হলে এসসিওতে অংশগ্রহণ করা দুই দেশের জন্য কঠিন হয়ে পড়বে”। নোরোভ বলেন যে, এসসিও’র সদস্য দেশগুলো ভারত ও পাকিস্তানকে সংযত হওয়ার এবং কূটনৈতিক উপায়ে দ্বিপাক্ষিক সমস্যা সমাধানের যে আহ্বান জানিয়েছিল তাতে দেশ দুটি সাড়া দেয়ায় এসসিও সদস্যরা আন্তরিকভাবে সন্তুষ্ট। নোরোভ অবশ্য সন্ত্রাসবাদ এবং সুনির্দিষ্ট সন্ত্রাসী নির্ধারণের ক্ষেত্রে ভারত ও পাকিস্তানের মতপার্থক্য বা চীনের সাথে মতপার্থক্য নিয়ে কোন মন্তব্য করেননি। কয়েক বছরের দর কষাকষির পর ২০১৭ সালে ছয় সদস্যের এই গ্রুপে যোগ দেয় ভারত ও পাকিস্তান। দুই দেশের ইতিহাস এবং অতি স¤প্রতি পুলওয়ামা হামলার পর দুই দেশের মধ্যকার সামরিক বিনিময়ের কারণে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে যে নিজেদের মতপার্থক্য দূরে সরিয়ে এসসিওর একই টেবিলে নয়াদিল্লী ও ইসলামাবাদ বসতে পারবে কি না। পাকিস্তান-ভিত্তিক জয়শ-ই-মোহাম্মদ পুলওয়ামা হামলার দায় স্বীকার করে। ওই হামলায় ভারতীয় আধাসামরিক বাহিনীর ৪০ সদস্য নিহত হয়। কিন্তু সংগঠনটির প্রধান মাসুদ আজহারকে সন্ত্রাসী হিসেবে তালিকাভুক্তির চেষ্টা চীনের বিরোধিতার কারণে ভেস্তে যায়। ভারত বলেছে যে, মাসুদকে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে চীনের সিদ্ধান্তে তারা হতাশ হয়েছে। হিন্দুস্তান টাইমস লিখিত একটি প্রশ্নে জানতে চায় যে, সন্ত্রাসবাদের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে ভারত, চীন ও পাকিস্তানের মধ্যে যে বিরোধ রয়েছে, এসসিও সেটা দূর করতে পারবে কি না। নোরোভ সরাসরি প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে বলেন যে, পাকিস্তান ও ভারতকে এসসিওতে একসাথে কাজ করতে হবে। মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর বুধবার বেইজিংয়ে এসসিও সদরদপ্তরে প্রথমবারের মতো সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। এসসিওর অন্যান্য সদস্য দেশগুলো হলো রাশিয়া, উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান, কাজাখস্তান এবং কিরঘিজিস্তান। এসসিও সনদে সন্ত্রাসবাদ, বিচ্ছিন্নতাবাদ এবং চরমপন্থীদের বিরুদ্ধে সব ধরনের পন্থায় যৌথ প্রতিরোধ গড়ে তোলার বিষয় উল্লেখ রয়েছে এবং এটাকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এসএএম।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন