Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৬ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী

মাছ ধরা নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ

নওগাঁ জেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ২৪ মার্চ, ২০১৯, ১২:১০ এএম

নওগাঁর রাণীনগরের মিরাট ইউনিয়নের সরকারি বিল মুনছুরের শাখা বিল চোরের খাস ক্যানেলে মাছ ধরা নিয়ে মৎস্যজীবী ও গ্রামের কতিপয় ব্যক্তিদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকে সোহেল নামের এক যুবককে ভ্রাম্যমাণ আদালত আটক করে ১৫দিনের সশ্রম কারাদÐ প্রদান করেছে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবত মিরাট ইউনয়িনের সরকারি বিল মুনছুরে নয়া হরিশপুর গ্রামের মৎস্যজীবীরা মাছ ধরে জীবিকা ধারণ করে আসছে। হরিশপুর উজানপাড়া গ্রামের কতিপয় লোকজন জোর করে বৃহস্পতিবার দুপুরে বিলের পানি মেশিন দিয়ে শুকিয়ে মাছ ধরছিল। তখন মৎস্যজীবীরা বাধা দিতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্য দ্ব›েদ্বর সৃষ্টি হয়। তারা মৎস্যজীবীদের মারপিট করে। এ সময় মৎস্যজীবীদের ২জন আহত হয়।
ঘটনাটি প্রশাসনকে জানালে সহকারি কমিশনার (ভূমি) টুকটুক তালুকদার ঘটনাস্থলে পৌছলে হরিশপুর গ্রামের ফয়াজ আলীর ছেলে জলিল (৪৫), আলেপ উদ্দিনের ছেলে নাইম (২২), বাবুর ছেলে জুয়েল (৩২) সহ কয়েকজন ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এসময় সেখান থেকে উপজেলার কাশিমপুর গ্রামের সোহেল (২৫) কে আটক করে ১৫দিনের সশ্রম কারাদÐ প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও সহকারি কমশিনার (ভূমি) টুকটুক তালুকদার। এই সূত্র ধরে ওইদিন বিকেলে হরিশপুর গ্রামের মাঠে মৎস্যজীবী জলিলের মাছ ধরার জাল রোদে শুকাতে দিলে প্রতিপক্ষরা সেই জাল পুড়িয়ে দেয়। এতে করে মৎস্যজীবী জলিলের ত্রিশ হাজার টাকার জাল পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
হরিশপুর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি মাহফুজুল হক খোকনসহ অনেকেই বলেন, আমরা উন্মুক্ত বিল ও নদী থেকে মাছ ধরে জীবন-যাপন করে আসছি। কিন্তু অন্যগ্রামের কতিপয় ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন যাবত আমাদের সঙ্গে বিলে মাছ ধরা নিয়ে দ্ব›দ্ব করে আসছে। আমরা অনেকবার প্রশাসনকে লিখিত ভাবে অভিযোগ দিলেও বিষয়টি আজও সমাধান না হওয়ায় প্রতিপক্ষরা একের পর এক আমাদের ক্ষতি করে আসছে।
সহকারি কমিশনার (ভ’মি) টুকটুক তালুকদার বলেন বিলের পানি শুকিয়ে মাছ ধরার অপরাধে একজনকে শাস্তি প্রদান করেছি। বিলের পানি শুকিয়ে মাছ ধরার অধিকার কারো নেই। বিলটি মাছের অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। অতিদ্রæত উভয়পক্ষকে নিয়ে বসে আমরা বিলে মাছ ধরার বিষয়টি সমাধান করবো।

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন